রাজ্যে মৃত্যুর হার নিয়ন্ত্রণে, তবে পুনরায় সংক্রমণের ঘটনা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে কর্নাটকের
রাজ্যে মৃত্যুর হার নিয়ন্ত্রণে, তবে পুনরায় সংক্রমণের ঘটনা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে কর্নাটকের
কর্নাটকে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রাজ্যে করোনা সংক্রমণ ৪ লক্ষ অতিক্রম করবে। তবে এর থেকেও চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে অন্য এক ব্যাপার। বেঙ্গালুরুর এক বাসিন্দা একমাস আগে করোনায় সুস্থ হয়ে ওঠার পরও ফের সংক্রমিত হয়েছেন। যা দেশের মধ্যে এ ধরনের ঘটনার প্রথম উদাহরণ তৈরি করতে পারে। কর্নাটকের অতিরিক্ত মুখ্য সচিব জাওয়েদ আখতার জানিয়েছেন যে রাজ্য করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়ছে।

বাড়ানো হয়েছে টেস্টের সংখ্যা
জাওয়েদ আখতার বলেন, ‘ভারত সরকারের নির্দেশ মেনে আমরা রাজ্যে করোনা টেস্টের সংখ্যা মারাত্মকভাবে বাড়িয়েছি। দৈনিক ১০,০০০-১৫,০০০ হাজারের জায়গায় এখন ৭৫ হাজার করে টেস্ট হচ্ছে। টেস্ট বাড়িয়ে দেওয়ার ফলে রাজ্যে সংক্রমণের সংখ্যাও বাড়ছে। তবে আমরা পজিটিভ কেসের সংখ্যা ৫ শতাংশ কমিয়ে দিয়েছি। জুলাইতে যা ২০ শতাংশ অতিক্রম করেছিল এবং এখন ১৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। উপসর্গ রয়েছে এবং কনটেইনমেন্ট জোনে থাকা মানুষদের মধ্যে টেস্ট বাড়ানোর লক্ষ্য রয়েছে। আমরা চাই মানুষ দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুক এবং মৃত্যর হার কমুক।'

বেঙ্গালুরুতে পুনরায় সংক্রমণের কেস ধরা পড়েছে
অতিরিক্ত মুখ্য সচিব এও জানিয়েছেন যে চিকিৎসকরা পুনরায় সংক্রমণ হওয়ার বিষয়টিতে গবেষণা চালাচ্ছেন। বিস্তারিত তথ্য সহ রিপোর্ট খুব শীঘ্রই আসবে। জানা গিয়েছে, এক ২৭ বছরের মহিলা জুলাই মাসে করোনা আক্রান্ত হন এবং সুস্থ হয়ে যাওয়ার পর তাঁকে হাপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু রবিবার ফর্টিস হাসপাতালের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে একমাস পর ওই মহিলা ফের করোনায় আক্রান্ত হন। পুনরায় সংক্রমণ হওয়ার বিষয়টি ভাবিয়ে তুলেছে কর্নাটক সরকারকে এবং এটি বিস্তৃত ঘটনা হয়েও দাঁড়াতে পারে। রাজ্যের স্বাস্থ্য মন্ত্রী ডঃ সুধাকর কে বিশেষজ্ঞদের দল নিয়ে এ বিষয়ে আলোচনার জন্য বৈঠক ডেকেছেন। আখতার বলেন, ‘এটি ওই কেসগুলির মধ্যে একটি যেখানে আন্টিবডির মেয়াদ বেশিদিন নয়। আমি চিকিৎসকদের অনুরোধ করব যে এই পুনরায় সংক্রমণের বিষয়ে আরও তথ্য সংগ্রহ, এটার ওপর সমীক্ষা করে তার রিপোর্ট যেন ভারত সরকারের কাছে জমা দেওয়া হয়।'

মৃত্যুর হার নিয়ন্ত্রণে
তিনি জানিয়েছন যে রাজ্যের মৃত্যুর হার অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে, যেখানে জাতীয় মৃত্যুর হার ১.৭ শতাংশ, সেখানে রাজ্যের মৃত্যুর হার ১.৬ শতাংশ। কর্নাটকের তিন জেলায় আইসিএমআরের দ্বারা পরিচালিত সেরো সমীক্ষা হয়েছে, যার ফলাফল গত সপ্তাহেই আসবে। বেঙ্গালুরুতে পরবর্তী পর্যায়ের ভ্যাকসিন ট্রায়াল হওয়ার কথা রয়েছে।

বেঙ্গালুরুর অধিকাংশ জায়গা খোলা
বর্তমানে ভারতের মধ্যে বেঙ্গালুরুর অধিকাংশ স্থানই খোলা রয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে অধিকাংশ পরিষেবাই চালু করে দেওয়া হয়েছে। শপিং মল ও পাবগুলিতে মরুভূমির চেহারা নিলেও, শহরের যানজট ৭৭ শতাংশে পৌঁছেছে প্রাক-কোভিড স্তরেও।












Click it and Unblock the Notifications