'কমিউনিটি কিচেন' নীতি তৈরির করার জন্য কেন্দ্রকে তিন সপ্তাহ সময় দিল সুপ্রিম কোর্ট
কমিউনিটি কিচেন স্কিম বাস্তবায়নের জন্য একটি সর্বভারতীয় নীতি প্রণয়নের বিষয়ে কেন্দ্রের প্রতিক্রিয়ার উপর তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট৷ মঙ্গলবার দেশের সর্বোচ্চ আদালতের পক্ষ থেকে কেন্দ্রকে তিন সপ্তাহ সময় দেওয়া হয় রাজ্যগুলির সঙ্গে বৈঠক করে কমিউনিটি কিচেন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য।

দেশের সর্বোচ্চ আদালতের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে রাষ্ট্রের প্রথম দায়িত্ব হল সমস্ত নাগরিকদের খাদ্য সরবরাহ করা। না খেতে পেয়ে কেউ যেন মারা না যায় সেটা নিশ্চিত করাই রাষ্ট্রের কাজ বলে এদিন জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সারা দেশে না খেতে পেয়ে মৃত্যু যাতে না হয় তার জন্য কমিউনিটি কিচেন খোলার আবেদন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন সমাজকর্মী ইশান ও অনুন ধওয়ন। দেশের সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলগুলিতে ভর্তুকি দেওয়া ক্যান্টিন চালু করার দাবি করেছিলেন এই সমাজকর্মীরা৷ এ নিয়েই জনস্বার্থ মামালটির শুনানিতে এদিন সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে প্রধান বিচারপতি এনভি রমনা এবং বিচারপতি এএস বোপান্না এবং হিমা কোহলির সমন্বয়ে গঠিত একটি বেঞ্চ, ক্ষুধা ও অপুষ্টির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য একটি প্রকল্প তৈরি করার বিষয়ে কেন্দ্র, রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে বিশেষ নির্দেশ দেয়৷ এর আগে এই বিষয়ে কেন্দ্রের দেওয়া হলফনামায় বিরক্ত হয়েছিল কোর্ট। কমিউনিটি কিচেন সম্পর্কে কেন্দ্রের দেওয়া হলফনামায় সম্পূর্ণ বিবরণ ছিল না বলে জানিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত।
এরপরই সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে রাজ্যগুলির সঙ্গে কথা বলে তিন সপ্তাহের মধ্যে পুরো রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় কেন্দ্রকে৷ কোর্টের পক্ষ থেকে কেন্দ্রকে কড়া সুরে বলা হয়, কমিউনিটি কিচেন নিয়ে আমাদের পক্ষ থেকে এটিই শেষ সতর্কবার্তা ভারত সরকারকে জন্য। আপনাদের একজন আন্ডার সেক্রেটারি র্যাঙ্কের আধিকারিক এই হলফনামা ফাইল করেছেন! কেন একজন সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তা হলফনামা দাখিল করতে পারবেন না?দেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আপনাদের সম্মান করতে হবে। আমরা বলি কিছু আর আপনারা হলফনামায় লেখেন কিছু।
এরপই বেঞ্চের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে এ বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্র সরকারকে আগেও বেশ কয়েকবার বলা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এই কমিউনিটি কিচেনের বিষয়টি নিয়ে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল মাধবী দিভান সরকারের পক্ষ রাখছিলেন, পরে অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে ভেনুগোপাল বেঞ্চকে আশ্বস্ত করেন যে কেন্দ্র একটি আলোচনার মাধ্যমে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। এবং এর জন্য সু্প্রিম কোর্টের বেঞ্চের কাছে চার সপ্তাহের সময় চান তিনি৷ শেষ পর্যন্ত তিনসপ্তাহ মঞ্জুর করেছে সুপ্রিম কোর্ট।












Click it and Unblock the Notifications