উত্তরপ্রদেশ জাঠ-মুসলিম ব্রাদারহুড বিজেপির নির্বাচনী অঙ্ক পাল্টে দিতে পারে
উত্তরপ্রদেশ জাঠ-মুসলিম ব্রাদারহুড বিজেপির নির্বাচনী অঙ্ক পাল্টে দিতে পারে
পাঁচমাস বাকি উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের। শুরু হয়ে গিয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলোর প্রস্তুতিও, এখন পর্যন্ত যোগী সরকারই এগিয়ে রয়েছে ইউপিতে৷ কিন্তু কৃষক আন্দোলনকে কেন্দ্র করে জাঠ-মুসলিম সম্প্রদায় অনেকটাই কাছাকাছি উত্তরপ্রদেশে। স্বভাবতই এই জোট যদি হয় তাহলে সেটি যোগীসরকারকে চাপে ফেলবে বলেই বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। তারপর উত্তরপ্রদেশ বিজেপি বিরোধী দলগুলি।

উত্তরপ্রদেশে এবার প্রতিযোগিতায় প্রতিটি প্রধান বিরোধী দল ক্ষমতাসীন বিজেপিকে স্বতন্ত্রভাবে মোকাবিলা করতে প্রস্তুত। সমাজবাদী পার্টি এবং বহুজন সমাজ পার্টি ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে তারা জোটের রাস্তায় হাঁটছে না৷ দুটি দলই এটাও স্পষ্ট করে দিয়েছে যে তারা কংগ্রেসের সঙ্গেও গাঁটছড়া বাঁধতে রাজি নয়। আম আদমি পার্টিও যোগীরাজ্যে এককভাবে আত্মপ্রকাশ করতে চাইছে। মোটামুটিভাবে নির্বাচনের আগে উত্তরপ্রদেশে কোনো বড় বিজেপিবিরোধী জোট গঠন হয়নি। সব কটি বিরোধী রাজনৈতিক দল রাজ্যের বিভিন্ন পকেটে তাদের জয়ের সম্ভাবনাকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে, ছোট এবং জাতিভিত্তিক দলগুলির সাথে জোট করছে।
এর আগের নির্বাচনগুলিতে বিজেপির বিরুদ্ধে জোটের কৌশল বিরোধীদের জন্য খুব বেশি সফল হয়নি৷ ২০১৭ সালে উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস সমাজবাদী পার্টির সঙ্গে হাত মিলিয়েছিল আবার ২০১৯ এ লোকসভা নির্বাচনে সপা-বসপা জোট হয়েছিল। দুটি নির্বাচনেই জোটকারী দলগুলিকে সরিয়ে বিজেপির উপর আস্থা দেখিয়েছিল উত্তরপ্রদেশের জনগণ। এরপরই ২০২২ এ আর বড় জোটের রাস্তায় হাঁটতে চাইছে না উত্তরপ্রদেশের প্রধানবিজেপি বিরোধী দলগুলি৷
রাজনৈতিক বিশ্লেষক এবং লেখক রাশেদ কিদওয়াই একটি বৈদ্যুতিন সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকারে বলেন, উত্তরপ্রদেশ বিরোধী দলগুলি যদি এবার জোট গঠন করেও তবুও নির্বাচনের ফলাফলে কোনও পার্থক্য হওয়ার সম্ভাবনা সেরকম একটা নেই। কারণ আমি মনে করি না যে বিরোধী দলের ঐক্যের অভাব উত্তরপ্রদেশ নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে। তিনি এটাও জানিয়েছেন যে বিরোধীরা যোগী আদিত্যনাথের জন্য খুব বড়সড় বাধা হয়ে উঠতে পারবে না৷
সপা বসপার মতে বিরোধীরা নয় বরং যোগী সহ উত্তরপ্রদেশ বিজেপির ঘুম ওড়াচ্ছে ৫ সেপ্টেম্বর পশ্চিম ইউপির মুজাফফরনগরের 'কিষাণ মহাপঞ্চায়তে'। যেখানে কয়েকহাজার কৃষক এসেছিলে কেন্দ্র সরকারের কৃষিবিলের বিরোধিতা করতে৷ এখানেই ভারতীয় কিষান ইউনিয়নের নেতা রাকেশ টিকাইত স্পষ্টভাবে কৃষকদেরকে আগামী নির্বাচনে বিজেপিকে পরাজিত করার ডাক দিয়েছেন। কৃষক আন্দোলনের আর এক পরিচিত মুখ জয় কিষাণ মোর্চার প্রতিষ্ঠাতা যোগেন্দ্র যাদব একটি জাতীয় বৈদ্যুতিন সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন আমরা কৃষকদের বিজেপিকে ভোট না দেওয়ার কথা বলেছি, বিজেপির ইউপিতে আরও একবার জয় পাওয়ার রাস্তায় কাঁটা বিছানোর জন্য তাঁরা সংকল্পবদ্ধ বলেও জানিয়েছেন যোগেন্দ্র।












Click it and Unblock the Notifications