দাঁতে হচ্ছে রক্তক্ষরণ, শুকিয়ে যাচ্ছে স্যালাইভা! দীর্ঘক্ষণ মাস্ক পড়ার অভ্যাস ডেকে আনছে বড় বিপদ
দাঁতে হচ্ছে রক্তক্ষরণ, শুকিয়ে যাচ্ছে স্যালাইভা! দীর্ঘক্ষণ মাস্ক পড়ার অভ্যাস ডেকে আনছে বড় বিপদ
দ্বিতীয় ঢেউয়ের পর ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে চোখ রাঙাচ্ছে করোনার তৃতীয় পর্বের সংক্রমণ। এদিকে টিকাকরণ দ্রুত গতিতে চললেও করোনাকে বাগে আনতে মাস্ক ও কোভিড বিধি পালন ছাড়া কোনও বিকল্প নেই বলে স্পষ্টতই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ মাস্ক পড়ে থাকার ফলে ক্রমেই বাড়ছে দাঁত ও মাড়ির সমস্যা। যা জনমানসে নতুন উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ফুলে যাচ্ছে মাড়ি, হচ্ছে রক্তক্ষরণ
কিন্তু মারণ ভাইরাসকে ঠেকাতে মাস্কের কোনও জুড়ি নেই বলেও মানছেন সকলে। এমনকী মাস্ক না পড়লে জরিমানাও চলছে একাধিক রাজ্যে। এমনকী উচ্চমানের সুরক্ষার জন্য অনেক ভাইরাসবিদ বর্তমানে ডাবল মাস্কিংয়ের উপর জোর দিচ্ছেন। কিন্তু তারফলে মুখের সমস্যা ক্রমেই বাড়ছে বলে জানাচ্ছেন দন্ত রোগ বিশেষজ্ঞরা। দীর্ঘক্ষণ মাস্ক পরার কারণে মাড়ি ফুলে যাওয়া, মাড়ি থেকে রক্তক্ষরণ হচ্ছে।

ডাবল মাস্কিংয়ে আরও বাড়ছে সমস্যা
এই প্রসঙ্গে ডঃ এ রামচন্দ্রনের ডায়াবেটিস হাসপাতালের পরিচালক ও পরামর্শক পিরিয়ডনিস্ট ভিনিথা রামচন্দ্রন উদাহরণ দিয়ে বলছেন করোনার আগেও কাজের সূত্রে যে সমস্ত প্যারামেডিক্যাল স্টাফেরা দীর্ঘ সময় ধরে মাস্ক পড়ে থেকেছেন, বা কর্মক্ষেত্রে সুরক্ষার কারণেই, সংক্রমণ এড়াতে অনেকেই দীর্ঘক্ষণ ডাবল মাস্ক পড়ে থাকেন সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে তাদের ডিহাইড্রেশন এবং মুখের ভিতরের অংশ শুকিয়ে যাওয়ার কারণে একাধিক সমস্যা বাড়তে থাকে।

শুকিয়ে যাচ্ছে স্যালাইভা
চিকিত্সকদের মত মাস্ক পরে থাকলে মানুষ মুখ দিয়ে জোরে শ্বাস নিচ্ছেন। আর মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার কারণে মুখ শুকিয়ে যাচ্ছে। ডাবল মাস্কিংয়ের ক্ষেত্রে সমস্যা আরও ঘোরতর। এদিকে মুখ শুকিয়ে যাওয়ার কারণে স্যালাইভা বা থুথু মুখের মধ্যেই শুকিয়ে যাচ্ছে। নতুন করে তৈরিও হচ্ছে না। কিন্তু এই স্যালাইভা বহিরাগত ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে লড়াই করে দাঁত, মাড়ি ও মুখের ভিতরের অংশকে সুরক্ষিত রাখে।

৫০ শতাংশ রোগীর ক্ষেত্রে একই সমস্যা
সম্প্রতি আমেরিকার এক সমীক্ষায় এই বিষয়ে উদ্বেগজনক তথ্যও সামনে এসেছে। পাশাপাশি এক সাক্ষাৎকারে চিকিৎসক রব রেমন্ডি জানান প্রায় যে সমস্ত রোগীদের মধ্যে সাম্প্রতিককালে এই সমস্যা দেখা দিয়েছে তাদের মধ্যে ৫০ শতাংশ রোগীর ক্ষেত্রেই দীর্ঘক্ষণ মাস্ক পড়ার অভ্যাস রয়েছে। যদিও করোনা দূর না হওয়া পর্যন্ত এই সমস্যা থেকে পাকাপাকি উত্তরণের পখ না থাকলেও মুখের স্বাস্থ্যোন্নতিতে জোর দিতে দিনে দু-বার ব্রাশ করার পরামর্শ দিচ্ছেন সকলেই।












Click it and Unblock the Notifications