উত্তর প্রদেশে মুসলিম সহপাঠীকে চড় মারতে বলেছিলেন শিক্ষিকা! আপাতত বন্ধ করে দেওয়া হল স্কুল
এই সপ্তাহের শুরুতে সংখ্যালঘু পড়ুয়াদের চড় মারতে হিন্দু পড়ুয়াদের বলছেন এক শিক্ষিকা। উত্তর প্রদেশের মুজফফরনগরের স্কুলের সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। তদন্তের জন্য সেই স্কুল বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা দফতর। স্কুল বন্ধ করতে নোটিশও দেওয়া হয়েছে।
কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, এই স্কুলে যেসব ছাত্রছাত্রীরা পড়াশোনা করত, তাদেরকে কাছের স্কুলে ভর্তি করিয়ে দেওয়া হবে। যাতে তাদের পড়াশোনার ক্ষতি না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মুজফফরনদর নেহা পাবলিক স্কুলের অধ্যক্ষ তৃপ্তা ত্যাগী যত গণ্ডগোলের পিছনে রয়েছেন। তিনি বাকি ছাত্রদের বলেছিলেন মুসলিম সেই ছাত্রকে চড় মারতে। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে. ছাত্রটি কাঁদতে থাকলে তার সহপাঠীরা পালাক্রমে তাঁকে চড় মারতে থাকে। ভিডিওতে দেখে গিয়েছে, ওই শিক্ষিকা ছাত্রদের বলছেন, জোরে আঘাত করার জন্য।
শিক্ষিকা অবশ্য তাঁর কাজের সাফাইও দিয়েছেন। তিনি এই ঘটনাটিকে ছোট ঘটনা বলেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তিবি আরও বলেছেন, শারীরিক অসুবিধার কারণেই তিনি ওই ছাত্রের সহপাঠীদের বলেছিলেন চড় মারতে। এর পিছনে অন্য কোনও উদ্দেশ্য ছিল না।
ওই শিক্ষিকা আরও দাবি করেছিলেন ওই ছাত্রের অভিভাবকরাই তাঁকে শাসন করতে বলেছিলেন। আর তা দেখতেই ওই শিশুটির এক আত্মীয় তা ভিডিও বন্দি করে। অন্যদিকে শিশু ও তাঁর অভিভাবকদের কাউন্সেলিং করে শিশু কল্যাণ কমিটি।
শিশুটির বাবা জানিয়েছেন, ঘটনাটি ২৪ অগাস্টের। শিশুর বয়স ৭ বছর। ওই শিক্ষিকাই তাঁদের সন্তানকে বারবার মারতে বাধ্য করেছেন। তাঁদের সন্তানকে একঘন্টার বেশি সময় ধরে নির্যাতন করা হয়। সে ভয় পেয়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছে, শিশুটির বাবা।












Click it and Unblock the Notifications