সুর সম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকর সম্বন্ধে এই তথ্যগুলি একেবারেই অজানা
সরস্বতী বন্দনার পরপরই অমৃতলোকে চলে গেলেন এই উপমহাদেশের জীবন্ত সরস্বতী লতা মঙ্গেশকর ,মর্তে রয়ে গেল তাঁর কালজয়ী প্রাণময় কণ্ঠ যা আগামী বহু শতাব্দী আছন্ন করে রাখবে মানুষকে। শিল্পী চলে গেলেন, তাঁর শিল্প রয়ে গেল। জেনে নেওয়া যাক তাঁর সম্বন্ধে অনেকগুলি অজানা তথ্য

অজানা গল্প
অজানা গল্প এক হাজারের বেশি ভারতীয় ছবিতে গান করেছেন। এছাড়া ভারতের ২০টি আঞ্চলিক ভাষাতেও গান গাওয়ার একমাত্র রেকর্ডটি তারই। বাংলাতেও তিনি অনেক গান করেছেন। ভারতের সর্বোচ্চ সম্মান ভারতরত্ন পাওয়া তিনিই দ্বিতীয় সঙ্গীতশিল্পী। লতা মঙ্গেশকর সম্পর্কে প্রায় সব কথাই প্রকাশ্যে এসে গিয়েছে। এরমধ্যে এখনও কিছু কথা আছে যেগুলো ততটা প্রচলিত নয়।

পছন্দ অপছন্দের তালিকা
প্রসাধন ও প্রসাধনী সামগ্রী একদমই পছন্দ করেন না লতা। এখনও পর্যন্ত মাত্র একবার চুল ট্রিম করতে এবং আইব্রো করতে তাঁকে পার্লারে যেতে হয়েছিল 'পহেলি মঙ্গলাগাউর'-ছবির সময়। বিউটি পার্লার থেকে বেরিয়ে নিজেকে আয়নায় দেখে নাকি একেবারে ভেঙে পড়েন তিনি।একবার বেশ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন তিনি। ডাক্তার জানালো ধীরে ধীরে রোজ কেউ বিষ দিচ্ছে তাকে। সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরে দেখলেন রাঁধুনি বেতন না নিয়েই পালিয়েছে। তার মতো একজন স্নেহশীলা নরম মনের কোকিলকন্ঠীকে কেউ মারার ষড়যন্ত্র করতে পারে, তা ছিলো কল্পনার বাইরে।

পছন্দ অপছন্দের তালিকা
প্রসাধন ও প্রসাধনী সামগ্রী একদমই পছন্দ করেন না লতা। এখনও পর্যন্ত মাত্র একবার চুল ট্রিম করতে এবং আইব্রো করতে তাঁকে পার্লারে যেতে হয়েছিল 'পহেলি মঙ্গলাগাউর'-ছবির সময়। বিউটি পার্লার থেকে বেরিয়ে নিজেকে আয়নায় দেখে নাকি একেবারে ভেঙে পড়েন তিনি।একবার বেশ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন তিনি। ডাক্তার জানালো ধীরে ধীরে রোজ কেউ বিষ দিচ্ছে তাকে। সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরে দেখলেন রাঁধুনি বেতন না নিয়েই পালিয়েছে। তার মতো একজন স্নেহশীলা নরম মনের কোকিলকন্ঠীকে কেউ মারার ষড়যন্ত্র করতে পারে, তা ছিলো কল্পনার বাইরে।

সঙ্গীত পরিচালনা
ছদ্মনামে গানের পরিচালনাও করেছেন তিনি। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বার বার যখন 'আনন্দ ঘন' নামের কাউকে ডাকা হচ্ছিল, ডকুমেন্ট বলছিল সে এখানে উপস্থিত, কিন্তু কেউ পুরস্কার নিতে উঠছিল না স্টেজে। অবশেষে লতা উঠে পুরস্কার নেন। মারাঠী চলচ্চিত্রের রহস্যময় সঙ্গীত পরিচালক আনন্দ ঘন এর রহস্য এভাবেই সবার সামনে আসে। নিত্য ইষৎ উষ্ণ গরম জলে দিন শুরু করতেন লতা। গাজরের হালুয়া, সি-ফুড, স্পাইসি ফুড ছিল তাঁর পছন্দের। তবে সবথেকে ভালবাসতেন আম খেতে।বিশেষতঃ তা যদি হয় আলফানসো। ঠাণ্ডা জল, দই আর যে কোনও টক খাবার সবসময় এড়িয়ে চলতেন লতা।












Click it and Unblock the Notifications