বিলটি ০.০১ শতাংশও সংখ্যালঘুদের বিপক্ষে নয়, কৌশলে নাগরিকত্ব বিলের পক্ষে যুক্তি অমিতের
বিলটি ০.০১ শতাংশও সংখ্যালঘুদের বিপক্ষে নয়, কৌশলে নাগরিকত্ব বিলের পক্ষে সওয়াল অমিতের
এই বিল ০.০১ শতাংশও সংখ্যালঘুদের বিপক্ষে নয়। আজ সংসদে নাগরিকত্ব বিল পেশ করার পর বিরোধীদের তোপের মুখে এই জবাব দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন এই বিল কোনও ভাবেই সংবিধানের কোনও ধারাকে উলঙ্ঘন করছে না। এই সরকারকে পাঁচ বছরের জন্যজনগণ নিয়ে এসেছে। আমাদের শুনতে হবে। এই বিলে কোনও স্থানেই সংখ্যালঘুদের বিষয়ে কিছু বলা হয়নি।

'১৯৭১-র পরেও বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের মারা হচ্ছে'
অমিত শাহ বলেন, '১৯৭১-র পরেও বাংলাদেশে সেখানের সংখ্যালঘুদের খুঁজে খুঁজে মারা হয় ও সেখানে অত্যাচার চলে। কংগ্রেস নিজেও দণ্ডকারণ্যে থাকা বাংলাদেশ থেকে আসা শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দিয়েছিল। উগান্ডা থেকে আসা শরণার্থীদেরও কংগ্রেস নাগরিকত্ব দিয়েছিল।'

'তবে দেশে সংখ্যালঘুদের কেন সংরক্ষণ ও বিশেষ সুবিধা কেন?'
সংখ্যালঘুদের প্রসঙ্গ টেনে অমিত শাহ বলেন, 'যদি সমান অধিকারের কথা বলেন তবে দেশে সংখ্যালঘুদের কেন সংরক্ষণ ও বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়। তা হলে সেই ক্ষেত্রে তো সাম্যতার প্রসঙ্গ তোলে না বিরোধীরা? তখন কী সংবিধানের ১৪ নম্বর ধারার উলঙ্ঘন হয়? আমি উদাহরণ দিয়ে বলতে পারি যে যুক্তিসঙ্গত শ্রেণিবিন্যাসের মাধ্যমেই সব দেশে অন্য দেশের নাগরিকদের নাগরিকত্ব দেয়। আমেরিকাতেও গ্রিন কার্ড তাদেরকেই দেওয়া হয় যারা সেখানে গিয়ে দেশএর উন্নতির জন্য কাজ করবেন।'

প্রতিবেশী দেশে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার হচ্ছে
প্রতিবেশী দেশে সংখ্যালঘুদের উপর হওয়া অত্যাচারের প্রসঙ্গ টেনে এনে তিনি বলেন, 'আফগানিস্তান, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সংবিধানের অনুচ্ছেদ পড়ে শুনিয়ে বলেন এই দেশগুলিতে রাষ্ট্রীয় ধর্ম ইসলাম। বিভাজনের সময় শরণার্থীরা দেশ ছেড়ে । ১৯৫০ সালে নেহরু-লিয়াকত চুক্তি সই হয়। তখন নিজেদের দেশে সংখ্যালঘুদের রক্ষা করার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। তবে এত বছরে আমাদের প্রতিবেশী দেশে হিন্দু, শিখ সহ সংখ্যালঘুদের উপর ক্রমাগত অত্যাচার চলেছে। তা হলে কী আমরা তাদের উপর অত্যাচার হতে দেব? এই আইনে শ্রীলঙ্কার তামিল হিন্দু ও মায়ানমারের হিন্দু রোহিঙ্গাদের বাদ রাখা হয়েছে। কিন্তু এই বিলে কোনও মুসলিমদের অধিকার ছিনিয়ে নেওয়া হয়নি।'

কংগ্রেসকে আক্রমণ
কংগ্রেসকে আক্রমণ করে অমিত শাহ বলেন, 'আজ যখন বিরোধীরা এত প্রশ্ন তুলছে তখন আমি বলতে বাধ্য হচ্ছি যে দেশ বিভাজনের সময় যদি কংগ্রেস ধর্মের আধারে তা না করত তবে আজ এই বিলের প্রয়োজন পরত না। আজ তা হলে ওদের এটা শুনতে হবে। আজ ওরা এই বিলের বিরোধিতা করছে। তবে তারা ধর্মের ভিত্তিতে দেশ ভাগ না করলে এই বিলের প্রয়োজন পরত না।'












Click it and Unblock the Notifications