লকডাউনের সুফল, বহু দশক পর পানের যোগ্য হল গঙ্গার জল
লকডাউনের সুফল, বহু দশক পর পানের যোগ্য হল গঙ্গার জল
করোনা ভাইরাসকে দূরে রাখতে গোটা মানবজাতি লকডাউন হয়ে ঘরে বসে রয়েছে। অচল জনজীবন। তবে মনুষ্যজাতির এই স্তব্ধতাই হাসি ফুটিয়েছে প্রকৃতির মুখে। যে প্রকৃতি এতদিন মানুষের চাপে পড়ে তাদের নিজস্বতা হারাতে বসেছিল। তাই বলা যায় করোনা প্রকৃতির আসল রূপ আবার ফিরিয়ে এনেছে।

দূষণমুক্ত ও পরিস্কার গঙ্গার জল
জাতীয় রাজধানীতে দূষণ কমে যাওয়ার ফলে বাতাসের গুণগত মানের উন্নতি যেমন হয়েছে তেমনি গোটা দেশে দেখা যাচ্ছে পরিস্কার আকাশ। মনে হচ্ছে প্রকৃতির আর্শীবাদ হয়ে ছদ্মবেশে এসেছে লকডাউন। লকডাউনের কারণে কলকারখানাগুলি বন্ধ থাকার কারণে তরল বর্জ্য পদার্থ বা নর্দমার নোংরা জল নদীতে গিয়ে মিশতে পারছে না। যার ফলে ঋষিকেশ ও হরিদ্বারের গঙ্গা এখন একেবারে স্বচ্ছ ও অনেকটাই দূষণমুক্ত।

গঙ্গার জল পানের উপযুক্ত
উত্তরাখণ্ড পরিবেশ সুরক্ষা ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের (ইউইপিপিসিবি) পক্ষ থেকে জানা গিয়েছে যে দীর্ঘদিন বাদে হর-কি-পৌরির জলের গুণগত মান ক্লোরিনেশনের পর পানের উপযুক্ত হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়েছে। ইউইপিপিসিবি মুখ্য পরিবেশ আধিকারিক এসএস পাল জানিয়েছেন যে লকডাউনের পরে হর-কি-পৌরির জল নির্ধারণের সমস্ত পরিমিতি উন্নত করা হবে। তিনি বলেন, ‘এপ্রিলে হর-কি-পৌরি জল থেকে ৩৪ শতাংশ মানুষের মল-মূত্র হ্রাস পয়েছে ও ২০ শতাংশ জৈবিক অক্সিজেনের চাহিদা হ্রাস পেয়েছে।'

পিএইচ ব্যালেন্স উন্নতি হয়েছে
মুখ্য পরিবেশবিদ জানিয়েছেন যে ইতিহাসে এই প্রথমবার হর-কি-পৌরির জল লকডাউনের পর এ শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হয়েছে। এ শ্রেণীভুক্ত জলে পিএইচ সামঞ্জস্য থাকে ৬.৫ থেকে ৮.৫। নদীর জলের জন্য সর্বোত্তম পিএইচ প্রায় ৭.৪ হিসাবে বিবেচিত হয়।












Click it and Unblock the Notifications