৮ বছরে মোদী সরকারের সাফল্য, কংগ্রেস জমানার তৈরি এই সমস্যাগুলির সমাধান হল
৮ বছরে মোদী সরকারের সাফল্য, কংগ্রেস জমানার তৈরি এই সমস্যাগুলির সমাধান হল
সম্প্রতি ন্যাশনাল কোম্পানি ল আপিল ট্রাইব্যুনালের (এনসিএলএটি) সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দেবাস মাল্টিমিডিয়ার দায়ের করা আপিলকে সুপ্রিম কোর্ট বাতিল করেছে। দেশের সর্বোচ্চ আদালতের এই রায়ের পর নরেন্দ্র মোদী সরকার সোমবার স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে। এর ফলে কোম্পানি বন্ধ করার এনসিএলটি সিদ্ধান্তকে বহাল রাখছে কেন্দ্র। ইসরো-এর বাণিজ্যিক শাখা, এন্ট্রিক্স যাদের সঙ্গে ২০০৫ সালে দেবাস মাল্টিমিডিয়ার একটি চুক্তি হয়৷ যাদের একটি শেয়ারহোল্ডার হল দেভাস এমপ্লয়িজ মরিশাস প্রাইভেট লিমিটেড।

কী নিয়ে বিবাদ!
২০০৫ সালে ইসরোর শাখা এন্ট্রিক্স থেকে ব্র্যান্ডউইথ নেওয়ার চুক্তি করে দেভাস। এরপর এন্ট্রিক্স এই দেভাসের বিরুদ্ধে জালিয়াতির অভিযোগ আনলে দেবাসকে ব্যবসা বন্ধ করতে বলে ন্যাশনাল কোম্পানি ল আপিল ট্রাইব্যুনাল। এবং ২০১১ সালে এদের ব্যবসা গোটাতে বলে মনমোহন সরকারও৷ এর বিরুদ্ধেই দেভাস সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছিল, যেটি সোমবার বাতিল হয়ে গিয়েছে। কিন্তু এ সংক্রান্ত একটি মামলা এখনও নেদারল্যান্ডস আদালতে বিবেচনাধীন। এই মামলাটি দূর্বল হয়ে যেত যদি না সময়মতো মোদী সরকার বিষয়টির মধ্যে জাতীয় নিরাপত্তা ধারা যোগ করত। ২০১১ সালে মনমোহন সিং সরকার দেভাসের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের মধ্যেই জাতীয় নিরাপত্তা ধারার আবেদন না করেই সংস্থার ব্যবসা বাতিল করেছিল।

কংগ্রেসী আমলের তৈরি সমস্যা!
আরও যে সমস্ত কংগ্রেস আমলের জগাখিচুড়ি মোদী সরকার সারাতে উদ্যোগ নিয়েছে সেগুলি হল রেট্রোস্পেক্টিভ ট্যাক্স, তেল বন্ড, সিএসটি পেমেন্টে খেলাপি, ওয়ানইন্ডিয়ার পাঠক বন্ধুদের জন্য রইল এগুলির কয়েকটির এক ঝলক,

তেলবন্ড!
উইপিএ-১ ও উইপিএ-২ জমানায় জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক মূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের মার্কেটে জ্বালানির দাম নির্ধারণ করতে পারেনি মনমোহন সিং সরকার৷ উল্টে ভোট রাজনীতির কারণে জ্বালানি তেলে ভর্তুকি দিয়ে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে গিয়েছে এর ফলে ১.৩ লক্ষ কোটি টাকার তেল বন্ড ছাড়তে হয়েছিল কংগ্রেস সরকারকে। এই বন্ডের কারণে যে সুদ দেওয়ার কথা তা এখন মোদী সরকার পরিশোধ করছে এবং প্রতিবছর ১০ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে

রাজনৈতিক প্রভাব রয়েছে এরকম ব্যক্তিদের ব্যাঙ্ক-ঋণ খেলাপি!
উইপিএ-১ ও দুইয়ের জমানায় রাজনীতির সংস্পর্শে থাকা বিজনেস টাইকুনদের বড় অঙ্কের লোন দিয়ে গিয়েছে এসবিআই, পিএনবির মতো সরকারি ব্যাঙ্কগুলি৷ বছরের পর বছর এরা ঋণ খেলাপি হলেও সময় মতো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি৷ মোদী সরকারকে শুরু থেকেই এই ঋণখেলাপিদের সঙ্গে দেশে ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে লড়াই চালাতে হচ্ছে সাধারণের অর্থ ফিরিয়ে আনার জন্য!

ঋণ নিয়ে রাজ্যগুলিকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভাঙা!
মনমোহন সরকারের আমলে ভ্যাট ক্রমণ সিএসটি (কেন্দ্রের কর)তে পরিনত নয়। যার একটি বড় অংশ রাজ্যগুলিকে দেওয়ার কথা ছিল। বারবার মহমোহন সরকার এ সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পরও রাজ্যগুলিকে কোনও রূপ অর্থ দেয়নি৷ মোদী সরকার ২০১৫ সালে ৩৩ হাজার কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছে রাজ্যগুলির এই বকেয় প্রাপ্ত অর্থ বাবদ। এভাবেই কেন্দ্রের প্রতি রাজ্যগুলির আস্থা ফেরাতে চেষ্টা করেছে মোদী সরকার৷












Click it and Unblock the Notifications