২০১৪ থেকে ৪ কোটি ভুয়ো রেশনকার্ড বাতিল করেছে কেন্দ্র, বললেন মোদী
২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই রেশনিং সিস্টেমকে ঢেলে সাজানোর চেষ্টা করছে মোদী সরকার। আরও বেয়ি মাত্রায় অনলাইন রেশন কার্ড ও ভর্তুকি তো রয়েইছে সঙ্গেই ভুয়ো রেশনকার্ড চিহ্নিত করতেও কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্র! সম্প্রতি তার সুফলও পেয়েছে মোদী সরকার৷ পশ্চিমবঙ্গ সহ সারা দেশে কয়েক কোটি ভুয়ো রেশন কার্ড ব্যবহারকারীদের চিহ্নিত করে তাদের কার্ডটি বাতিল করার কাজ করেছে কেন্দ্র৷

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁর আগের কংগ্রেস সরকারগুলিকে ভুয়ো রেশন কার্ডের বাড়বাড়ন্তের জন্য দোষী সাব্যস্ত করেছেন৷ প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য যে প্রায় চার কোটি জাল রেশন কার্ড ব্যবহার করে আসল দরিদ্রদের কাছে সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা বন্ধ করতে চায় কিছু মানুষ৷ তিনি বলেন, 'এই মানুষরারা যখন সরকারে ছিল, তখন প্রায় চার কোটি ভুয়ো লোক গরীবদের জন্য বরাদ্দকৃত রেশন লুট করেছিল। এই রেশন বাজারে বিক্রি হচ্ছে এবং এই ধরনের লোকদের (যারা সরকারে ছিলেন) কালো অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছছে।'
এরপরই মোদী আরও যোগ করেন, কিন্তু বর্তমান সরকার ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর, এই ধরনের জাল এবং অস্তিত্বহীন লোকদের সন্ধান শুরু করেছে যাদের নামে ভুয়ো রেশনকার্ডগুলি রয়েছে। ভুয়ো রেশনকার্ড চিহ্নিত হওয়া মাত্র এই রেশন কার্ডগুলি বাতিল করে দেওয়া হয়৷ একটি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মধ্যপ্রদেশের প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার অনুষ্ঠানে এই বক্তব্য রাখেন মোদী।
সম্প্রতি মধ্যপ্রদেশে অনুষ্ঠিত হওয়া প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা-গ্রামীনের একটি অনুষ্ঠানে সাধারণ মানুষকে ৫.২১ লক্ষ বাড়ি হস্তান্তর করার জন্য আয়োজিত 'ঘরপ্রবেশম' কর্মসূচিতে ভাষণ দেন মোদী। সেখানেই মোদী বলেন যে তাঁর সরকার দরিদ্র লোকদের বাড়ি দেওয়ার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করে দ্রুত কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, নারীদের নিজস্ব বাড়ির মালিকানা তাদের ক্ষমতায়িত করেছে এবং পরিবারের আর্থিক বিষয়ে তাদের বক্তব্যকে শক্তিশালী করেছে। এখনও পর্যন্ত, দেশে পিএমএওয়াই প্রকল্পের অধীনে ২.৫ কোটি বাড়ি তৈরি করা হয়েছে নলে কেন্দ্র সূত্রে জানা গিয়েছে।
প্রসঙ্গত রাজ্যের বিরোধী আসনে থাকা বিজেপি নেতারাও বারবার করে ভুয়ো রেশন কার্ড এবং তার মাধ্যমে চাল চুরির অভিযোগ আনেন তৃণমী্ূলের বিরুদ্ধে। যদিও কোনওবারই তৃণমূল এই সব অভিযোগকে পাত্তা দেয়নি৷ কিন্তু খোদ প্রধানমন্ত্রী বিরোধীদের উদ্দেশ্য করে চার কোটি ভুয়ো রেশনকার্ড বাতিল করার ঘটনা যে নতুন করে বঙ্গে-বিজেপি নেতাদের আক্রমণের ধার বাড়াতে সাহায্য করবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।












Click it and Unblock the Notifications