২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে জয়ের দুই সূত্র বিজেপির হাতে! জয় নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী আরএসএস শীর্ষ কর্তার
বৃহত্তর নির্বাচনী সাফল্যের সঙ্গে কেন্দ্রের বর্তমান সরকার ক্ষমতায় ফিরে আসতে পারে। এমনটাই ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন আরএসএএস-এর এক শীর্ষ কর্তা। ধর্মান্তরকরণ একটি চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন ওই আরএসএস নেতা। তিনি যুক্তি দিয়ে বলেছেন, সামাজিক সচেতনতা আইন প্রণয়নের পরিপূরক হলেই পর্যাপ্তভাবে পূরণ করা যেতে পারে।
সেই আরএসএস নেতা আরও বলেছেন, বিজেপি ক্ষমতার ফেরাতে পারে সনাতন ধর্ম এবং ভারতকে নিয়ে করা উপহাস। যুগ যুগ ধরে এই দুটির সঙ্গে পরিচিত দেশবাসী। আরএসএস নেতা বলেছেন, ধর্মান্তর বিরোধী আইন একটি সাংবিধানিক বৈধ উপায় ছিল। হিমাচল প্রদেশে কংগ্রেস নেতা বীরভদ্র সিংয়ের নেতৃত্বে সরকার কর্তৃক আনা একটি আইনের উদাহরণ উদ্ধৃত করেছেন তিনি।

আরএসএস নেতা আরও জোর দিয়েছেন, দলিত ও উপজাতিরা সব থেকে বেশি ঝুঁকির মধ্যে ছিল। ধর্মান্তরকরণ এবং সামাজিক সংহতি প্রচেষ্টাকে অবশ্যই বিবেচনায় নিতে হবে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। আরএসএস নেতা লাভ জিহাদকে উদ্বেগের আরেকটি ক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, বিতর্কিত শব্দটি প্রথমে কেরল হাইকোর্টের একজন বিচারপতি ব্যবহার করেছিলেন।
আরএসএস নেতা দাবি করেছেন খ্রিস্টান ও শিখরা লাভ জিহাদ সম্পর্কে হিন্দুদের উদ্বেগ ভার করে নিয়েছে। কিছু গির্জা এবং সিপিআইএমের জেলা ইউনিটগুলি আরএসএসের সাহায্য চেয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি। সামাজিক সচেতনতা এই ধরনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। রাষ্ট্র সেবা সমিতি এই দিক থেকে দুর্দান্ত কাজ করেছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।
রিপাবলিক ওয়ার্ল্ডে আরএসএস নেতাকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, যাঁরা সনাতন ধর্মকে আক্রমণ করেন, এটিকে মনুবাদ ও ব্রাহ্মণবাদ বলে লেবেল করেন, তারা এই শব্দগুলি দ্বারা কী বোঝায় তা কখনই চিহ্নিত করতে পারেনি। অন্যদিকে তিনি দাবি করেছেন, আরএসএসের ছাত্র শাখা এবিভিপি ১৯৪০-এর দশকের শেষের দিকে একটি সমীক্ষা করেছিল। সেখানে জনমত ভারত নামের পক্ষে ছিল।
তিনি বলেছেন, সনাতন ও ভারত নিয়ে যে বিদ্রুপ করা হচ্ছে, তা ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটকে জয়লাভে সাহায্য করতে পারে। আরএসএস নেতা বলেছেন, মহাত্মা গান্ধী, মদনমোহন মালব্য, সর্দার প্যাটেল এবং রাজেন্দ্র প্রসাদের মতো শীর্ষ কংগ্রেস নেতারা নিজেদেরকে হিন্দু বলে গর্ববোধ করতেন।
ওই আরএসএস নেতা দাবি করেছেন, আরএসএসের অখণ্ড ভারতের স্বপ্ন একদিন বাস্তবে পরিণত হতে পারে। যেমন জার্মানির একীকরণ হয়েছে। ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ মূলত একজাতি ছিল। শাসনকালকে দীর্ঘায়িত করতেই ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকরা এই বিভাজন করেছিল। আরএসএস কর্মীদের মুসলিম বিরোধী হওয়ার অভিযোগ খারিজ করেছেন ওই নেতা। তিনি বলেছেন, আরএসএস মুসলিম সামাজিক গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখে।
-
অসম বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬: এনডিএ-র বিরাট জয়ের ইঙ্গিত নতুন জনমত সমীক্ষায় -
চিপকে হার চেন্নাই সুপার কিংসের, সহজেই জিতল শ্রেয়স আইয়ারের পাঞ্জাব কিংস -
ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ চরমে, গত ২৪ ঘণ্টায় চারটি মার্কিন যুদ্ধবিমানে হামলা, নিখোঁজ চালক -
অধীর চৌধুরীর প্রচারে উত্তেজনা বহরমপুরে, কংগ্রেস-তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ -
মমতার হেলিকপ্টারের সামনে উড়ল রহস্যময় ড্রোন, মালদহে উত্তেজনা -
শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন ঘিরে অশান্তির ঘটনায় ৩৮ জনকে তলব পুলিশের -
ভোটারদের সুবিধার্থে রাজ্যজুড়ে ৪,৬৬০টি নতুন বুথ তৈরির সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের -
ভবানীপুরে অশান্তির জেরে চার পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড নির্বাচন কমিশনের -
'বাংলাকে বৃদ্ধাশ্রম বানাতে দেব না', বাংলার ক্রীড়া পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুলে উন্নয়নের ডাক লিয়েন্ডার পেজের -
খড়্গপুর সদরের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিলীপ ঘোষের, সঙ্গী শুভেন্দু অধিকারী -
ইরান যুদ্ধের মাঝেই মাথায় হাত শাহবাজ শরিফের, এপ্রিলেই আমিরশাহীকে ৩৫০ কোটি ডলার ঋণ শোধ দিচ্ছে পাকিস্তান -
জ্বালানি সংকট! বাংলাদেশে অফিস ও দোকানের সময় কমানোর পাশাপাশি বিয়ের আলোকসজ্জাতেও বিধিনিষেধ











Click it and Unblock the Notifications