ভুয়ো খাবারের দোকানে ভরে যাচ্ছে সুইগি জোমাটো, সমস্যায় গ্রাহকরা
ভুয়ো খাবারের দোকানে ভরে যাচ্ছে সুইগি জোমাটো, সমস্যায় গ্রাহকরা
নববর্ষের প্রাক্কালে নয়ডার সেক্টর ১৪৩ এর বাসীন্দা ১১ বছরের সাইশা ব্ল্যাক ফরেস্ট কেক খাওয়ার আবদার করে। সেইমতোই, কাছাকাছি একটি কেকের দোকান থেকে সুইগি মারফত অর্ডার করা হয় জিভে জল আনা ব্ল্যাক ফরেস্ট। কিন্তু সাইশার সমস্ত আশায় জল ঢেলে আধ ঘন্টা বা তার কিছু পরেই, সুইগির তরফ থেকে ডেলিভারি বয়টি ক্ষমাপ্রার্থনা করে ফোনে জানান, ওই ধরনের বা ওই নামের কোনো দোকানই নির্দেশিত স্থানে পাওয়া যাচ্ছেনা, ম্যাপ দেখে সেই স্থানে পৌঁছালেও নির্দিষ্ট দোকানটির কোনো হদিশ মেলেনি।

সুইগির একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, অন্তত ৪-৫ জন ডেলিভারি বয় দোকানটির সন্ধান করলেও কোনো লাভ হয়নি, শেষমেশ অর্ডারটি বাতিল করতে হয়েছে তাদের।
এখন প্রশ্ন উঠছে, যদি রেস্তোরাঁ বা খাবারের দোকান গুলি বন্ধ ও হয়ে যায়, তবে গ্রাহকের কাছে সেই দোকান দৃশ্যমানই বা হচ্ছে কীভাবে এবং সফল ভাবে অর্ডার গ্রহণই বা সম্ভব হচ্ছে কীভাবে? এদিকে বেশিরভাগ গ্রাহকই এই অব্যবস্থার জেরে চরম সমস্যার মুখে পড়ছেন। কখনো লাঞ্চ বা ডিনারের জন্য দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পরেও ক্যান্সেল হয়ে যাচ্ছে অর্ডার।
অন্যদিকে, কেবল সুইগি নয়, জোমাটোকে ঘিরেও উঠছে একই অভিযোগ। কীভাবে এমন ভুঁয়ো, বন্ধ দোকান গুলি অ্যাপে জ্বলজ্বল করছে তা নিয়ে রয়েই যাচ্ছে প্রশ্ন। এদিকে ব্যবহারকারীরা অধিকাংশ সময়েই এর জেরে পড়ছেন বিপাকে। সুইগি এবং জোমাটোর তরফে এই বন্ধ ভুয়ো দোকানগুলিকে শীঘ্রই সনাক্তকরণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানা যাচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications