NEET-UG: মাস ম্যালপ্র্যাকটিসের ইঙ্গিত নেই! নিট পরীক্ষা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে 'বড়' হলফনামা কেন্দ্রের
NEET-UG: নিট-ইউজি নিয়ে শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ ছিল পরীক্ষায় পবিত্রতা লঙ্ঘন হয়েছে। তার ঠিক দুইদিন পরে কেন্দ্রীয় সরকার সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে জাানাল তারা পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার পক্ষে নয়। এব্যাপারে সরকার আইআইটি মাদ্রাজের একটি বিশ্লেষণ তুলে ধরেছে। সরকারের তরফে দাবি করা হয়েছে, নিট-ইউজি পরীক্ষায় মাস ম্যালপ্র্যাকটিসের ইঙ্গিত নেই।
সরকার বলছে, তারা নিশ্চিত করেছে, কোনও পরীক্ষার্থী যেন বাড়তি কোনও সুবিধা না পান। কিন্তু তার জন্য অসমর্থিক আশঙ্কার ওপরে নির্ভর করে ২৩ লক্ষ পরীক্ষার্থীকে পুনরায় পরীক্ষায় বসানোর প্রয়োজন নেই বলেই সরকার মনে করে। এনিয়ে বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে শুনানি রয়েছে।

সরকার আদালতে বলেছে, নিট-ইউজি ২০২৪-এর পরীক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিক তথ্যের ওপরে একটি বিস্তৃত প্রযুক্তিগত মূল্যায়ন করেছে আইআইটি মাদ্রাজ। সেখানেই বলা হয়েছে মাস ম্যালপ্র্যাকটিসের কোনও ইঙ্গিত নেই। তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গিয়েছে, কোনও স্থানীয় প্রার্থী অস্বাভাবিক স্কোর নিয়ে উপকৃত হয়নি।
পাশাপাশি কেন্দ্রের তরফে আদালতকে বলা হয়েছে, সরকার স্বচ্ছ ও মসৃণ পরীক্ষা পরিচালনার সুপারিশ করতে বিশেষজ্ঞদের এএকটি কমিটি গঠন করেছে।
এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন, সোমবার সুপ্রিম কোর্ট বলেছিল নিট-ইউজি ২০২৪-এর পরিত্রতা লঙ্ঘিত হয়েছে। আদালত আরও বলে পুরো প্রক্রিয়া প্রভাবিত হলে ফের পরীক্ষার আদেশ দেওয়া যেতে পারে। যদি প্রশ্ন ফাঁসের বিষয়টি সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচার করা হয়, তাহলে পুনরায় পরীক্ষার আদেশ দিতে হবে। এব্যাপারে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি এবং সিবিআই-এর কাছে বিষদ তথ্য চাওয়া হয়। আদালতের তরফে পেপার ফাঁসের সময় ও পদ্ধতি, সঙ্গে যুক্ত ছাত্রছাত্রীদার সংখ্যা এবং এর প্রভাব জানতে চাওয়া হয়।
সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বে ডিভিশন বেঞ্চ বলে, এখানে সেলফ ডিনায়াল করা ঠিক হবে না। কারণ সেলফ ডিনায়াল সমস্যাকে বাড়িয়ে তুলেছে। একটি জিনিস খুব স্পষ্ট পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে। পরীক্ষার পবিত্রতা যে নষ্ট হয়েছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। দেখতে হবে প্রশ্ন ফাঁস কতটা ব্যাপক। আট জুলাইয়ের পরে দশ জুলাই প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় এবং বিচারপতি ডেবি পারদিওয়ালার বেঞ্চে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়।
কেন্দ্রীয় সরকার আগেও পরীক্ষা বাতিল না করতে হলফনামা দিয়েছে। সেখানে বলা হয়েছিল যদি পুরো পরীক্ষা বাতিল করা হয়, তাহলে লক্ষাধিক পরীক্ষার্থী ক্ষতির মুখে পড়বে। কারণ তারা প্রতারণা অবলম্বন না করে ভাল ফল করেছে।
এর আগে ছয় জুলাইয়ের কাউন্সেলিং স্থগিত করে দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী বিজ্ঞপ্তি না দেওয়া পর্যন্ত কাউন্সেলিং স্থগিতের কথা জানানো হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্টে করা আবেদনে, কিছু আবেদনকারী পেপার ফাঁসের অভিযোগ করে সম্পূর্ণ পরীক্ষা বাতিল করার দাবি করেছে. এছাড়া অন্যরা এনটিএ-র কাজের তদন্ত দাবি করে।












Click it and Unblock the Notifications