বাংলায় সাংসদ-বিধায়করা সমর্থন দিলেও রাজ্যভাগে না শুভেন্দুর! কী অবস্থান বিজেপির
শুভেন্দু অধিকারী ত্রিপুরা ভোট প্রচারে গিয়ে রাজ্যভাগের বিরোধিতা করেন। তিনি বলেন, বিজেপি বিভাজন চায় না।
বাংলায় বিজেপির সাংসদ ও বিধায়করা মাঝেমধ্যেই পৃথক রাজ্যের দাবি তুলছেন। ইচ্ছা হলেই বিভাজনের রাজনীতিকে সামনে আনছেন তাঁরা। উত্তরবঙ্গ হোক বা রাঢ়বঙ্গ, কিংবা গোর্খাল্যান্ড হোক বা কামতাপুরীকে সমর্থন নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই ত্রিপুরায় গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট করে দিলেন তাঁরা পৃথক রাজ্য চান না।
ত্রিপুরায় পৃথক রাজ্য চায় টিপ্রামোথা। টিপ্রাল্যান্ডের দাবি মেনে না নেওয়া বিজেপির সঙ্গে তাদের জোট আলোচনা ভেস্তে যায় বলে বলে খবরে প্রকাশ। টিপ্রাল্যান্ড নিয়ে লিখিত সম্মতি চেয়েছিলেন প্রদ্যোৎকিশোর মাণিক্য দেববর্মা, কিন্তু বিজেপি তা দেয়নি, তাই জোট আলোচনা ভেস্তে বিজেপি আইপিএফটির সঙ্গে সমঝোতা করেই ভোটে লড়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

মঙ্গলবার বাংলার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ত্রিপুরা ভোট প্রচারে গিয়ে রাজ্যভাগের বিরোধিতা করেন। তিনি বলেন, বিজেপি বিভাজন চায় না। চায় না রাজ্য ভেঙে টুকরো টুকরে হয়ে যাক। বিজেপি ঐক্যের পক্ষে। আপনারাও তাই চান তো! এদিন তাঁর বক্তব্যে শুভেন্দু স্পষ্ট করে দেন বিভাজনের পক্ষে নন তিনি। বিজেপিও বিভাজনের পক্ষে নয় বলে সওয়াল করেন শুভেন্দু অধিকারী।
প্রসঙ্গত বঙ্গ বিভাজনের কথা ওঠাই স্বাভাবিক। কেননা বারবার বাংলা ভেঙে উত্তরবঙ্গ, রাঢ়বঙ্গ গড়ার কথা বলেছেন বিজেপির সাংসদরা। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জন বার্লা থেকে শুরু করে সৌমিত্র খাঁ-সহ বিধায়করা বিভাজনের দাবি তুলেছেন। আবার গোর্খাল্যান্ড ও কামতাপুরীর দাবিতেও সমর্থন দিয়েছেন বিজেপির সাংসদ-বিধায়করা।
এখন ত্রিপুরায় গিয়ে বিভাজনের বিরোধিতায় দ্বিচারিতার অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। দাবি উঠেছে রাজ্যভাগ নিয়ে বিজেপির কী অবস্থান তা কেন্দ্র ও রাজ্য সহমতের ভি্ত্তিতে জানাক। রাজ্যভাগ বা বিভাজন নিয়ে অযথা যেন রাজনীতি না করা হয়।
এদিনই বঙ্গভঙ্গ নিয়ে এদিন মুখ খুলেছেন বিজেপির পরিষদীয় দলের মুখ্য সচেতক মনোজ টিগ্গা। তিনি উত্তরবঙ্গের বিধায়ক। তিনি বিধানসভায় বলেছেন, রাজ্যের পরিষদীয় বিজেপির রাজ্যভাগ নিয়ে কোনও অ্যাজেন্ডা নেই। দলের এমন কোনও অবস্থান নেই। যে সাসংদ ও বিধায়করা এই দাবি করছে, সেটা তাদের ব্যক্তিগত মত।
এদিন সদ্য দলত্যাগী বিধায়ক সুমন কাঞ্জিলালও বিজেপি ছাড়ার অন্যতম কারণ হিসেবে পৃথক উত্তরবঙ্গ রাজ্যের দাবিকে তুলে ধরেন। সুমন কাঞ্জিলাল জানান, আজ অবধি বিজেপির রাজ্য এবং কেন্দ্র নেতৃত্ব এক মঞ্চে এসে কোনোদিনই তা সরাসরি বলেননি। অথচ স্থানীয় কিছু সংসদ এবং বিধায়ক মানুষের ভাবাবেগকে নিয়ে হাওয়া গরম করার চেষ্টা করছে। আমি বলব বিজেপির রাজ্য এবং কেন্দ্রের নেতৃত্ব একসাথে এসে বসে এর একটা সুস্পষ্ট জবাব দিক।
-
খড়্গপুর সদরের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিলীপ ঘোষের, সঙ্গী শুভেন্দু অধিকারী -
আরও একটি সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন, আর কত নাম নিষ্পত্তি হওয়া বাকি? -
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে অনির্দিষ্টকালের জন্য থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত -
দাগি নেতাদের নিরাপত্তা কাটছাঁট কতটা মানল পুলিশ? স্টেটাস রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন -
পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ভোটের আগে তৃণমূলের দুই হেভিওয়েট নেতাকে ইডির তলব -
ভোটের আগেই কমিশনের কড়া নির্দেশ! অনুমতি ছাড়া জমায়েত নয়, নিয়ম ভাঙলেই গ্রেফতার, রাজ্যজুড়ে জারি কঠোর নির্দেশ -
এপ্রিলে শক্তিশালী ত্রিগ্রহী যোগ, শনি-সূর্য-মঙ্গলের বিরল মিলনে কাদের থাকতে হবে সতর্ক? -
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ! MRI Scan-এর খরচ আকাশছোঁয়া হতে পারে, বিপাকে পড়তে পারেন রোগীরা -
অমিত শাহের রাজ্যে থাকার ঘোষণায় তীব্র কটাক্ষ মমতার, বললেন, যত বেশি থাকবে, তত ভোট কমবে











Click it and Unblock the Notifications