দ্বিতীয় ওমিক্রন সংক্রমণ ধরা পড়ল দিল্লিতে, বিদেশ থেকে ফিরেছিলেন ব্যক্তি
কিছুদিন আগেই দেশে ঢুকে পড়েছিল ওমিক্রন। সর্বপ্রথম কর্নাটকে আক্রান্ত হয়েছিলেন দু'জন ব্যক্তি।এরপর দিল্লি, মহারাষ্ট্রের মতো রাজ্যেও খোঁজ মেলে কোভিডের সাম্প্রতিকতম ভ্যারিয়েন্টের। এবার দেশের রাজধানীতে মিলল দ্বিতীয় ওমিক্রন আক্রান্তের খোঁজ। একজন ৩৫ বছর বয়সী ব্যক্তির দেহে ওমিক্রন পাওয়া গেল। ওই ব্যক্তি কিছুদিন আগেই জিম্বাবুয়ে এবং দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ঘুরে এসেছেন। এখনও অবধি ওমিক্রনে দেশের আক্রান্ত সংখ্যা ৩৩।

দিল্লি সরকারের তথ্য অনুযায়ী, আক্রান্ত ব্যক্তির সম্পূর্ণভাবে টিকাকরণ হয়েছে। তিনি সদ্যই দক্ষিণ আফ্রিকা এবং জিম্বাবোয়ে থেকে ফিরেছেন। কোভিড রিপোর্ট পজেটিভ আসার পর যথারীতি তাঁকে এলএনযেপি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে৷ সরকারের পক্ষে জানানো হয়েছে, এই মুহূর্তে শুধুমাত্র দুর্বল রয়েছেন আক্রান্ত ব্যক্তি। অন্যান্য কোনও উপসর্গ দেখা যায়নি। বলাই বাহুল্য, এলএনজেপি হাসপাতাল কোভিডের ওমিক্রন স্ট্রেনের চিকিৎসার জন্য কেন্দ্রর মনোনীত হাসপাতালের মধ্যে একটি৷
শুক্রবার মহারাষ্ট্রেও আরও সাতটি ওমিক্রন কেস পাওয়া গিয়েছে। এর মধ্যে তিন ব্যক্তি মুম্বইয়ের বাসিন্দা। এবং বাকি চারজন পুনের পিম্পরি চিনচাঁদের বাসিন্দা৷ এখনও অবধি মহারাষ্ট্রে ওমিক্রন আক্রান্ত হয়েছেন ১৭ জন। গুজরাটেও শুক্রবার দু'জন ওমিক্রন আক্রান্তের খোঁজ মেলে। সেই রাজ্যে ওমিক্রন আক্রান্ত সংখ্যা ৩।
উল্লেখ্য, শুধু ভারত নয়, ওমিক্রনের প্রাদুর্ভাবে মাথায় হাত বিশ্বের তাবড় তাবড় দেশের। সর্বপ্রথম দক্ষিণ আফ্রিকায় খোঁজ মেলে এই স্ট্রেনের। বি.১.১.৫২৯ স্ট্রেনের নামকরন গ্রিক অক্ষর ওমিক্রন অনুযায়ী করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এই ভাইরাসের জেরে বিশ্বের বহু দেশ আফ্রিকার দক্ষিণাংশের একাধিক দেশের সঙ্গে বিমান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে। ভারতও দক্ষিণ আফ্রিকা, বতসওয়ানা সহ একাধিক দেশকে ঝুঁকিপূর্ণ দেশের তালিকাভুক্ত করেছে।
সম্প্রতি মহারাষ্ট্রে একটি তিন বছরের শিশুর দেহেও ওমিক্রম সংক্রমণের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে৷ স্বাভাবিকভাবেই ওমিক্রনের আতঙ্ক জাঁকিয়ে বসছে সারা দেশে। যদিও সংক্রমণ নিয়ে চিন্তা বাড়লেও এখনও ওমিক্রণ সংক্রমিতদের মধ্যে দেশে মারা যাননি কেউই৷ হালকা থেকে মাঝারি মাপের অসুস্থা লক্ষ্য করা গিয়েছে দেশে খোঁজ পাওয়া ওমিক্রন কেসগুলিতে৷












Click it and Unblock the Notifications