তৃতীয় ঢেউয়ে শিশু শরীরেই মারাত্মক প্রভাব? বিজ্ঞানসম্মত তথ্য নেই, বলছেন এইমসের ডাইরেক্টর
তৃতীয় ঢেউয়ে শিশু শরীরেই মারাত্মক প্রভাব? বিজ্ঞানসম্মত তথ্য নেই, বলছেন এইমসের ডাইরেক্টর
দ্বিতীয় ঢেউয়ের পর এবার করোনার তৃতীয় ঢেউ নিয়ে তটস্থ গোটা বিশ্ব। এমনকী শুরু থেকেই অনেক বিশেষজ্ঞ বলছিলেন তৃতীয় ঢেউয়ে সবথেকে মারাত্মক ক্ষতি হতে চলেছে শিশুদের। যদিও এই দাবির পিছনে যখাযথ তথ্য নিয়ে শুরু থেকেই চলছিল বিস্তর চাপানৌতর। এবার যদিও এই দাবি পিছনে কারও কাছেই কোনও তথ্য নেই বলে অকপট স্বীকারোক্তি করেছেন এইমসের ডাইরেক্টর রনদীপ গুলেরিয়া।

তাঁর দাবি তৃতীয় ঢেউয়ের প্রভাব কেমন হতে পারে সেই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য কারও কাছেই নেই। এমনকী এর প্রভাব বাচ্চাদের উপর কতটা পড়বে তাও গবেষণা সাপেক্ষ। তবে রনদীপ গুলেরিয়ার মতে সংক্রমণের গতিপ্রকৃতি চেনার মূল উপায় হল করোনার চরিত্র সম্পর্কে সচেতন থাকা, মানুষের থেকে মানুষের শরীরে কীভাবে ছড়াচ্ছে তা রোধ করা। তবে প্রাপ্তবয়ষ্কদের পাশাপাশি শিশুদের শরীরে একই আচরণ করবে কিনা তা এখনই বলা মুশকিল বলে মত তাঁর।
বিশেষজ্ঞদের মতে শিশুদের শরীরে এর প্রভাব কেমন হতে পারে তা জানতে সেরোসার্ভেই সবথেকে ভালো উপায় হতে পারে। দ্বিতীয় ঢেউয়ের মাঝে একাধিক সেরোসার্ভে থেকে জানা গিয়েছে, প্রাপ্তবয়স্কদের থেকে ইতিমধ্যেই অনেক বেশি শিশু আক্রান্ত হয়েছে। কিন্তু, শিশুদের ক্ষেত্রে মৃদু উপসর্গ দেখা গিয়েছে। কাজেই এটা বিশ্বাস করার কোনও বিজ্ঞানসম্মত ভিত্তি নেই যে, তৃতীয় ঢেউযে শিশু শরীরে মারাত্মক প্রভাব ফেলবে করোনা।
এদিকে অনেকের আবার দাবি ব্যবসায়িক স্বার্থেই তৃতীয় ঢেউ নিয়ে একাধিক মিথ্যা রটাচ্ছে বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানি। বিজ্ঞানসম্মত যুক্তি ছাড়াই বোঝানো হচ্ছে ভুল তথ্য। আর তাতেই বাড়ছে বিভ্রান্তি। ছড়াচ্ছে আতঙ্ক। তবে যতক্ষণ না পর্যন্ত সমস্ত মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত করোনার হাত থেকে বাঁচতে সাবধানতা অবলম্বন ছাড়া কোনও উপায়ই নেই বলে জানবাচ্ছেন ডঃ রনদীপ গুলেরিয়া।












Click it and Unblock the Notifications