জুলাই পর্যন্ত থাকবে টিকার ঘাটতি, উদ্বেগ বাড়িয়ে জানালেন সিরাম প্রধান
জুলাই পরেই মিটে যাবে টিকার ঘাটতি মত, সিরাম প্রধানের
পয়লা মে থেকে টিকা দেওয়া হচ্ছে দেশের আঠারোর্ধ্ব নাগরিকদের। যদিও টিকার জোগানের অভাব ও সমবণ্টনের প্রশ্নে করোনার দাবদাহ কতটা কমাবে তৃতীয় দফার টিকাকরণ, সে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। এরই মাঝে অক্সিজেনের অভাবে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে আসছে দেশের স্বাস্থ্যকাঠামোর। আমেরিকার পাশাপাশি তাইওয়ানের মত দেশও দাঁড়াচ্ছে ভারতের পাশে। সবমিলিয়ে করোনা-যুদ্ধে বেশ টালমাটাল এশিয়ার বৃহত্তম গণতন্ত্র।

জুলাইয়ের আগে মিটছে না টিকাসঙ্কট
করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে বেসামাল ভারতের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো। এরই মাঝে সিরাম প্রধানের বার্তায় আশঙ্কার মেঘ দেখছেন করোনাবিদরা। আগামী জুলাইয়ের আগে মিটবে না টিকার অভাব, স্পষ্ট জানিয়েছেন আদার পুনাওয়ালা। এসআইআই প্রধান আদারের বক্তব্য, "এখন মাসে ৬-৭ কোটি ডোজ উৎপন্ন হলেও জুলাইয়ে তা ১০ কোটি করার চেষ্টা চালাচ্ছে সিরাম ইনস্টিটিউট।"

"দ্বিতীয় ঢেউয়ের ব্যাপারে চিন্তিত ছিলেন না কেউই"
পয়লা মে থেকে দেশে চালু হয়েছে নতুন পর্যায়ের টিকাকরণ। এমতাবস্থায় আদারের ঘোষণায় বেশ অস্বস্তিতে কেন্দ্র। অন্যদিকে গত জানুয়ারিতে যখন ভারতে সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যায় ভাঁটা লক্ষ্য করা যায়, তখন যে কোনো গবেষকই দ্বিতীয় ঢেউয়ের সম্পর্কে চিন্তিত ছিলেন না, সে কথাও খোলাখুলি জানিয়েছেন আদার। স্বভাবতই দূরদর্শিতার অভাবেই যে কোভিড পরিস্থিতির এই অবনতি, তা স্পষ্ট আদারের কথাতে।

রাজনীতির চাপে চ্যাপ্টা সিরাম ইনস্টিটিউট!
ভ্যাকসিন বার্তার পাশাপাশি রাজনীতিকদেরও একহাত নিয়েছেন আদার। দেশে ভ্যাকসিনের অভাবের কারণ হিসেবে যেভাবে এসআইআইকে দুষেছেন রাজনীতিকরা, তাতে বেজায় ক্ষুব্ধ সিরাম প্রধান। "আমাদের কাছে কোনো স্পষ্ট নির্দেশ ছিল না, স্বভাবতই আমরা বুঝতে পারিনি যে সিরাম ইনস্টিটিউটকে বছরে ১০০ কোটি ডোজ উৎপাদন করতে হবে।" দেশের সামনে এসআইআইয়ের ভাবমূর্তি যে ক্ষুণ্ণ হয়েছে, সে বিষয়টিও সকলের সামনে তুলে ধরেছেন আদার।

ব্রিটেনে সিরামের মিটিং, উপস্থিত পুনাওয়ালা
শনিবার রাতে একটি টুইট করে আদার জানান, "আমাদের সকল অংশীদার ও সহ-সংস্থাদের সঙ্গে ব্রিটেনে একটি অসাধারণ বৈঠক হল। এটা বলতেও ভাল লাগছে যে, পুনেতে পুরোদমে কোভিশিল্ড উৎপাদন চলছে। আগামীতে দেশে ফিরে আগে ভ্যাকসিন হাবের তদারকি করব।" অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও অক্সফোর্ডের সঙ্গে যৌথভাবে ভ্যাকসিন প্ৰস্তুত করেছে এসআইআই। পাশাপাশি ভারত বায়োটেকের আইসিএমআরের সহায়তায় প্ৰস্তুত করেছে 'কোভ্যাক্সিন'।












Click it and Unblock the Notifications