বিহারকে জঙ্গলরাজ ও পল্টুরাম মুক্ত করার ডাক! দলীয় সমাবেশে অনগ্রসর 'তাস' অমিত শাহের
বিহার যেন জঙ্গলরাজ ও পল্টুরাম মুক্ত হয়। বিহারের মুজাফফরপুরে দলীয় সমাবেশে ভাষণ দিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিহারের মামুষকে ছট পুজোর শুভেচ্ছা জানান। পাশাপাশি তিনি বলেন, তিনি ছট মাইয়াদের কাছে প্রার্থনা করছেন বিহার যেন জঙ্গলরাজ ও পল্টুরাম মুক্ত হয়। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তিনি বিহারের ৪০ টি আসনেই বিজেপিকে জেতানোর আহ্বান জানান।
এদিন অমিত শাহের মূল লক্ষ্য ছিলেন নীতীশ কুমার। তাঁকে লক্ষ্য করে অমিত শাহ বলেন, নীতীশ কুমারকে ইন্ডিয়া ব্লকের সমন্বয়ক করা হয়নি। সে চলে যেতে চায়। কিন্তু পথ খুঁজে পাচ্ছে না। তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ লালু যাদবের জঙ্গলরাজ থেকে বাঁচতে বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন। কিন্তু পল্টুরাম টেবিল ঘুরিয়ে জনগণের আদেশ ভঙ্গ করেছেন।

তিনি কটাক্ষ করে বলেন, পল্টুরাম প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ম্যান্ডেটের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। আগামী দিনে বিহার জঙ্গলরাজ থেকে মুক্ত হোক এবং পল্টুরাম মুক্ত হোক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, তিনি পল্টুবাবুকে বলতে এসেছেন, প্রধানমন্ত্রী মোদী গত নয় বছরে দেশ থেকে সন্ত্রাসবাদ নির্মূল করতে কাজ করেছেন। তিনি বলেন, আরজেডি এবং জেডিইউ জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা সরানোর পক্ষে নয়। বলা হয়েছিল ৩৭০ ধারা তুলে দিলে রক্তগঙ্গা বইবে, কিন্তু নুড়ি ছুড়তেও সাহস পায়নি কেউ। সেখান থেকে সন্ত্রাস পুরোপুরি নির্মূল করা হচ্ছে, বলেন তিনি।
বিরোধীদের ইন্ডিয়া ব্লক নিয়েও কটাক্ষ করেন অমিত শাহ। তিনি বলেন, ইন্ডিয়া ব্লকের একটা অ্যাজেন্ডা, তা হল মোদী বিরোধিতা। দুর্নীতিকে সমর্থনকারী নীতীশ কুমার আজ এইসব লোকের সঙ্গে বসে ক্ষমতার আনন্দ উপভোগ করছেন। তিনি বলেন, এরা পারিবারিক দোকান চালাচ্ছেন। একজন প্রধানমন্ত্রী হতে চায়, আর একজন ছেলেকে মুখ্যমন্ত্রী করতে চায়।
বিহারের জাত শুমারি নিয়ে অমিত শাহ বলেন, রাজ্যের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর এর ফাঁদে পা দেওয়া উচিত নয়। তিনি বলেন, যখন জাত শুমারির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তখন বিহারে বিজেপির সঙ্গে জেডিইউ সরকার ছিল। তিনি বলেন, জাত শুমারিতে যাদব ও মুসলিম জনসংখ্যায় বাড়াবাড়ি করা হয়েছে, অন্যদিকে অনগ্রসর এবং অত্যন্ত অনগ্রসর শ্রেণির প্রতি অবিচার করা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারের ২৭ জন মন্ত্রী ওবিসি সম্প্রদায়ের। এছাড়াও ওবিসি কমিশনকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। তিনি লালু যাদবের উদ্দেশে প্রশ্ন করে বলেন, ১০ বছর ইউপিএ সরকারে থাকলেও কেন ওবিসি কমিশনকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি?












Click it and Unblock the Notifications