TCS Job Scam: টিসিএসে নিয়োগ দুর্নীতি! কয়েকশো কোটি টাকার কমিশন নিয়ে চাকরি দেওয়ার অভিযোগ, কড়া পদক্ষেপ সংস্থার
TCS Job Scam: চাকরি দেওয়ার নামে ঘুষ! এমনই অভিযোগ টাটা কনসালট্যান্সি সার্ভিসেস বা টিসিএসের বিরুদ্ধে। কয়েক হাজার চাকরিপ্রার্থীর কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে বিদ্ধ সংস্থাটির কয়েকজন সিনিয়র এগজিকিউটিভ।
অভিযোগ পেয়েই তদন্ত কমিটি গঠন করে টিসিএস। রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট গ্রুপের গ্লোবাল হেডকে পাঠানো হয়েছে ছুটিতে। আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে নেওয়া হলো কঠোর পদক্ষেপ।

একটি সংবাদমাধ্যমের দাবি, টিসিএসের চিফ এগজিকিউটিভ অফিসার ও চিফ অপারেটিং অফিসারের কাছে অভিযোগ জমা পড়ে। যাতে বলা হয়, টিসিএসের রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট গ্রুপের গ্লোবাল হেড ইএস চক্রবর্তী বিভিন্ন স্টাফিং ফার্মের থেকে বিপুল অঙ্কের কমিশন নিয়েছেন বছরের পর বছর ধরে।
এরপরই চিফ ইনফরমেশন সিকিউরিটি অফিসার অজিত মেননকে রেখে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গড়ে টিসিএস। কয়েক সপ্তাহ ধরে তদন্ত চালানোর পর অভিযুক্ত ইএস চক্রবর্তীকে ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। নিয়োগের দায়িত্বে থাকা রিক্রুটমেন্ট গ্রুপের চারজন এগজিকিউটিভকে বরখাস্ত করা হয়েছে। কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে তিনটি স্টাফিং ফার্মকে।

নিয়োগ দুর্নীতির জাল কতটা গভীরে, কতজন বেআইনিভাবে নিয়োগপত্র পেয়েছেন সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনও সামনে আসেনি। তবে জানা গিয়েছে, দুর্নীতিতে যুক্তরা কমিশন বাবদ অন্তত ১০০ কোটি টাকা আদায় করেছেন। স্টাফিং ডিভিশনের প্রধান ১৯৯৭ সালে সংস্থাটিতে যোগ দিয়েছিলেন। সিওএ নটরাজন গণপতির অধীনে কর্মরত ছিলেন।

রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট গ্রুপকে সংক্ষেপে আরএমজি (RMG) বলা হয়। এখানে কর্মরত ৩ হাজারজন। বিভিন্ন প্রজেক্ট মিলিয়ে এর মাধ্যমে দৈনিক ১৪০০ ইঞ্জিনিয়ারকে বিভিন্ন জায়গায় প্লেসমেন্ট দেওয়া হয়, যাঁদের মধ্যে থাকেন নতুন রিক্রুটরাও। গত বছর রাজস্ব বাবদ টিসিএস ২৭.৯৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করেছে। কর্মীর সংখ্যা ৬ লক্ষ ১৪ হাজার ৭৯৫।
রেফারাল প্রোগ্রাম ও স্টাফিং ফার্মের মাধ্যমে টিসিএস কর্মী নিয়োগ করে থাকে। ১ জুন কে কৃতিবাসন টিসিএসের সিইও হন। তারপরই এই বড় ধরনের কেলেঙ্কারির কথা সামনে এলো। গত তিন বছরে সংস্থাটি ৩ লক্ষ কর্মী নিয়োগ করেছে। যদি ধরা যায় ১০ শতাংশ নিয়োগ স্টাফিং ফার্মগুলি কমিশন দিয়ে করিয়েছে তাহলেও দুর্নীতির পরিমাণ ১০০ কোটির গণ্ডি স্পর্শ করবে।












Click it and Unblock the Notifications