করোনা সংকটে দেশের জনবহুল শহর গুলিই হয়ে উঠছে প্রধান মাথাব্যথার কারণ
করোনা সংকটে দেশের জনবহুল শহর গুলিই হয়ে উঠছে প্রধান মাথাব্যথার কারণ
কোভিড-১৯ রোখার অন্যতম পদক্ষেপ অবশ্যই হিসেবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু ভারতের মতো জনবহুল দেশে প্রতিটি মানুষের সঙ্গে এক মিটার দূরত্ব বজায় রাখা যেন কার্যত সোনার পাথরবাটি।

কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী, করোনা এড়াতে সতর্কতা মূলক ব্যবস্থা হিসেবে সম্ভাবনাময় ব্যক্তিদের থেকে অন্তত এক মিটার দূরত্ব বজায় রাখা উচিৎ বলে পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা প্র্যাক্টো-র অন্যতম কর্মকর্তা ডাঃ আলেকজান্ডার কুরুভিলা জানান, "সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা কোনোও বিকল্প নয় ঠিকই, কিন্তু ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখার সবচেয়ে কার্যকর উপায় কমপক্ষে এক মিটার দূরত্ব বজায় রাখা"।

১৩১ কোটির দেশে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা একটি বিশাল চ্যালেঞ্জ
কীভাবে বজায় থাকবে সামাজিক দূরত্ব? যেখানে দেশের জনসংখ্যা প্রায় ১৩১ কোটি? বিশ্বের সর্বাধিক জনবসতিপূর্ণ দেশ গুলির মধ্যে ভারত অন্যতম। যেখানে গড়ে প্রতি বর্গকিলোমিটারে প্রায় ৪৬০ জন লোকের বাস। তাই সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এ দেশের জন্য বেশ বড় একটি চ্যালেঞ্জ। সর্বাধিক জনঘনত্বপূর্ণ রাজ্য গুলির মধ্যে অন্যতম দিল্লি, বিহার, উত্তর প্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ এবং কেরালা।
এই জনবহুল রাজ্যগুলিতে গড়ে ৪০ কোটি লোকের বাস। তাই এই সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশ কার্যত অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে এই রাজ্যগুলিতে।তাই, এই জনসংখ্যাই অভিশাপ হতে পারে বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।

জনবহুল অঞ্চলেই রোগ সংক্রমণের সম্ভাবনা দ্রুত
ইতিমধ্যেই কপালে ভাঁজ বিভিন্ন বস্তি এলাকার বাসিন্দাদের। দেশের এমন অনেক অঞ্চল আছে, যেখানে গিজগিজ করছে বসতি। বিভিন্ন বস্তি এলাকায় জনঘনত্ব এবং অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন সংক্রমণের কারণ হতে পারে এই ভাইরাসের। এইচ আই ভি/এইডস্ এর মতো রোগেরও অনেক নজির রয়েছে এই সমস্ত এলাকায়। তাই, এই ভাইরাস সংক্রমণের ক্ষেত্রে এই সমস্ত এলাকাগুলির জনঘনত্ব একটি বড় কারণ হয়ে উঠতে পারে বলেই আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।












Click it and Unblock the Notifications