Telangana Election 2023: এআই মাধ্যমে ভোটে জনসংযোগ, প্রযুক্তিতে মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছেন সিদ্ধার্থ
তেলেঙ্গানার ভোট নিয়ে চর্চা চলছে রাজনৈতিক মহলে। এই রাজ্যে কার দিক পাল্লা ভারী? কংগ্রেস না কী টিডিএস? সেই প্রশ্ন উঠছে। নজরকাড়া কেন্দ্র হিসেবে রয়েছে জুবিলি হিলস। এই কেন্দ্রে ইন্ডিপেন্ডেন্ট প্রার্থী হিসেবে লড়াই করছেন সিদ্ধার্থ চক্রবর্তী।
সিদ্ধার্থ টেকনোলজির দুনিয়ায় বেশ পরিচিত মুখ। টেক উদ্যোক্তা হিসেবেও তাঁর পরিচিতি আছে। আর ভোটে তাঁর উপস্থিতি আছে, যখন কিছুটা আলাদাভাবে প্রচার তো হতেই পারে। আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে তিনি ভোটের প্রচারে কাজে লাগিয়েছেন।

সিদ্ধার্থ চক্রবর্তী নিজের সাড়ে চার বছর ও সাত মাসে দুই সন্তানের সঙ্গেও সময় কাটাচ্ছেন। আবার এআই এর মাধ্যমে নিজের নির্বাচনী কেন্দ্রের ভোটারদের সঙ্গেও যোগাযোগ করছেন। ল্যাপটপের মাধ্যমে যোগাযোগে ভোটার কথা,,ভাবনা, দাবিদাওয়া শুনছেন তিনি।
সিদ্ধার্থ চক্রবর্তী নিজস্ব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা টুল ব্যবহার করেছেন। প্রযুক্তি পাওয়া গেলে তার সুবিধাকে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হবে। ঘরে ঘরে সেই তাৎক্ষণিক প্রচার হয়ে যাবে নির্দিষ্ট সময়ে। সিদ্ধার্থ চক্রবর্তী নিজে বলছেন, সকলের কাছে পৌঁছাতে, তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগের জন্য এটি অনস্বীকার্য।
তিনি আরও বলেন, অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়াতেও এই সুযোগ সুবিধা পাওয়া যায় না। যা এই এআই প্রযুক্তিতে আছে। সকল রাজনৈতিক দলের কাছেই তিনি এই প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়ে বার্তা পাঠাচ্ছেন। অন্যান্য নেতারা আগ্রহ দেখালেও গ্রহণ করেননি। আক্ষেপ ধরা পড়েছে তাঁর গলাতে।
রাজনীতিবিদরা এই কর্মকাণ্ড গ্রহণ করতে চাননি। কিন্তু তাই বলে তিনি পিছিয়ে যাননি। নিজের এআই প্রচার ও জনসংযোগ শুরু করেছিলেন সিদ্ধার্থ। প্রথমে পরিবার ও বন্ধুবান্ধবদের কাছে এই বিষয়টি নিয়ে তিনি পৌঁছান। প্রতিক্রিয়া দেখেই সিদ্ধার্থ বুঝে ফেলেন এই প্রক্রিয়া কাজ করবে সাধারণ মানুষের উপর।
যেমন ভাবা তেমন কাজ। গত আট মাস ধরে এআই নিয়েই কাজ শুরু করেন ৩৬ বছরের সিদ্ধার্থ। প্রযুক্তিকে হাতিয়ার করেই তিনি মানুষের কাছে পৌঁছাতে শুরু করেন। নিজের নির্বাচনী কেন্দ্রেই তিনি কাজ শুরু করেন। তিনি দেখতে পান, রাজনৈতিক নেতা- বিধায়কদের সঙ্গে সাধারণ মানুষের একটা বিভাজন আছে।
মানুষ অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে তবে বিধায়কের কাছে পৌঁছাতে পারেন। মন্ত্রী তো অনেক দূরের বিষয়। Vako.AI'-তে, ভোটাররা হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটবক্সে একটি স্ক্যান কোডের মাধ্যমে প্রার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। একসঙ্গে দুই লক্ষেরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছানো যাবে। এমনই জানিয়েছেন সিদ্ধার্থ।
ভাসাভি কলেজ অফ ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে স্নাতক হয়েছেন সিদ্ধার্থ চক্রবর্তী। এরপর আমেরিকা থেকে এমএস। দেশে ফেরার আগে সিলিকন ভ্যালিতে কাজ করেছিলেন। ভারতবর্ষের ভোটের প্রচারে সম্ভবত এই প্রথম এআই- এর ব্যবহার। এমনই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।












Click it and Unblock the Notifications