করোনা আক্রান্ত খুঁজতে নজরকাড়া পদ্ধতি, দেশের একমাত্র হিসেবে মমতাকে টেক্কা দক্ষিণের রাজ্যের
সারা দেশেই বাড়ছে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা। ব্যতিক্রম নয় কোনও রাজ্য। তার সঙ্গে যদি জুড়ে যায় তবলিঘ-ই-জামাতের নাম তাহলে তো কথাই নেই। সেই রাজ্যে আক্রান্তের পাশাপাশি মৃতের সংখ্যাও বাড়ছে দ্রুতগতিতে।
সারা দেশেই বাড়ছে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা। ব্যতিক্রম নয় কোনও রাজ্য। তার সঙ্গে যদি জুড়ে যায় তবলিঘ-ই-জামাতের নাম তাহলে তো কথাই নেই। সেই রাজ্যে আক্রান্তের পাশাপাশি মৃতের সংখ্যাও বাড়ছে দ্রুতগতিতে। তেমনই একটি রাজ্য হল তামিলনাড়ু। করোনা আক্রান্তদের খুঁজে বের করতে নেওয়া হয়েছে নতুন পদ্ধতি।

ঘরে ঘরে গিয়ে সমীক্ষা
গ্রেটার চেন্নাই কর্পোরেশন স্বাস্থ্যকর্মীদের নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক সমীক্ষার কাজ। তাঁরা শহরের সব কটি বাড়িতে যাবেন। খুঁজে বের করবেন জ্বর, ফ্লু কিংবা করোনা ভাইরাসের অন্য উপসর্গে পড়ে থাকা ব্যক্তিদের। আগামী ৯০ দিন সময়ে প্রায় ১০ লক্ষ বাড়িতে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই কাজে সাহায্য করবেন প্রায় ১৬ হাজার স্বাস্থ্যকর্মী।

শহরকে ভাগ করা হয়েছে বিভিন্ন ক্লাস্টারে
এই কাজের জন্য চেন্নাই শহরকে ১৩,১০০ টি ক্লাস্টারে ভাগ করা হয়েছে। এক একটি ক্লাস্টারে ৭৫ থেকে ১০০ টি বাড়ি রাখা হয়েছে। রাজ্যের মন্ত্রী এসপি ভেলুমনি জানিয়েছেন প্রত্যেক দিন ধরে আগামী ৯০ দিন এই কাজ করা হবে।

চিকিৎসা পদ্ধতি
কর্পোরেশনের চিকিৎসকরা প্রথমে সাধারণ এইসব রোগীর চিকিৎসা করবেন। যদি পরবর্তী কোনও চিকিৎসার প্রয়োজন হয়, তাহলে নিকটবর্তী সরকারি হাসপাতালে তাঁদের পাঠানো হবে। প্রত্যেক দিনের পর্যবেক্ষণের পরে তা ডেটাবেসে তোলা হবে।

সমীক্ষকদের বিশেষ ট্রেনিং
যেসব কর্মী এই সমীক্ষার কাজ চালাবেন, তাঁদের বিশেষ ট্রেনিং দেওয়া হবে। তাঁদের সেফটি কিটসও দেওয়া হবে। ইতি মধ্যেই ১১.৫ লক্ষ মাস্কের অর্ডার দেওয়া হয়েছে। এইসব কর্মীকে মাসে দেওয়া হবে ১৫ হাজার টাকা করে।
সারা দেশে মহারাষ্ট্রের পরেই বেশি আক্রান্তদের তালিকায় রয়েছে তামিলনাড়ু। রবিবার সকাল পর্যন্ত পাওয়া হিসেব অনুসারে ৪৮৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এঁদের মধ্যে চিকিৎসাধীন ৪৭৪ জন। ৮ জন সুস্থ হয়ে গিয়েছেন এবং ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications