দেশের নজর গোয়ার উপর! কিন্তু সেখানকার রাজনীতির এই তথ্যগুলি আপনি জানেন?
বুথ ফেরৎ সমীক্ষা বলছে গোয়ার সিংহাসনে আরও একবার বিজেপির বসার রাস্তা খুব একটা সহজ হবে না৷ ইন্ডিয়া টুডে, টাইমস নাও, এবিপি সি-ভোটার সহ একধিক সমীক্ষা কংগ্রেস গোয়ায় ১৬ থেকে ২০ টি আসন জয়ের কথা বলেছে৷ অন্যদিকে গোয়ায় বিজেপি ১৪ থে
বুথ ফেরৎ সমীক্ষা বলছে গোয়ার সিংহাসনে আরও একবার বিজেপির বসার রাস্তা খুব একটা সহজ হবে না৷ ইন্ডিয়া টুডে, টাইমস নাও, এবিপি সি-ভোটার সহ একধিক সমীক্ষা কংগ্রেস গোয়ায় ১৬ থেকে ২০ টি আসন জয়ের কথা বলেছে৷ অন্যদিকে গোয়ায় বিজেপি ১৪ থেকে ১৮ টি আসন পেতে পারে বলে জানিয়েছে সমীক্ষাগুলি৷

যদিও বেশিরভাগ সংবাদমাধ্যমের ১াবি এবার গোয়ায় কোনও একটি দল ক্ষমতা দখল নাও করতে পারে৷
এই বুথ ফেরৎ সমীক্ষা নতুন করে আশা জাগিয়েছে কংগ্রেসে, তড়িঘড়ি নিজেদের দলের হবু এমএলএদের রিসর্ট-বন্দি করে ফেলা হোক কিংবা গোয়াতে আম আদমী পার্টি ও তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছে কংগ্রেস৷ তবে এবারের গোয়া বিধানসভা বিজেপির জন্য লিটমাস টেস্ট।
চারবারের মুখ্যমন্ত্রী ও প্রাক্তন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মনোহর পারিকরের মৃত্যুর পর গোয়াতে এটাই ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির প্রথম নির্বাচন। বিজেপি ভোটারদের মন জয় করার জন্য উন্নয়ন এবং পারিকরের উত্তরাধিকারের ভোটের উপর নির্ভর করছে।
১৪ ফেব্রুয়ারি এক দফায় ভোট হয়েছে গোয়ায়। এবার মোট ৩০১ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন এবং ১১ লাখেরও বেশি ভোটার উপকূলীয় রাজ্যে পরবর্তী সরকার নির্বাচন করতে তাদের ভোট দিয়েছেন। আম আদমি পার্টি (AAP) এবং তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি) এর মতো দলগুলি এবার গোয়ায় মাটি পেতে প্রার্থী দিয়েছে ও প্রচার চালিয়েছে। গোয়াতে ছোট আঞ্চলিক দলগুলিরও বহুমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা রয়েছে, এমজিপি, গোয়া ফরোয়ার্ড পার্টি (জিএফপি)-র মতো দলগুলিও এবারের নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে।
কংগ্রেস জিএফপি-এর সঙ্গে প্রাক-নির্বাচন জোট তৈরি করে নির্বাচন লড়েছে। আবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল, এমজিপি-র সঙ্গে হাত মিলিয়ে লড়াই করেছে। শিবসেনা এবং ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি জোট বেঁধে গোয়াতে লড়াই করেছে৷ অন্যদিকে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের নেতৃত্বাধীন আপ এবং বিজেপি এবারের গোয়া বিধানসভায় একাই লড়াইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷ গোয়ার নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারকারী প্রধান তিনটি প্রধান বিষয় ছিল দুর্নীতি, খনি ও উন্নয়ন।
ক্ষমতাসীন বিজেপি দাবি করেছে যে তারা তাদের ঐতিহ্যগত ভোটারদের ধরে রাখতে পারিকরের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার ব্যবহার করেছে। যদিও বাবার পাঞ্জিম আসনে টিকিট না পেয়ে পারিকরের ছেলে, উৎপল, বিজেপির আতানাসিও মনসেরাত্তের বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications