মার্চেই ভারতে আসতে পারেন চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই, বাড়ছে জল্পনা, বাড়ছে জল্পনা
ভারতে আসতে পারেন ওয়াং ই
তাহলে কি সব বিবাদ মিটে যেতে চলেছে? এই প্রশ্ন এইমুহূর্তে গোটা দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে হয়ত চলতি মাস অর্থাৎ ২০২২-এর মার্চ মাসেই ভারত সফরে আসতে পারেন চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই। অন্তত এমনটাই কানাঘুষো শনা যাচ্ছে দেশের উচ্চতর প্রশাসনিক মহলে কান পাতলে। তার জন্য নাকি গুটি গুটি পায়ে শুরু হয়ে গিয়েছে ভারতের প্রস্তুতি পর্বও। আর এই বিষয় নিয়েই তৈরি হয়েছে নজা জল্পনা। মূলত বর্তমান পরিস্থিতিতে হঠাত কেনো চিনের বিদেশমন্ত্রীর ভারত আগমনের খেয়াল হল তা নিয়ে চাপা গুঞ্জন শুরু হয়েছে দেশের রাজনৈতিক মহলেও।

চিনা বিদেশমন্ত্রীর ভারত সফর
চলতি মাসেই ভারত সফরে আসতে পারেন চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই। মূলত ভারতের সঙ্গে চিনের সম্পর্কের টানাপড়েন চরমতম স্থানে যাওয়ার পর এটাই হতে চলেছে চিনের কোনও হেভিওয়েট মন্ত্রীর ভারত সফর। তবে চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই-র ভারত সফর নিয়ে নাকি দিনক্ষণ কিছুই ঠিক হয়নি। এছাড়াও এবিষয়ে দুই দেশের তরফ থেকে কিছু আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষণাও করা হয়নি। তবে সব ঠিক থাকলে ওয়াং ই-র আসার সম্ভাবনা আছে বলে খবর।

নজরে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা
২০২০ সালের ১৫জুন গালওয়ান সীমান্তে চিনা সেনাবাহিনীর ততফ থেকে নৃশংস আক্রমণ চালানো হয়েছিল ভারতীয় সেনা বাহিনীর উপর, সে চিত্র কম বেশি সকলেই দেখেছেন। ঘটনায় ভারতীয় সেনার সাহসী পদক্ষেপে প্রাণ যায় বেশকিছু চিনা সেনারও। আর তারপর থেকেই ক্রমাগত অবনতি হতে থাকে চিনের সঙ্গে ভারতের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক। এরপর লাদাখ উপত্যকার প্যাং-গং লেকের ধারে জমি দখল নিয়ে সেই বিবাদ চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছয়। মূলত বেআইনি ভাবে একাধিকবার এলএসি অতিক্রম করেছে ড্রাগনরা। শুধু তাই নয়, বিশ্ব শান্তি রক্ষায় বার বার ভারতকে প্ররোচিত করেছে চিন। আর এবার চিনা বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই-র ভারত সফরে সেইসব বিষয় আলোচনার মূল হতে পারে বলে ধারনা কূটনৈতিক মহলের।

বিবাদ কি মিটবে?
প্রথমে ভুটান সীমান্তের ডোকালামে আইন ভেঙ্গে সেতু ও রাস্তা নির্মাণ, এরপর গালওয়ান সীমান্তে ভারতীয় সেনার উপর কাঁটা মুগুর দিয়ে হামলা, আর সর্বশেষে লাদাখ উপত্যকায় প্যাং-গং লেকের ধারে ভারতীয় জমিতে আস্তানা তৈরি, এই সবকিছু মিলিয়ে এই মুহূর্তে বেজিং-এর সঙ্গে সাপে নেউলে সম্পর্ক তৈরি করতে খানিক বাধ্য হয়েছে নয়া দিল্লি। পাশাপাশি পাকিস্তানের সঙ্গে চিনের ইয়ার দোস্তি, তাদের সাহায্য করা বা বিজনেস কোরিডোর তৈরি করা, এই সবকিছুকেই খুব একটা ভালো চোখে দেখেনি নয়া দিল্লি। আর তাই এবার বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই-র ভারত সফরের পর এইসব বিষয়ে কি কিছু রফাসুত্র মিলবে বা 'হিন্দি-চিনি ভাই ভাই' সম্পর্কের দিকে কিছু সুরাহা হবে? এটাই এখন সবথেকে বড় প্রশ্ন।

ওয়াং ই-র সফর
চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই-র ভারত সফরের আগে নেপাল সফরে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেখানে গিয়ে নেপালের প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবা, রাষ্ট্রপতি বিদ্যাদেবী ভান্ডারি, এবং নেপালের বিদেশমন্ত্রী নারায়ণ খড়কারের সঙ্গে সাক্ষাতের কথা রয়েছে ওয়াং ই-র।












Click it and Unblock the Notifications