Omicron প্রবেশে ভারতে তৃতীয় তরঙ্গের সম্ভাবনা আছে কি? তথ্য পেশ কেন্দ্রের
Omicron প্রবেশে ভারতে তৃতীয় তরঙ্গের সম্ভাবনা আছে কি? তথ্য পেশ কেন্দ্রের
ভারতে হানা দিল কোভিডের নতুন রূপ 'Omicron'। আর এই আতঙ্কে কাঁপছে গোটা বিশ্ব। ভারতে ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। আগামিদিনে তা বাড়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। ফলে কেন্দ্র-রাজ্য সব সরকারই শুরু থেকেই সতর্ক রয়েছে। কর্ণাটকের বাইরে অন্য রাজ্যে এই ভাইরাস ছড়িয়েছে কিনা তা অবশ্যই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এরই মধ্যে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক ওমিক্রন নিয়ে কিছু পরামর্শ দিয়েছে।

ওমিক্রনের ক্ষেত্রে রোগের তীব্রতা কম
স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, ওমিক্রন কেসগুলি দক্ষিণ আফ্রিকার বাইরের দেশগুলি থেকেও ক্রমবর্ধমানভাবে রিপোর্ট করা হচ্ছে। ভারত- সহ আরও অন্যান্য দেশে ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সংক্রমণ বৃদ্ধির মাত্রা ও তীব্রতা কতটা হবে তা এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট করা যায়নি।' সেই সঙ্গে স্বাস্থ্য মন্ত্রক আরও বলেছেন, 'ভ্যাকসিনেশনের তাড়াতাড়ি গতির ফলে ভারতে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের উচ্চ এক্সপোজার অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এনে অতি সংক্রমণে অনেকটাই রাশ টানা গিয়েছিল। তবে ওমিক্রনের ক্ষেত্রে রোগের তীব্রতা কম হবে বলে মনে করা হচ্ছে।'

বিদ্যমান ভ্যাকসিনগুলি ওমিক্রনের বিরুদ্ধে কাজ করে না!
এপ্রসঙ্গে স্বাস্থ্য মন্ত্রক বলেছেন, 'বিদ্যমান ভ্যাকসিনগুলি ওমিক্রনের বিরুদ্ধে কাজ করে না এমন কোনও প্রমাণ এখনও পর্যন্ত হাতে আসেনি। তবে স্পাইক জিনে রিপোর্ট করা কিছু মিউটেশন বিদ্যমান ভ্যাকসিনগুলির কার্যকারিতা হ্রাস করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে, ভ্যাকসিন অ্যান্টিবডি তৈরির পাশাপাশি সেলুলার অনাক্রম্যতাকেও ভালভাবে সংরক্ষিত করতে পারে। তাই ভ্যাকসিনগুলি এখনও গুরুতর রোগের বিরুদ্ধে সুরক্ষা প্রদান করবে বলেই আশা করা হচ্ছে। তবে যাঁদের এখনও ভ্যাকসিনেশন সম্পন্ন হয়নি, তাঁদের দ্রুত এর আওতায় আনতে হবে।'

ওমিক্রনের বিরুদ্ধে লড়তে সতর্ক থাকুন
এটি বলা জরুরি, গুরুত্বপূর্ণ যে ওমিক্রনকে ভিওসি ঘোষণা করা হয়েছে, অর্থাৎ, 'পর্যবেক্ষিত মিউটেশন' বা অভিযোজন। ওমিক্রন ইঙ্গিত দিচ্ছে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়া এবং আক্রান্তদের প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়ার। স্বাস্থ্যমন্ত্রক এ বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে বলেন, সবসময় মাস্ক পড়তে হবে, দূরত্ববিধি মেনে চলতে হবে, যারা এখনও ভ্যাকসিন নেননি এখনই ভ্যাকসিন নিয়ে নিন।
স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্র মারফত এও জানা যায়, RTPCR পরীক্ষাগুলি ভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে স্পাইক (এস), এনভেলপড (ই) এবং নিউক্লিওক্যাপসিড (এন) এর মতো নির্দিষ্ট জিন শনাক্ত করে।
খবরের ডেইলি ডোজ, কলকাতা, বাংলা, দেশ-বিদেশ, বিনোদন থেকে শুরু করে খেলা, ব্যবসা, জ্যোতিষ - সব আপডেট দেখুন বাংলায়। ডাউনলোড Bengali Oneindia












Click it and Unblock the Notifications