কর্নাটকের থেকে শিক্ষা নিয়ে মহারাষ্ট্রে এগোচ্ছে বিজেপি
গতকালই ১৬২ জন বিধায়ককে একসঙ্গে প্রকাশ্যে এনে শক্তি প্রদর্শন করেছে শিবসেনা-কংগ্রেস-এনসিপি। সঞ্জয় রাউতের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, আস্থা ভোটে হার হবে বিজেপির।
গতকালই ১৬২ জন বিধায়ককে একসঙ্গে প্রকাশ্যে এনে শক্তি প্রদর্শন করেছে শিবসেনা-কংগ্রেস-এনসিপি। সঞ্জয় রাউতের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, আস্থা ভোটে হার হবে বিজেপির। গত বছর অনেকটা এরকমই ঘটনা ঘটেছিল কর্নাটকে। সরকার গড়লেও শেষ পর্যন্ত আস্থা ভোটে জিততে না পারার কারণে পদত্যাগ করতে হয়েছিল ইয়েদুরাপ্পাকে।

শিবসেনার শক্তি প্রদর্শন
এখনও একজোট রয়েছে শিবসেনা-কংগ্রেস-এনসিপি। গতকাল মুম্বইয়ের হোটেলে ১৬২ জন বিধায়ককে প্রকাশ্যে এনেছে শিবসেনা। এদিকে বিজেপির কাছে এখন মাত্র রয়েছে ১১৯ জন বিধায়ক। আজই আস্থাভোট করাতে বললে বিজেপি যে সমূহ সংকটে পড়বে তা প্রকাশ্যে এসে গিয়েছে। মহারাষ্ট্রের পরিস্থিতি এখন অনেকটা কর্নাটকের মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে।

কর্নাটক সংকট
২০১৮ সালের মে মাসে ঠিক এমনই ঘটনা ঘটেছিল কর্নাটকে। একক বৃহত্তম দল দাবি করে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছিলেন বি এস ইয়েদুরাপ্পা। রাজ্যপাল ১৫ দিনের মধ্যে তাঁকে সংখ্যা গরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে বলেছিল। তার প্রতিবাদে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল কংগ্রেস-জেডিএস জোট। প্রায় মধ্যরাতে বিজেপিকে সংখ্যা গরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে বলে আদালত। কিন্তু আস্থা ভোট করানোর আগেই পদত্যাগ করেন ইয়েদুরাপ্পা। তার কারণ বিজেপির কাছে আস্থা ভোটের জেতার মতো পর্যাপ্ত সমর্থন ছিল না।

মহারাষ্ট্রেও কী কর্নাটকের ছায়া
তাহলে কী মহারাষ্ট্রেও ঘটতে চলেছে সেই ঘটনা। গতকাল শিবসেনার শক্তি প্রদর্শন সেকথাই মনে করিয়ে দিচ্ছে। ইতিমধ্যেই বিজেপি শিবিরে আস্থাভোট নিয়ে উদ্বেগ শুরু হয়ে গিয়েছে। আজ সুপ্রিম কোর্ট আস্থাভোট করাতে বললে ফড়নবিশরা কী করবেন সেটাই বুঝে উঠতে পারছে না বিজেপি। কারণ এখন যে পরিস্থিতি মহারাষ্ট্রে তৈরি হয়েছে তাতে ঘোড়া কেনাবেচার খুব একটা সুযোগ বিজেপি পাবে না। কারণ শিবসেনা-কংগ্রেস-এনসিপি তিন রাজনৈতিক দলই তাঁদের বিধায়কদের উপর কড়া নজর রেখে চলেছেন। সেকারণেই হয়তো আস্থা ভোটের জন্য আদালতের কাছে আরও সময় চাইতে চলেছে বিজেপি।












Click it and Unblock the Notifications