‘দক্ষিণ আফ্রিকার শিশুদের মত ভারতীয় শিশুরা সংক্রমিত নাও হতে পারে’- INSACOG সদস্য
শিশুদের মধ্যে ওমিক্রনের প্রভাব বেশী
বিশেষজ্ঞদের মধ্যেই ওমিক্রন নিয়ে বেশ উদ্বেগ বাড়ছে। দক্ষিণ আফ্রিকায় শিশুদের মধ্যে করোনার প্রভাব বেশী লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছে বিশেষজ্ঞমহল। মাইক্রোবায়োলজিস্ট ডাঃ সৌমিত্র দাস বলেন দক্ষিণ আফ্রিকায় শিশুদের মধ্যে যে প্রভাব বেশী লক্ষ্য করা গেছে তা ভারতের শিশুদের ক্ষেত্রে নাও হতে পারে না।

শিশুদের মধ্যে কি ওমিক্রনের প্রভাব বেশী
যদিও এখনও বিশ্বজুড়ে করোনার আগের দুটি তরঙ্গে শিশুদের মধ্যে খুব বেশি প্রভাব পড়েনি। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকা পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে সংক্রমণের ক্রমবর্ধমান সংখ্যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি।
দক্ষিণ আফ্রিকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ কমিউনিকেবল ডিজিজেস গত সপ্তাহে ঘোষণা করেছেন যে, প্রায় সব বয়সের ব্যক্তিদের মধ্যে করোনার প্রভাব বেশী দেখা গিয়েছে। আর পাঁচ বছরের কম বয়সীদের মধ্যে এর প্রভাব বেশী দেখা দিয়েছে।

ভারতের কনসোর্টিয়ামের ২৮টি পরীক্ষাগারের মধ্যে একটি
ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ বায়োমেডিকেল জিনোমিক্স ডিরেক্টর ডাঃ সৌমিত্র দাসের মতে, ওমিক্রন ভারতে শিশুদের মধ্যে প্রভাব ফেলার আগে খুব তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার। পশ্চিমবঙ্গ ভিত্তিক NIBMG সার্স-কোভি-২ জিনোম সিকোয়েন্সিং (INSACOG) এর উপর ভারতের কনসোর্টিয়ামের ২৮টি পরীক্ষাগারের মধ্যে একটি।

ওমিক্রন নিয়ে সতর্কবার্তা
ডাঃ সৌমিত্র দাস বলেন, আমাদের আগে বুঝতে হবে যে ব্যক্তিদের রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা, তাদের খাদ্যাভ্যাস, হোস্ট জিনোমিক্স ছাড়াও সংক্রমণের পূর্ববর্তী এক্সপোজারের পরিপ্রেক্ষিতে শরীরের শক্তি, যে কোনও ভাইরাসের কার্যকারিতা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

ওমিক্রন নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মত
সংক্রামক রোগের ভারতীয় এক্সপোজারগুলি বিদেশী দেশগুলির থেকে আলাদা। ওমিক্রন দক্ষিণ আফ্রিকা বা অন্যান্য দেশে যেভাবে প্রভাব ফেলছে সেভাবে ভারতীয়দের ওপর প্রভাবিত করবে কিনা তা অনুমান করা অনুমানমূলক হবে বলে আশা করছি। যিনি দেশের প্রিমিয়াম ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্সের একজন মাইক্রোবায়োলজিস্ট, যিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, ওমিক্রন নিয়ে সতর্ক থাকা দরকার। আর নতুন প্রজাতি নিয়ে আতঙ্কিত হবেন না।

করোনা থেকে বাঁচতে পদক্ষেপ
তিনি করোনা নিয়ে সকলকে সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন কোভিড থেকে বাঁচতে-উপযুক্ত ব্যবস্থা নিন। অবশ্যই করোনার দুটি ডোজ ভ্যাকসিন নিন। ওমিক্রন নিয়ে বেশ চিন্তিত সকলে। ইতিমধ্যে ভারত জিনোমিক সিকোয়েন্সিং পরীক্ষা বাড়িয়ে ওমিক্রনের সংক্রমণ রুখতে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে। পাশাপাশি বিমান বন্দরেও কঠোর বিধিনিষেধ বাড়িয়ে দিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications