এনসেফ্যালাইটিস নিয়ে অবশেষে বিধানসভায় মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার
এখনও থােমনি মৃত্যু মিছিল। এনসেফ্যালাইটিসের থাবা যেন জমিয়ে বসেছে বিহারে। কিছুতেই নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না এই মারণ ব্যাধি। প্রায় ১৫০র কাছাকাছি পৌঁছে হিয়েছে শিশু মৃত্যু।
এখনও থােমনি মৃত্যু মিছিল। এনসেফ্যালাইটিসের থাবা যেন জমিয়ে বসেছে বিহারে। কিছুতেই নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না এই মারণ ব্যাধি। প্রায় ১৫০র কাছাকাছি পৌঁছে হিয়েছে শিশু মৃত্যু। সোমবার বিহার বিধানসভা এই ইস্যুতে উত্তাল হয়। বিরোধীরা সরকারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিলেন। শেষে বিরোধীদের বিক্ষোভ থামিয়ে মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। এই প্রথম এনসেফ্যালাইটিস িনয়ে মুখ খুললেন তিনি। নীতীশ বিধানসভা বলেছেন, এই মৃত্যু অত্যন্ত দুঃখের। একই সঙ্গে তিনি মেনে নিয়েছেন শুধু শোক প্রকাশ করাই যথেষ্ট নয়। তিনি বলেছেন অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয় এটি। এটি কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায় এই নিয়ে দফায় দফায় বৈঠক করেছে সরকার।

নীতীশ জানিয়েছেন প্রতিবছর এনসেফ্যালাইটিস কেন হানা দেয় বিহারে এই নিয়ে পাটনায় এইমসের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন তিনি। সকলেই নাকি ভিন্ন মত জানিয়েছেন। গত কয়েক বছর ধরেই এই পরিস্থিতির উন্নয়নে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন তিনি। নীতীশ দাবি করেছেন, যাঁরা মারা গিয়েছেন তাঁরা প্রায় সকলেই দুঃস্থ পরিবারের সন্তান।
কয়েকদিন আগেই এইমসের বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছিলেন অ্যাসবেস্টের চালই এই মারণ এনসেফ্যালাইটিসের অন্যতম কারণ। এদিন বিধানসভার পরিসংখ্যান দিয়ে বিহােরর স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ২৮ জুন পর্যন্ত পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ৭২০ জন শিশু এনসেফ্যালাইটিসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এখনও পর্যন্ত ৫৮৬ জনকে সুস্থ করে তোলা হয়েছে। ১৫৪ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর হাল ২১ শতাংশ কমানো গিয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দাবি ২০১১-১৯ সাল পর্যন্ত এনসেফ্যালাইটিসে মৃত্যুর হার অনেকটাই কমেছে।
নীতীশের এই বক্তব্যের পরেও বিক্ষোভ থামেনি বিধানসভায়। কংগ্রেস এবং আরজেডি বিধায়করা বিধানসভায় মুলতুবি প্রস্তাব আনেন। বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রাবড়ি দেবী এই ঘটনার পৃথক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications