বিধায়ক কেনাবেচার চক্রান্ত, তেলঙ্গানার শীর্ষ বিজেপি নেতাকে তলব কেসিআরের পুলিশের
বিধায়ক কেনাবেচার চক্রান্ত, তেলঙ্গানার শীর্ষ বিজেপি নেতাকে তলব কেসিআরের পুলিশের
মোদীর তেলেঙ্গানা সফরের পর থেকেই দলের নেতাদের ভাঙানোর চেষ্টা করছে বিজেপি এমনই অভিযোগ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও। এবার এই নিয়ে কড়া পদক্ষেপ করল তেলেঙ্গানা প্রশাসন। বিজেপি বিধায়ক বিএল সন্তোষকে তলব করেছে তেলেঙ্গানার পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে শাসক দলের বিধায়কদের টাকা দিয়ে কেনার চেষ্টার অভিযোগ রয়েছে।

তেলেঙ্গানায় অবিজেপি সরকার ভাঙার মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে বিজেপি। প্রকাশ্যেই এমন অভিযোগ করেছিলেন তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও। তিনি অভিযোগ করেছিলেন টাকা দিয়ে তাঁর দলের বিধায়কদের কেনার চেষ্টা করছে বিজেপি। গতমাসে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে তেলঙ্গানা পুলিশ। তারা টিআরএসের এক বিধায়কের ফার্ম হাউসে ১০০ কোটি টাকা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তারা যদিও জামিনে মুক্ত রয়েছেন। বিএল সন্তোষের নির্দেশেই তাঁরা টিআরএসের বিধায়কের ফার্ম হাউসে গিয়েছিলেন টাকা নিয়ে এমনই দাবি করা হচ্ছে।
তারপরেই তৎপর হয় তেলেঙ্গানা পুলিশ। তেলেঙ্গানার শীর্ষ বিজেপি নেতা বিএল সন্তোষকে তলব করা হয়েছে। তাঁকে জেরা করে একাধিক তথ্য জানতে চাইছে পুলিশ। ২১ নভেম্বর তাঁকে হাজিরা দিতে বলেছে তেলেঙ্গানা পুলিশ। বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বিএল সন্তোষকে সেদিন গ্রেফতারও করতে পারে তেলেঙ্গানা পুলিশ। এমনই জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে। যদিও হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণে এই বিধায়ক কেনাবেচার মামলার তদন্ত চলছে।
বিধায়ক কেনাবেচা করে সরকার দখল করা বিজেপির পুরনো অভ্যাস এমনই অভিযোগ করেছেন বিরোধীরা। ইতিমধ্যেই মহারাষ্ট্র, কর্নাটক, মধ্যপ্রদেশে সেই ভাবেই বিধায়ক কেনাবেচা করে সরকার গঠন করেছে বিজেপি। মহারাষ্ট্রে শিবসেনার অন্দরে ভাঙন ধরিয়ে দুই ভাগে ভাগ করে দিয়ে সরকার গড়েছে বিজেপি। কেবল বিহারেই ঘটেছে ব্যাতিক্রম। সেখানে বিজেপির হাত ছেড়ে মহাজোটের হাত ধরে সরকার গড়েছেন নীতীশ কুমার। ২০২৪-র বিধানসভা নির্বাচনের আগে একাধিক িবরোধী দলের রাজ্যগুলিকে টার্গেট করে এগোচ্ছে বিজেপি। সেই তালিকায় পশ্চিমবঙ্গও রয়েছে। সেখানে বিজেপি নেতারা বারবার দাবি করে চলেছে ডিসেম্বর মাসের পর সরকার চালাতে পারবেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
অবিজেপি রাজ্যগুলিতে এজেন্সি তৎপরতা বেড়েছে। দিল্লি, পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি তেলঙ্গানা এবং বিহারেও ইডি তৎপরতা শুরু হয়ে গিয়েছে। এমনকী ঝাড়খণ্ডেও মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনকে সরানোর পরিকল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে। যেভাবেই হোক অবিজেপি রাজ্যগুলি দখল করতে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে গেরুয়া শিবির। আর এই কাজে তাদের সহজ পন্থা হল বিধায়ক কেনাবেচা।












Click it and Unblock the Notifications