ছাতা আঁকতে ব্যর্থ, ছাত্রদের বেধরক মার শিক্ষিকার স্বামীর
প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষিকার স্বামীর কাছে বেধরক মার খেল এক ছাত্র। কারণ? তার আঁকা পছন্দ হয়নি তার। আর এই কারণেই মার। ঘটনাটি শনিবার ওড়িশার বলঙ্গির জেলার জলপাই গ্রামে ঘটেছিল।
প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষিকার স্বামীর কাছে বেধরক মার খেল এক ছাত্র। কারণ? তার আঁকা পছন্দ হয়নি তার। আর এই কারণেই মার। ঘটনাটি শনিবার ওড়িশার বলঙ্গির জেলার জলপাই গ্রামে ঘটেছিল। অভিযুক্তের নাম সৌদাগর মেহের। অভিযুক্তের স্ত্রী লক্ষ্মী মেহের সেই স্কুলের শিক্ষিকা। তার লাঠির আঘাতে মোট ১০ জন ছাত্র জখম বলে অভিযোগ উঠেছে।

পুলিশের বক্তব্য
স্থানীয় থানার ইন্সপেক্টর ইন চার্জ বিনোদ বিহারী নায়ক এই বিষয়ে বলেন, "শনিবার রাতে আমরা আক্রান্ত ছাত্রের বাবা মায়ের থেকে একটি অভিযোগ পাই। এরপর একই রকম অভিযোগ পাই আরও তিন ছআত্রএর পরিবারের থেকে। আমরা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছি। খুব শীঘ্রই আমরা মামলায় পদক্ষেপ নেব।"

আক্রান্ত ছাত্রের পরিবারের দাবি
এদিকে আক্রান্ত ছাত্রের পরিবারের দাবি, স্কুলে আঁকার ক্লাস চলছিল। লক্ষ্মী মেহের ক্লাস নিচ্ছিলেন, আর তাঁর স্বামী সৌদাগর ক্লাসের বাইরে বসে ছিলেন। কয়েকজন ছাত্র ঠিকভাবে আঁকতে না পারায় হঠাৎ ক্লাসে ঢুকে তাদের মারতে থাকে সৌদাগর।

ছাত্রদের অভিযোগ
এক আক্রান্ত ছাত্র বলে, "টিচার আমাদের একটি ছাতার ছবি আঁকতে বলেন। কিন্তু আমরা যখন সেটা আঁকতে পারিনি তখন সৌদাগর স্যার এসে আমাদের লাঠি দিয়ে মারতে শুরু করেন। স্যারে মারে আমাদের অনেকেই আক্রান্ত হয়।"
|
অভিযুক্তের আচরণে লজ্জিত শিক্ষিকা
এদিকে স্বামীর এই আচরণে লজ্জিত ও দোষী বলে জানান শিক্ষিকা লক্ষ্মী। তিনি ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন, "আমাদের স্কুলের প্রধান শিক্ষক অনুপস্থিত থাকায় আমি ক্লাস নিচ্ছিলাম। আমার স্বামী সেখানে বিনা এক্তিয়ারে ছিলেন। তিনি এখানে সরকারি ভাবে পড়ান না। তবে সেদিন তিনি দুটো ক্লাসের খেয়াল রাখছিলেন একসঙ্গে। যখন ছাত্ররা একটু বিশৃঙ্খল হতে শুরু করে, তখন আমার স্বামী তাদের লাঠি দিয়ে মারতে থাকেন। আমার স্বামীর এই আচরণে আমার নিজেকে দোষী মনে হচ্ছে।"












Click it and Unblock the Notifications