রামমন্দির নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য বিহারের শিক্ষামন্ত্রীর! এর আগে রামচরিতমানসকে তুলনা করেন সায়ানাইডের সঙ্গে
অযোধ্যার রামমন্দিরের উদ্বোধন ২২ জানুয়ারি। যা নিয়ে প্রস্তুতি তুঙ্গে। তবে তার আগে বিহারের নীতীশ কুমার মন্ত্রিসভার শিক্ষামন্ত্রীর মন্তব্যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সাংবাদিকদের সামনে বিহারের মন্ত্রী চন্দ্রশেখর প্রশ্ন করেছেন, আপনি আহত হলে কোথায় যাবেন, মন্দির না হাসপাতাল? শিক্ষা চাইলে, অফিসার হতে গেলে স্কুলে না মন্দিরে যাবেন? বিহারের এই মন্ত্রী জনগণকে ছদ্ম হিন্দুবাদ ও ছদ্ম জাতীয়তাবাদ সম্পর্কে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
লালু প্রসাদ যাদবের দল আরজেডির বিধায়ক ফতে বাহাদুর সিং-এর প্রতি সমর্থন জানিয়ে চন্দ্রশেখর বলেছেন, বিধায়ক যে কথা বলেছেন, সেই একই কথা বলেছিলেন সাবিত্রী বাই ফুলে। তিনি প্রশ্ন করেছেন, এখানে ভুল কী? শিক্ষা কি প্রয়োজনীয় নয়? তারপরেই তিনি সবাইকে ছদ্ম হিন্দুবাদ ও ছদ্ম জাতীয়তাবাদ থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। প্রসঙ্গত ফতে বাহাদুর সিং শিক্ষার গুণ নিয়ে প্রশংসা করতে গিয়ে মন্দিরের প্রতি অসম্মান করেছিলেন বলে অভিযোগ।

বিহারের শিক্ষামন্ত্রী দাবি করেছেন, যেসব সাইটগুলি রয়েছে, সেগুলি শোষণের জায়গায় পরিণত হয়েছে। সমাজের কিছু ষড়যন্ত্রকারীর পকেট ভর্তির ব্যবস্থা করা হয়েছে। তিনি বলেছেন, যখন ভগবান রাম আমাদের প্রত্যেকের মধ্যে এবং সর্বত্র বাস করেন, তখন তাঁকে খুঁজতে যাবেন কোথায়? তবে বিহারের শিক্ষামন্ত্রী এই প্রথম বিতর্ক তৈরি করেননি, এর আগে তিনি সেপ্টেম্বরে রামচরিত মানসকে পটাসিয়াম সায়ানাইডের সঙ্গে তুলনা করে বিতর্ক তৈরি করেছিলেন।
১৪ সেপ্টেম্বর হিন্দি দিবসের অনুষ্ঠানের বক্তৃতা করতে গিয়ে এই আরজেডি নেতা বলেছিলেন, যদি আপনি ৫৬ ধরনের খাবার পরিবেশন করেন এবং সেগুলিতে পটাশিয়ার সায়ানাইড মিশ্রিত করেন, আপনি কি সেগুলি খাবেন? একই কথা হিন্দু ধর্মের ধর্মগ্রন্থগুলির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য বলে মন্তব্য করেছিলেন তিনি। সেই সময় বিহারের মন্ত্রী চন্দ্রশেখরের তীব্র সমালোচনা করেছিলেন অনেকেই। অন্যদিকে তিনিই সর্বশেষ বিরোধী নেতা যিনি রামলালা সম্পর্কে অশালীন মন্তব্য করলেন।
সাম্প্রতিক সময়ে এনসিপি নেতা জিতেন্দ্র আওহাদ রামলালাকে আমিষভোজী বলে বিতর্ক তৈরি করেছিলেন। এছাড়া চন্দ্রশেখরের দল আরজেডি শীর্ষ নেতা তেজস্বী যাদব ভগবান রাম সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন। ৪ জানুয়ারি এক জনসভায় ভাষণ দেওয়ার সময় তিনি বলেছিলেন, লোকেরা আহত কিংবা অসুস্থ হলে মন্দির নয়, হাসপাতালে যাবে। তিনি কোনও ধর্মের বিরুদ্ধে নয় বলে মন্তব্য করে তেজস্বী বলেছিলেন, দেশের রং পরিবর্তনের চেষ্টা চলছে।












Click it and Unblock the Notifications