স্বাধীনতার সময়ে ভারতের এই স্থানগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে
স্বাধীনতার সময়ে ভারতের এই স্থানগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে
১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট ব্রিটিশদের শাসন থেকে মুক্তি পেয়েছিল দেশবাসী। মাঝে কেটে গেছে ৭৪ বছর। আজ ৭৫ বছর স্বাধীনতা দিবসের পূর্তি উদযাপন করছেন ভারতবাসী। কলকাতা সমেত এমন অনেক জায়গা রয়েছে যেখানে স্বাধীনতার সময় অনেক গুরুত্বপূর্ণ জায়গা আমাদের অনেকেরই অজানা। জেনে নিন সেই জায়গাগুলি কী কী।

কলকাতা
ভারতীয় জাতীয়তাবাদের প্রধান অন্যতম কেন্দ্র হল কলকাতায়। এটি ছিল সৃজনশীল এবং ভারতীয় নেতাদের কেন্দ্রস্থল। তারা প্রথম কলকাতাতেই এসে থাকতে শুরু করেছিলেন।

মুম্বই
কলকাতার পর ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সময়ে মহারাষ্ট্রের মুম্বই একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। যে সময় তার নাম ছিল বোম্বাই। এখানেই অ্যালান অক্টোভিয়ান হিউম কংগ্রেস পার্টি সেইসময় তৈরি হয়েছিল বলে শোনা যায়।

ঝাঁসি
উত্তরপ্রদেশ ঝাঁসি রানী লক্ষ্মীবাঈ এর শহর হিসেবে ঝাঁসি জায়গাটি বিখ্যাত। ব্রিটিশ সৈন্যদের সঙ্গে যুদ্ধের সময় যুদ্ধের ময়দানে মারা গিয়েছিলেন ঝাঁসির রানী লক্ষ্মীবাঈ। দেশের প্রতি অদম্য ভালোবাসার জন্য আজও ইতিহাসের পাতায় তাঁর নাম স্বর্ণাক্ষরে নাম লেখা রয়েছে।

ব্যারাকপুর
১৮৫৭ সালে ব্যারাকপুর থেকে ভারতীয় স্বাধীনতার প্রথম লড়াই শুরু হয়েছিল। সিপাহী বিদ্রোহ হয়েছিল সেসময়। সেই সময় মঙ্গল পান্ডে তার ব্রিটিশ সেনাপতিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন। তাও করেছিলেন এই ব্যারাকপুর থেকেই। তারপর থেকেই এই জায়গাটি ইতিহাসের পাতায় লেখা রয়েছে।

গুজরাত
গুজরাতের ডান্ডি মার্চ সম্পর্কে নিশ্চয়ই জানেন অনেকেই। লবণ সত্যাগ্রহ নামে পরিচিত এই জায়গা। আন্দোলনটি মহাত্মা গান্ধী শুরু করেছিলেন। যা ব্রিটিশদের ওপর প্রচণ্ড প্রভাব পড়েছিল।

চৌরি চৌরা
উত্তর প্রদেশ চৌরি চৌরা জায়গাটি খুব বিখ্যাত। এখানে কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে পুলিশ হত্যা করেছিল। আর সেই কারণে একসময় জনতা পুরো খেপে গিয়ে থানায় আগুন ধরিয়ে দিয়েছিল। যাতে ২২ জন পুলিশ নিহত হয়েছিল। এই ঘটনার কারণেই আজও চৌরি চৌরা জায়গাটি খুবই জনপ্রিয়।

জালিয়ানওয়ালাবাগ
জালিয়ানওয়ালাবাগ জায়গাটি পঞ্জাবে অবস্থিত। ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল জালিয়ানওয়ালাবাগের গণহত্যা বিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। যেখানে ৩৭৯ জন সাধারণ নিরীহ মানুষ ব্রিটিশদের গুলিতে নিহত হয়েছিল। স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে এই হত্যার কর্মকাণ্ডের কথা অনেকেরই জানা নেই। আজ ৭৪ বছর পর মানুষের মনে গভীরভাবে প্রভাব ফেলে।

কাকোরি
উত্তরপ্রদেশের কাকোরি জায়গাটি খুব জনপ্রিয়। ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় হল কাকোরি। ১৯২৫ সালের ৯ অগাস্ট ভারতীয় বিপ্লবী ব্রিটিশ সরকারের কোষাগার থেকে অর্থ বয়ে নিয়ে যাওয়া ট্রেন লুট হয়ে যায়। সেসময় ৮ হাজার টাকা লুট হয়েছিল।

চম্পারণ
চম্পারণ বিহারে অবস্থিত। প্রথম মহাত্মা গান্ধী সত্যাগ্রহ আন্দোলন শুরু করেছিলেন এখান থেকেই। তিনি ব্রিটিশদের সঙ্গে যুদ্ধ করেছিলেন। তাই এই চম্পারণ জায়গাটি বেশ জনপ্রিয়। যা আজও ইতিহাসের পাতায় লেখা আছে।












Click it and Unblock the Notifications