প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় বিচ্যুতি বিরলতম ঘটনা, সুপ্রিম কোর্টে বলল BJP
প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় বিচ্যুতি বিরলতম ঘটনা, সুপ্রিম কোর্টে বলল BJP
পাঞ্জাবের ভাতিণ্ডায় ১৫-২০ মিনিট দাঁড়িয়ে থেকেছে নরেন্দ্র মোদীর কনভয়। শেষেমেশ পাঞ্জাবে অনুষ্ঠানে যোগদিতে না পেরে ফিরে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী৷ দেশের প্রধানমন্ত্রীর সুরক্ষায় কেন এত গাফিলতি, প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে। এই ঘটনায় যথারীতি পঞ্জাবের রাজ্য সরকার তথা কংগ্রেসকে আক্রমণ করেছে বিজেপি। এমতাবস্থায় চাপে পড়ে পঞ্জাব সরকার জানিয়েছে যে, এই ঘটনায় একটি তদন্ত কমিশন গঠন করেছে তারা। আগামী তিন দিনের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেবে সেই প্যানেল।

কী প্রতিক্রিয়া বিজেপির?
স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনায় বিজেপির পক্ষ থেকে মারাত্মক বিরোধিতা সহ্য করতে হচ্ছে কংগ্রেসকে। বিজেপি নেতা বলে নয়, দেশের প্রধানমন্ত্রীর সুরক্ষায় ফাঁক থাকল কীভাবে! এতে বিক্ষোভরত কৃষকদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে পঞ্জাব সরকার ষড়যন্ত্র করেনি তো? এরকম প্রচুর প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হচ্ছে রাজ্যের ক্ষমতাসীন দল কংগ্রেসকে। এই বিরোধিতার মধ্যেই পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী চরণজিৎ চান্নি ফোন করেন কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীকে।

সুপ্রিম কোর্টে বিজেপি!
তবে ইতিমধ্যেই বিষয়টি পৌঁছে গিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালতে। সেখানে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভাতিণ্ডায় প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় বিচ্যুতি বিরলতম ঘটনা। এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক স্তরে মাথা হেঁট হয়েছে দেশের। ঘটনার জেরে সুর নরম করেছে পঞ্জাব সরকারও৷ তারা আদালতে জানিয়েছে, 'নরেন্দ্র মোদী আমাদেরও প্রধানমন্ত্রী। আমরা মোটেও বিষয়টিকে হাল্কাভাবে নিচ্ছি না। ইতিমধ্যেই একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছপ। কেন্দ্রের পক্ষ থেকেও একটি তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে। যে কোনও ব্যক্তিকে এই তদন্ত ভার দেওয়া যেতে পারে। আমরাও চাই নিরাপত্তায় এই বিচ্যুতির ঘটনা খতিয়ে দেখা হোক। আদালত যা সঠিক মনে করে, তা করতে পারে৷'

কী বলছে আদালত?
সরকারের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে নির্দেশ দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালতও। পঞ্জাব, হরিয়ানার হাইকোর্ট রেজিস্ট্রার জেনারেলকে প্রধানমন্ত্রীর যাত্রা সম্পর্কিত সমস্ত রেকর্ড রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷












Click it and Unblock the Notifications