ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদেরই শুধু করোনা টেস্ট, উপসর্গ কমলে টেস্ট ছাড়াই ছুটির নির্দেশ স্বাস্থ্য মন্ত্রকের
দেশে ক্রমেই ভয়াবঙ আকার ধারণ করছে করোনা মহামারি। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃত ও আক্রান্তের সংখ্যা। এমতমাবস্থায় এবার করোনা রোগীদের চিকিত্সার ক্ষেত্রে একগুচ্ছ সংশোধিত নির্দেশিকা জারি করতে দেখা গেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রককে।

দেশের করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৬০ হাজার ছুঁল
করোনা আক্রান্ত রোগীদের হাসপাতাল থেকে ছুটি দেওয়ার ক্ষেত্রে এই নির্দেশিকার পালন করা বাধ্যতামূলক বলেও জানিয়েছে সরকার। এদিকে ইতিমধ্যেই দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৬০ হাজার ছুঁয়েছে। কিন্তু তারই মাঝে কেন্দ্রের নতুন নির্দেশিকায় বলা হচ্ছে শুধুমাত্র অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদেরই সুস্থ হওয়ার করোনা টেস্ট করে পর হাসপাতাল থেকে ছুটি দিতে হবে।

মৃদু উপসর্গ থাকা রোগীদের ডিসচার্জের সময় করোনা টেস্টের প্রয়োজন নেই
সারা দেশে করোনা সংক্রমণ ও মৃতের সংখ্যা যখন বেড়েই চলেছে, তখন তার পরীক্ষা নিয়ে বিতর্কিত এক সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় সরকার।ওই নির্দেশিকায় আরও বলা হচ্ছে জ্বর, সর্দি কাশির মতো মৃদু উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া কোনও রোগী হাসপাতালে ১০ দিন কাটানোর পর তাঁকে যখন ছেড়ে দেওয়া যাবে। সেই মহূর্তে আর তাঁর রিভার্স ট্রান্সক্রিপশন পিসিআর (আরটি-পিসিআর) টেস্ট করানোর কোনও প্রয়োজন নেই। আর এখানেই আশঙ্কার মেঘ দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

করোনা আক্রান্ত রোগীদের তিনটি ভাগে বাগ করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক
অন্যদিকে নতুন নির্দেশিকা অনুসারে করোনা আক্রান্ত রোগীদের বর্তমানে ৩ টি ভাগে ভাগ করাও হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এই তিনটি তালিকায় থাকছে মৃদু সংক্রমণ বা কম ঝুঁকি পূর্ণ রোগীরা। তারপরেই থাকছে তুলনামূলক ভাবে কম ঝুঁকি পূরণ রোগীরা এবং শেষে থাকছে সঙ্কটজনক রোগীরা। নতুন নির্দেশিকায় এখানেই বলা হচ্ছে খুব মৃদু, মৃদু এবং কোনও উপসর্গ মেলেনি এমন রোগীদের ক্ষেত্রে টানা তিন দিন জ্বর আর না এলে, তাঁদের অক্সিজেন দেওয়ার আর প্রয়োজন না হলে হাসপাতালে ১০ দিন চিকিত্সার পর ছেড়ে দেওয়া যাবে। একইসাথে ডিসচার্জের সময় তার আর কোনও রক্তপরীক্ষা, আরটি-পিসিআর টেস্ট করানোরও দরকার নেই।

সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেই প্রশ্ন তুলেছেন চিকিত্সকেরা
বর্তমানে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেই প্রশ্ন তুলেছেন চিকিত্সক মহলের একাংশ। তাদের যুক্তি ১০ দিন বা ১৪ দিন পর কোনও ব্যক্তি করোনা আক্রান্ত বা নতুন করে সংক্রামিত হতে পারে না এর কোনও প্রমাণ নেই। এ ব্যাপারে এখনও তো নিশ্চিত হতে পারেননি বিজ্ঞানী বা চিকিৎসকেরা। বিশ্ব জুড়েই এ নিয়ে বিশদ গবেষণা চলছে। কিন্তু সরকারের বর্তমান সিদ্ধান্ত নতুন করে সংক্রমণের সম্ভাবনা বাড়াতে পারে বলেও মনে করছেন অনেকে।












Click it and Unblock the Notifications