Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

ত্রিপুরায় ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি, বাড়ল মৃতের সংখ্যা, অমিত শাহের সঙ্গে কথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা

ত্রিপুরায় বন্য পরিস্থিতি ভয়াবহ। ইতিমধ্যেই মৃতের সংখ্যা দশ পেরিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা ত্রাণশিবির পরিদর্শনের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে কথা বলেছেন। বিশেষ বিমানে আগরতলায় আরও এনডিআরএফ কর্মীকে পাঠানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, তিনি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার সময় উদ্ধারে সহায়তা করতে আরও এনডিআরএফ কর্মীর জন্য অনুরোধ করেছিলেন।

মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে জানিয়েছেন। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই পরিস্থিতিতে তাঁকে সব ধরণের সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

এদিকে ত্রিপুরা সরকার খারাপ আবহাওয়ার কারণে এবং গত দুই দিন ধরে ভারী বৃষ্টির পরে রাজ্য জুড়ে বন্যা পরিস্থিতির অবনতির কারণে বুধবারের পরে বৃহস্পতিবারেও সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করেছে। বন্যা পরিস্থিতি এতটাই খারাপ যে মুখ্যমন্ত্রী গণরাজ চৌমুহনিতে নিজের বাড়িতেই আটকা পড়েছিলেন। তারপর তিনি নৌকায় সচিবালয়ে যান।

রাজ্য প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে বন্যায় এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা দশ। দক্ষিণ ত্রিপুরার বিলোনিয়া ও শান্তিরবাজারে ছয়জন, গোমতি জেলার নতুন বাজারে দুইজন ও খোয়াইয়ের মুঙ্গিয়াকামিতে একজনের মৃত্যু হয়েছে। প্রায় সবারই মৃত্যু হয়েছে মাটির দেওয়াল ধসে। এছাড়া বন্যার জলে ডুবে নিখোঁজ হওয়ারও খবর পাওয়া গিয়েছে।

অতি বৃষ্টির কারণে দক্ষিণ ত্রিপুরা ছাড়াও, গোমতি, পশ্চিম ত্রিপুরা, খোয়াই ও উনোকোটিতে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। গোমতি জেলা প্রশাসন মঙ্গলবার রাতে জলের চাপের কারণে জম্বুর জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের একটি গেট খুলে দিতে বাধ্য হয়। যে কারণে অমরপুর, উদয়পুর ও সোনামুড়ার প্লাবিত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্লাবিত সংলগ্ন বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকাও।

এছাড়াও উত্তর ত্রিপুরার কদমতলা, উনোকোটির কৈলাশহর ও খোয়াই নদীর ধারে বাঁধের দেওয়ারগুলি প্রবল জলের চাপে ভেঙে গিয়েছে। যে কারণে ওইসব এলাকার জনবসতি প্লাবিত হয়েছে।

ত্রিপুরা জুড়ে এখনও পর্যন্ত ছয় হাজারের বেশি পরিবারকে ত্রাণ শিবিরে সরানো হয়েছে। আটটি জেলার ৩২০ টির বেশি ত্রাণশিবিরে প্রায় ৩৪ হাজার মানুষকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়া দফতরের তরফে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ত্রিপুরা জুড়ে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সোমবার থেকে হওয়া অবিরাম বৃষ্টিতে রাজ্য জুড়ে বিপর্যয়ের পরিস্থিতি।

মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা জানিয়েছেন, ত্রিপুরায় যে এমন পরিস্থিতি হতে পারে তা কল্পনাও করা যায়নি। বুধবার তিনি আগরতলা শহরের বেশ কিছু ত্রাণশিবির পরিদর্শন করেন এবং সেখানকার ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে খোঁজ খবর নেন।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+