পিএম কেয়ার্স ফান্ড নিয়ে মিথ্যে বলছেন প্রধানমন্ত্রী, অভিযোগ রাহুল গান্ধীর
পিএম কেয়ার্স ফান্ড নিয়ে মিথ্যে বলছেন প্রধানমন্ত্রী, অভিযোগ রাহুল গান্ধীর
আবারও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উদ্দেশ্যে তোপ দাগলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। এবার টুইটারে একটি জাতীয় সংবাদমাধ্যম প্রকাশিত প্রতিবেদের ছবি শেয়ার করে প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করলেন রাহুল৷ মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটারে রাহুল গান্ধী লিখেছেন, 'প্রধানমন্ত্রী মিথ্যা বলছেন।' মূলত পিএম কেয়ার্স ফান্ডে অর্থ সংগ্রহ এবং খরচের সংখ্যা নিয়ে সমালোচনা করেছেন রাহুল৷ এর আগে কংগ্রেসের যুবরাজের অভিযোগ ছিল যে প্রধানমন্ত্রী কেয়ার ফান্ডের অর্থ ব্যবহার করে করোনার দ্বিতীয় তরঙ্গের সময় যে ভেন্টিলেটরগুলি দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে বিতরণ করা হয়েছিল সেগুলি কার্যকরী অবস্থায় ছিল না৷

কী বলছে পিএম কেয়ার্স ফান্ড নিয়ে রিপোর্ট?
একটি জাতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে ২০২০ -২০২১ মার্চ ৩১ পর্যন্ত প্রায় ১০৯,৯০১,৭৩২,৮৭৩ টাকা সংগ্রহ করা গিয়েছে৷ যেখানে দেশের স্বেচ্ছা দানকারীদের দেওয়া অর্থের সংখ্যা ৭১৮৩ কোটি টাকা৷ এবং বিদেশী অনুদানকারীদের কাছ থেকে ৪৯৪ কোটি টাকার বেশি অর্থ এসেছে পিএম কেয়ার ফান্ডে৷ সংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত তথ্য অনুসারে পিএম কেয়ার্স ফান্ড থেকে ৩৯৭৬ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। যেখানে সারা দেশে সরকারি হাসপাতালের জন্য 'মেড-ইন-ইন্ডিয়া' ভেন্টিলেটরের জন্য প্রায় ১৩১১ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। এবং পিএম কেয়ার ফান্ড থেকে পরিযায়ী শ্রমিকদের উন্নয়নের জন্য রাজ্যগুলিতে ১০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল।

কোন খাতে কত খরচ PM CARES ফান্ড থেকে?
সংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত রিপোর্টে আরও দাবি করা হয়েছে পিএম কেয়ার্স ফান্ড ১৩৯২ কোটি টাকা খরচ হয়েছে ৬.৬ কোটি কোভিড টিকার ডোজ কিনতে। ১৩১১ কোটি টাকা খরচ হয়েছে ৫০ হাজার ভারতে তৈরি ভেন্টিলেটর মেশন কিনতে। তবে এই ভেন্টিলেটর মেশিনগুলো নিয়ে অসন্তোষ রয়েছে অনেক জায়গায়। দেখা গিয়েছে পিএম কেয়ার্সের টাকায় কেনা বহু ভেন্টিলেটরই খারাপ, ত্রুটিপূর্ণ। বহুক্ষেত্রে আবার ভেন্টিলেটর মেশিন চালানোর জন্য প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মীর অভাব দেখা গিয়েছে৷

আরও কোথায় কী খরচ?
২০২০ সালে কোভিড আছড়ে পড়ার পর থেকেই পরিযায়ী শ্রমিক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিল দেশ। লকডাউন ঘোষণা হওয়ার পর থেকে দেশের বড় ছোট হাইওয়েগুলি দিয়ে হেঁটেই বাইরের রাজ্য থেকে বাড়ি ফিরেছিলেন শ্রমিকরা। এই সমস্যার সমাধানে তথা পরিযায়ী শ্রমিকদের স্বাস্থ্য ও জীবিকার সুরাহার জন্য ১০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে৷ পিএম কেয়ার্স ফান্ড টাকায় বেশ কিছু অক্সিজেন প্ল্যান্টও স্থাপন করা হয়েছে। ১৬২ টি অক্সিজেন প্ল্যান্ট স্থাপনে ২০১.৫৮ কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে এই প্রধানমন্ত্রী তহবিল থেকে। এছাড়াও কোভিড পরীক্ষার ল্যাবরেটরির উন্নয়নে খরচ করা হয়েছে ২০.৪১ কোটি টাকা। বিহারের মুজফফরপুর এবং পটনায় দু'টি কোভিড স্পেশাল হাসপাতাল তৈরিতে খরচ হয়েছে ৫০ কোটি টাকা।












Click it and Unblock the Notifications