ইতিবাচক মনোভাব ও সাবধানতা এই দুইয়ে ভর করেই কোভিড মুক্তির পথ খুঁজছে কেন্দ্র
ইতিবাচক মনোভাব ও সাবধানতা এই দুইয়ে ভর করেই কোভিড মুক্তির পথ খুঁজছে কেন্দ্র
ওমিক্রনজাত করোনার তৃতীয় ওয়েভে একটা সময় সারা দেশের করোনা দৈনিক সংক্রমণ ৪ লাখে পৌঁছেছিল৷ সেখান থেকে অনেকটা লড়াই পেরিয়ে এসেছে দেশ। দেশে করোনার দৈনিক সংক্রমণ ৫০ হাজারে নেমে এসেছে৷ বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানিয়েছে যে গত মাসের তুলনায় দেশে দৈনিক করোনা সংক্রমণ ৮০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। তবে একই সঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পক্ষ থেকে সতর্ক করে আরও বলা হয়েছে যে দেশের চারটি রাজ্য ৫০ হাজারেরও বেশি সক্রিয় করোনা কেস রিপোর্ট হয়েছে৷ যে চারটি রাজ্যে সংক্রমণ এখনও চিন্তার কারণ সেগুলি হল, কেরল, মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু এবং কর্ণাটক।

অন্যদিকে দেশে ১১ টি রাজ্যে এখনও ১০ হাজার থেকে ৫০ হাজারের এর মধ্যে সক্রিয় করোনা কেস রয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব লভ আগরওয়াল বৃহস্পতিবার একটি সাপ্তাহিক সাংবাদিক সম্মেলনে এই তথ্য দিয়েছেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে যে দেশের ২১টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলি ১০-এর কম সক্রিয় করোনা কেস রয়েছে। ২৪ জানুয়ারী, দৈনিক করোনা সংক্রমণের পজিটিভিটি রেট ২০.৭৩ শতাংশ ছিল যা এখন ৪.৪৪ শতাংশে নেমে এসেছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে যে সারা দেশে করোনা সক্রিয়তার হার ও দৈনিক সংক্রমণ অনেকটাই হ্রাস পেয়েছে।
দেশের যে চারটি রাজ্যের কোভিড সংক্রমণ এখনও উদ্বেগের জায়গাতে রয়েছে সেখানে কোভিড রুখতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক৷ কেন্দ্র জানিয়েছে যে কেরল, মিজোরাম, হিমাচল প্রদেশ এবং সিকিমের মতো রাজ্যগুলিতে এখনও প্রচুর সংখ্যক করোনা পজিটিভ রিপোর্ট সামনে আসছে। নীতি আয়োগের সদস্য ডক্টর ভি কে পল বলেছেন যে সামগ্রিক কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে তাঁরা আশাবাদী, তবে দেশ কোনওভাবেই সতর্কতা কমিয়ে দিতে পারে না।
ডাঃ পল জানিয়েছেন, দেশে করোনা মহামারীটির একটি মিশ্র ছবি দেখা যাচ্ছে। করোনা সংক্রমণের গ্রাফ নিম্নমুখী হওয়ার জন্য তাঁরা আশাবাদী তবে এখনও সতর্কতার প্রয়োজন রয়েছে। তবে মহামারী নিম্নমুখী গ্রাফ এখনও পর্যন্ত আশা জাগিয়ে রেখেছে৷ তবে কেরালা, মিজোরাম এবং হিমাচল প্রদেশ সহ কিছু রাজ্য এখনও প্রচুর সংখ্যক করোনা কেস রয়েছে। তাই আমরা করোনা সতর্কতা কমাতে পারি না।












Click it and Unblock the Notifications