ত্রিপুরায় মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চলেও জয় বিজেপির

ত্রিপুরায় মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চলেও জয় বিজেপির

ত্রিপুরা পৌরসভা নির্বাচনে বিরোধীদের স্রেফ উড়িয়ে দিয়েছে বিজেপি। অধিকাংশ আসনেই নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করেছে গেরুয়া শিবির৷ ত্রিপুরায় ৩৩৪ আসনের ৩২৯টি বিজেপির ঝুলিতে, সিপিএম ৩টি তৃণমূল একটি এ তিপ্রামথা একটি আসন পেয়েছে৷ কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ত্রিপুরার মুসলিম অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে বড় সাফল্য এসেছে বিজেপির। আগরতলা থেকে কিছুটা দূরে সংখ্যালঘু মুসলিম অধ্যুষিত যে এলাকায় এতদিন একচেটিয়া ভোট পেয়ে আসত সিপিএম এবার সেই সিটেই বড় জয় পেয়েছে বিজেপি৷ শেষ কয়েক বছরের মধ্যে প্রথমবারের জন্য কোনও বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীকে দু'হাত উজাড় করে ভোট দিয়েছেন সংখ্যালঘুরা৷

ত্রিপুরায় পুরসভা নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গ থেকে একাধিকবার সেখানে ছুটে গিয়েছেন রাজ্যের শাসক দলের মন্ত্রী ও বিধায়ক, সাংসদরা৷ সেখানে সংগঠন তৈরির পর অনেক তৃণমূল নেতাই ত্রিপুারার যে অংশটিকে পাখির চোখ করেছিলেন তা হল সোনামুড়া৷ ত্রিপুরার এই অংশটিতে সংখ্যালঘু মুসলিম ভোট ব্যাংক রয়েছে৷ কিন্তু রবিবার দেখা গেল এখানের ১৩টি আসনের ১৩টিতেই জয় ছিনিয়ে নিয়েছে বিজেপি৷ একই ছবি উঠে এল ধর্মনগরের ২৪টি আসনেও৷ এখানেও মুসলিম ভোটাররা আস্থা রাখলেন বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের উপর। পাশাপাশি মেলাঘরের ১১টির সবকটি আসনেও জয় হাসিল করেছে বিজেপি৷ ত্রিপুরায় বিজেপির এই জয়ে উচ্ছ্বসিত নেতা কর্মীরা টুইট করছেন পরপর।

কী বলছেন অমিত মালব্য?

কী বলছেন অমিত মালব্য?

বঙ্গবিজয়ের পর ত্রিপুরার মাটিতে আঁচড় কাটার স্বপ্ন ভেঙে খানখান হয়ে গিয়েছে তৃণমূলের। যথারীতি সোশ্যাল মিডিয়ায় উচ্ছ্বাসে ভেসেছেন বিজেপি নেতা-কর্মী-সমর্থকরা। বিজেপি নেতা অমিত মালব্য যেমন ট্যুইট করেন, ''ভয় দেখানো এবং সন্ত্রাসের রাজনীতির শেষ আছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কপালে আরও রাজনৈতিক হেনস্থা করছে। শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গের বাইরে নয়, বঙ্গেও। ত্রিপুরা সূত্রপাত মাত্র'।

কী বলছেন অজিত দত্ত?

কী বলছেন অজিত দত্ত?

তবে শুধুমাত্র অমিত মালব্য নয়, ত্রিপুরায় তৃণমূলের হারে বেজায় খুশি সাধারণ বিজেপি সমর্থকরাও। সাংবাদিক তথা লেখক অজিত দত্ত লেখেন, ' ত্রিপুরায় প্রাথমিক হারে আশাভঙ্গ হওয়া উচিত নয় তৃণমূলের। গোয়া, হরিয়ানা সহ অন্যান্য রাজ্যেও পরাজয় অপেক্ষা করছে। তারপরই নাহয় তারা আশাহত হবেন।' আরও একজন সাংবাদিক অভিজিৎ লেখেন, ' সাম্রাজ্যবাদী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ত্রিপুরার শাসক হিসেবে নিজের ভাইপোকে চাপিয়ে দিতে চেয়েছিলেন। এবার আগরতলার পুরভোটে তৃণমূলই ধুয়েমুছে সাফ। বিজেপি প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে জিতেছে, তৃণমূল একটিও জেতেনি। ত্রিপুরার মানুষ পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর প্রত্যেক পরিকল্পনা ভেস্তে দিয়েছেন।'

আরও টুইটারেত্তিদের বক্তব্য

আরও টুইটারেত্তিদের বক্তব্য

অনেকে আবার শ্লেষও ছুঁড়ে দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের সংবাদমাধ্যমের উদ্দেশে। রনিতা নাকক এক ট্যুইটার ব্যবহারকারী লেখেন, ' এবিপি আনন্দের ত্রিপুরা পুরভোটে তৃণমূলের সাফল্য খোঁজার চেষ্টা এবং মাইক্রোস্কোপ দিয়ে একাদশ শ্রেণীর পড়ুয়াদের একটি কোষে রাইবোজোম খোঁজার চেষ্টা একই।' পবন বোথরা নামক এক ট্যুইটার ব্যবহারকারী আবার লেখেন, 'বিজেপি সমস্ত আসনে জিতেছে, তৃণমূল একটিতেও জেতেনি। তাও তারা রাজ্যে প্রধান বিরোধী হওয়ার আনন্দ উদযাপন করছে। আশ্চর্য! একটিও আসনে না জিতে কিনা প্রধান বিরোধী৷ প্রত্যেক শাসকদল এমন প্রধান বিরোধী চাইবে৷'

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+