প্রাক প্রস্তুতিতেই এনআরসির সঙ্গে এনপিআরের স্পষ্ট যোগসূত্র সামনে এল
প্রাক প্রস্তুতিতেই এনআরসির সঙ্গে এনপিআরের স্পষ্ট যোগসূত্র সামনে এল
২০১০ সালের আগে জাতীয় জনসংখ্যা পঞ্জীকরণ বা এনপিআর প্রস্তুত করা হলেও, আগামী বছরের এই তালিকা প্রস্তুতির আগেই প্রাক-প্রস্তুতির অতিরিক্ত মানদণ্ডই এটিকে বিতর্কিত করে তোলে।

বর্তমানে ২০১০ সালের মতো এবারের জাতীয় জনসংখ্যা পঞ্জী তৈরি হচ্ছে না বলেই জানা যাচ্ছে। চলতি বছরের শুরুতেই এই দফায় এটি প্রথমবারের জন্য প্রস্তুত করা হয়। এনপিআরের প্রাক-পরীক্ষাতে দেখা যায় এই তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে পিতামাতার জন্মস্থানের বিশদ বিবরণ চাওয়া হয়। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা বিতর্কিত জাতীয় নাগরিকের পঞ্জীকরণ বা এনআরসির সাথে এনপিআরের স্পষ্ট যোগসূত্র রয়েছে।
ইতিমধ্যেই এনপিআরের জন্য ৩ কোটি ৪১ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে কেন্দ্র সরকারের তরফে। এই প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভাড়েকর বলেন যে ২০১০ সালে ইউপিএ সরকারের জাতীয় জনসংখ্যা পঞ্জীকরণ তৈরির প্রস্তাবের সঙ্গে বর্তমান এনপিআরের কোনও পার্থক্য নেই। যদিও বর্তমানে এনপিআরের প্রাক প্রস্তুতিতে অন্যান্য বিতর্কিত বিষয়ের মতো কোন ব্যক্তির শেষ আবাস স্থান, আধার আইডি, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ভোটার আইডি এবং মোবাইল নম্বরও চাওয়া হচ্ছে।
অন্যদিকে নাগরিকত্ব বিধিমালা অনুসারে, এনপিআর বাধ্যতামূলক এবং এনপিআর-এ কোনও মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করলে এক হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানাও হতে পারে।
বর্তমানে জাতীয় জনসংখ্যা পঞ্জীকরণ বা এনপিআর নিয়ে বিজেপি এবং কংগ্রেসের মধ্যে রাজনৈতিক বাক যুদ্ধ অব্যাহত রয়েছে। বিজেপির অভিযোগ যে ইউপিএ সরকারের সময়কালে প্রথম যে এনপিআর হয়েছিল তা নিয়েই এখন কংগ্রেস বিভ্রান্ত সৃষ্টি করছে।
বিজেপির মুখপাত্র সইদ সানওয়াজ হোসেন বলেন যে কংগ্রেস সরকারই এনপিআরের পরে এনআরসি আনতে চেয়েছিলো। তাছাড়া প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী যখন বলেছে যে এনআরসি নিয়ে কোনও রকম আলোচনা হবেনা, সেখানে কংগ্রেসের বিভ্রান্ত তৈরি করা উচিত না। তবে পাল্টা কংগ্রেসের দাবি যে বিজেপির মন্ত্রীরাই সংসদে একাধিকবার বলেছে যে এনপিআরের পরেই হবে এনআরসি।












Click it and Unblock the Notifications