Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

২৬/১১-র ছায়া, মুম্বই উপকুলে দেখা গেল অচেনা ট্রলার

২৬/১১-র ছায়া, মুম্বই উপকুলে দেখা গেল অচেনা ট্রলার

১৩ বছর আগের মুম্বই সন্ত্রাসবাদী হামলার ক্ষত এখনও দগদগে৷ সেবারে জলপথ ব্যবহার করে করাচি থেকে মুম্বইয়ে ঢুকে তিনদিন ধরে ৮টি জায়গাতে হামলা চালিয়েছিল পাকিস্থানি সন্ত্রাসীরা৷ বৃহস্পতিবার বিকেলে মুম্বাইয়ের ভাসাই পশ্চিমের ভুইগাঁও সৈকতে একটি অপরিচিত ট্রলার দেখা যায়। স্থানীয়রাই প্রথমে বিষয়টি পুলিশকে জানায় এবং এরপর মুম্বাইয়ের ভাসাই পশ্চিম সমুদ্র সৈকত কতৃপক্ষ পুরো বিষয়টি কোস্টগার্ড কর্মকর্তাদের জানায়।

কী বলছে রিপোর্ট?

কী বলছে রিপোর্ট?

একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে, নৌকাটি খুঁজে বের করতে একটি তদন্ত শুরু করা হয়েছে। রিপোর্টিতে উল্লেখ রয়েৈ নৌকাটি একটি মিনি বার্জ টাইপের জাহাজ ছিল মুম্বইয়ের বুইলগাঁও-কলম্ব এলাকা থেকে প্রায় ১০ নটিক্যাল মাইল দূরে দেখা গিয়েছে এটি। নৌকাটি একটি লাল পতাকা রয়েছে বলেও জানিয়েছেন এক স্থানীয় পুলিশ আধিকারিক। যে জায়গাতে নৌকাটি দেখা গিয়েছে তা চিন্তা বাড়াচ্ছে ভাসাই পশ্চিম সমুদ্র সৈকত কতৃপক্ষ সহ পুলিশ ও কোস্টগার্ডের৷ কারণ সাধারণত মাছ ধরার নৌকাগুলি এই পাথুরে প্যাচে অংশ নেয় না। স্থানীয় পুলিশ মারফৎ জানা গিয়েছে একটি ছোট নজরদারি বিমানও এটি পরিদর্শনের জন্য পাঠানো হয়েছিল কিন্তু খারাপ আবহাওয়ার কারণে নৌকাটির খোঁজ পাওয়া যায়নি!

দু'জন ছিল নৌকয়!

দু'জন ছিল নৌকয়!

নৌকায় দু'জনকে দেখা গিয়েছে বলে স্থানীয় এক পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন। কোস্টগার্ডের একজন সিনিয়র আধিকারিক বলেন, ভূইগাঁও সমুদ্র সৈকতের উপকূলরক্ষীরা আকাশপথে নজরদারি চালাতে গিয়ে একটি সন্দেহজনক জাহাজের দেখতে পান৷ কিন্তু প্রথমে জাহাজে কোনও মানুষের উপস্থিতি তাঁরা দেখতে পাননি।আকাশ থেকে নজরদারি চালানোর সময় নীচে সমুদ্রে নৌকার নাম এবং এর আইএমও নম্বরটি উপর থেকে সুস্পষ্ট ছিল না। এরপরই কোস্টগার্ড কর্মকর্তারা তদন্তে সহায়তা করার জন্য ভাসাইয়ের স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন।

তদন্ত শুরু পুলিশের!

তদন্ত শুরু পুলিশের!

পুলিশের উর্ধ্বতন আধিকারিকরা বিষয়টি নিয়ে চুপচাপ ছিলেন। তবে পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, তারা আজ নৌকাটি খুঁজে পেতে একটি ড্রোন তদন্ত চালাবে এবং নৌকার মালিককে খুঁজে বের করার চেষ্টা করবে।

২৬/১১-র কালো দিন!

২৬/১১-র কালো দিন!

২০০৮ সালে ২৬ নভেম্বর লস্কর-ই তৈবা-র সন্ত্রাসীরা পাকিস্তানের করাচি বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে। গভীর সাগর পর্যন্ত একই জাহাজে ছিল পুরো দুস্কৃতি দলটি। এরপর তারা 'কুবের' নামের একটি ট্রলার ছিনতাই করে ও চারজন মৎসজীবীকে মেরে নাবিককে প্রাণের ভয় দেখিয়ে প্রায় ৩৮ ঘণ্টা ভারতীয় জলবাহিনীর নজর এড়িয়ে মুম্বইয়ের সীমান্তে ঢুকে পড়ে। এরপরকরাচির নির্দেশ মেনে নাবিককে হত্যা করে প্রচুর পরিমানে আগ্নেয়াস্ত্র ও বিষ্ফোরক নিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিল জঙ্গীরা।

কোথায় কোথায় বিস্ফোরণ করেছিল?

কোথায় কোথায় বিস্ফোরণ করেছিল?

২০০৮, ২৬ থেকে ২৯ নভেম্বর, এই তিনদিন দক্ষিণ মুম্বইয়ের, ছত্রপতি শিবাজী টার্মিনাস, ওবেরয়, তাজ মহল প্যালেস, নরিম্যান হাইস ইহুদি কমিউনিটি সেন্টার, মেট্রো অ্যাডল্যাবস, টাইমস অফ ইন্ডিয়া ভবন ও সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজের পিছনের একটি গলিতে বিষ্ফোরণ ও নির্বিচারে গুলি চালিয়েছিল সন্ত্রাসীরা৷ এছাড়া মুম্বইয়ের বন্দর এলাকার মাজাগাঁও ও ভিলে পার্লের একটি ট্যাক্সির মধ্যেও বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল আজমল কাসভ ব্রিগেড৷

চাপে পুলিশ কর্তারা!

চাপে পুলিশ কর্তারা!

স্বাভাবিক ভাবেই পুরনো স্মৃতি উসকে দিয়ে মুম্বইয়ের ভাসইয়ে অচেন ট্রেলার, চাপে রাখছে মুম্বই পুলিশ ও কোস্টগার্ড কর্তাদের।

প্রতীকী ছবি

খবরের ডেইলি ডোজ, কলকাতা, বাংলা, দেশ-বিদেশ, বিনোদন থেকে শুরু করে খেলা, ব্যবসা, জ্যোতিষ - সব আপডেট দেখুন বাংলায়। ডাউনলোড Bengali Oneindia

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+