দেশে করোনা গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী হলেও, আশার আলো দেখাচ্ছে কয়েকটি শহরের নিম্নমুখী গ্রাফ
দেশে করোনা গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী হলেও, আশার আলো দেখাচ্ছে কয়েকটি শহরের নিম্নমুখী গ্রাফ
দেশে ক্রমশই উদ্বেগ বাড়িয়ে কোভিড গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে। হু হু করে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। নিস্তার নেই করোনার নয়া ভ্যারিয়েন্টের ওমিক্রনের হাত থেকে। যদিও আশার আলো দেখছে কয়েকটি বড় শহর। যাদের করোনা আক্রান্তের সংখ্যা নিম্ন হচ্ছে। সোমবার মহারাষ্ট্রের করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৩১,১১১। যা আগের দিনের তুলনার ১০ হাজার কম। তছাড়া পশ্চিমবঙ্গের মত দিল্লিতে করোনা গ্রাফ নিম্নমুখী হচ্ছে।

রবিবার দিল্লিতে নতুন করে ১৮,২৮৬ জন আক্রান্তের সংখ্যা খবর পাওয়া গেছে। পাশাপাশি ২৮ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আজ রাজধানী দিল্লিতে ১২,৫২৭ জন আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে। যেখানে মৃত্যুর সংখ্যা দেখা গেছে ২৪ জনের। আক্রান্তের হার সামান্য বেড়েছে। হার দাঁড়িয়েছে ২৭.৯৯। একদিন আগে ৪৪,৭৬২ জনের করোনা পরীক্ষা করা হয়েছিল কোভিড সংক্রমণের শনাক্ত করণের জন্য। বলা বাহুল্য, যা ২০২১ সালের ৩০ নভেম্বরের পর থেকে সর্বনিম্ন।
স্বাস্থ্য বুলেটিন অনুসারে জানা গিয়েছে, দিল্লিতে ১৫,৫০৫ টি কোভিড বেডের মধ্যে ২,৭৮৪ টি বেড বুক করা আছে। সোমবার সন্ধ্যায় মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৮৩,৯৮২।
পশ্চিমবঙ্গে নিম্নমুখী হচ্ছে করোনা গ্রাফ। নতুন বছরে শুরুতে সরকার আংশিক লকডাউন ঘোষণা করেছিলেন। সোমবার পূর্ব রাজ্যে নতুন করে করোনা কেসের সংখ্যা দেখা গেছে। ৯,৩৮৫জন আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে। মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে ৩৩ জনের। ১.৮৫ লক্ষ সক্রিয় কেসের সংখ্যা দেখা গিয়েছে। দুই সপ্তাহে করোনা গ্রাফ ৩৭% পর্যন্ত দেখা গিয়েছিল। তা এখন নিম্নমুখী হয়ে ২৬.৪৩% দাঁড়িয়েছে।
রাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগ অনুয়ায়ী জানা গিয়েছে, ৯ জানুয়ারী পর্যন্ত করোনার কেসের সংখ্যা ছিল ২৪,২৭২। সোমবার সংখ্যাটা ছিল ৯,৩৮৫। গত ৭ দিনে করোনা গ্রাফ হ্রাস পেয়েছে।
মহারাষ্ট্রে কোভিডের সংখ্যা ২.৬৭ লক্ষেরও বেশি। যদিও তা ক্রমাগত হ্রাস পেয়েছে। রবিবার মহারাষ্ট্র সরকারের করোনা টাস্ক ফোর্সের একজন চিকিৎসক জানান, রাজধানী কোভিড গ্রাফে শীর্ষে বলে মনে করা হচ্ছে। BMC এর দেওয়া তথ্য অনুয়ায়ী জানা গেছে, গত ৮ দিন ধরে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা অনেকটাই কমেছে।












Click it and Unblock the Notifications