Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

Telangana Assembly Election 2023: কেসিআর কি মুসলিম সমর্থন হারিয়েছেন? AIMIM-এর সঙ্গে সমীকরণে প্রশ্ন

Telangana Assembly Election 2023: একটা সময় ছিল যখন একে অপরের বিরোধী ছিলেন তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও এবং আসাদউদ্দিন ওয়েইসি। কে চন্দ্রশেখর রাও যখন আলাদা রাজ্যের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, সেই সময় AIMIM প্রধান ছিলেন অবিভক্ত অন্ধ্রপ্রদেশের কট্টর সমর্থক।

কিন্তু ২০১৪-তে পৃথক তেলেঙ্গানা গঠনের পরেই একে অপরের সহযোগী হয়ে ওঠেন কে চন্দ্রশেখর রাও এবং আসাদউদ্দিন ওয়েইসি। ১১৯ সদস্যের বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে কেসিআরের কোনও দলের সমর্থনের প্রয়োজন ছিল, সেই সময় এগিয়ে আসেন আসাদউদ্দিন ওয়েইসি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, আসলে বুদ্ধিমান রাজনীতিক কেসিআর বুঝতে পেরেছিলেন, রাজ্যের রাজধানী শহরে শাসনকে স্থায়ী করতে গেলে প্রভাবশালী মুসলিমদের প্রতিনিধিত্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। যে কারণে তাঁর এবং ওয়েইসির কাছাকাছি আসা শুরু।

কে চন্দ্রশেখর রাও এবং আসাদউদ্দিন ওয়েইসি দুজনেই কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। কংগ্রেস নয়, তিনিই আলাদা রাজ্য তৈরির মূল কারিগর, দাবি কেসিআরের। যা নিয়ে কংগ্রেসের সঙ্গে তাঁর রাজনৈতিক যুদ্ধ লেগেই রয়েছে। অন্যদিকে ওয়েইসির মূল ভিত্তি মুসলিম ভোট হারাতে নারাজ। আবার কংগ্রেসও মুসলিম ভোট দখলে রাখতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। যে কারণে কেসিআর এবং ওয়েইসি উভয়েই কংগ্রেসকে সাধারণ শত্রু হিসেবে দেখতে শুরু করেন।

অন্যদিকে ক্ষমতায় আসার পর থেকে কেসিআর মুসলিম ভোট দলের সঙ্গে রাখতে চেষ্টার কসুর করেননি। চাকরি ও শিক্ষায় ১২ শতাংশ সংরক্ষণের প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি ইস্তাম্বুলের মতো করে পুরনো শহর হায়দরাবাদকে সাজানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। আর প্রচারে এসে এই সংরক্ষণের প্রতিশ্রুতিকেই নিশানা করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বলেছিলেন, দল ক্ষমতায় এলে অবিভক্ত অন্ধ্রপ্রদেশে কংগ্রেসের চালু করা ৪ শতাংশ মুসলিম সংরক্ষণ বাতিল করা হবে।

বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে কংগ্রেস ওয়েইসিকে মোদী সরকারের বি টিম হিসেবে আক্রমণ করছে এবং তাতে সাফল্যেরও আশা করছে। মহারাষ্ট্র ও বিহারে মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় AIMIM ভোট কেটে বিজেপিকে সাহায্য করছে বলেও প্রচার করছে কংগ্রেস। এই একই প্রচারে প্রতিবেশী কর্ণাটকে সাফল্য পেয়েছে কংগ্রেস। কয়েকমাস আগে সেখানকার মুসলিম ভোট কংগ্রেসের ঝুলিতেই গিয়েছে। এই প্রবণতা তেলেঙ্গানার ক্ষেত্রেও হলে তা কেসিআরের পক্ষে উদ্বেগজনক হতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

কেসিআর নিজেকে রাজ্যে সাম্প্রদায়িক শান্তির বার্তাবাহক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছিলেন। যদিও তা মুসলিমদের কাছে তেমন বিশ্বাসযোগ্য বলে মনে হয়নি। অন্যদিকে হিজাব ইস্যু এবং তিন তালাক বিল রাজ্যসভায় পাশ হওয়ার সময় বিআরএসের অনুপস্থিতিও রক্ষণশীল মুসলিমদের চোখ এড়িয়ে যায়নি। বরং কেসিআরের প্রতি মুসলিম সম্প্রদায়ের সন্দেহ আরও তীব্র হয়েছে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

হায়দরাবাদ শহরের সাতটি বিধানসভা এলাকায় সংখ্যালঘু ভোটের হার ৫০ থেকে ৮৫ শতাংশ, অপর সাতটি বিধানসভা এলাকায় ২০-২৫ শতাংশ। শহরের বাইরে আরও অন্তত ত্রিশটি বিধানসভা এলাকায় মুসলিম ভোটদাতার সংখ্যা ১৫-২০ শতাংশ। ফলে অন্তত ৪৫ টি বিধানসভায় মুসলিমরা নির্ণায়কের ভূমিকায় রয়েছেন। সেই জায়গায় কেসিআরের বিআরএস মাত্র তিনটি আসনে মুসলিম প্রার্থী দিয়েছে।

এমনই পরিস্থিতিতে কেসিআর মুসলিম ভোট ফিরে পান কিনা এখন সেটাই দেখার।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+