খোদ বিজেপির মুখ্যমন্ত্রীর ঠিকা কাজে বাংলাদেশের সেনা অফিসার! পুলিশি জেরায় চাঞ্চল্যকর তথ্য
ত্রিপুরায় গ্রেফতার বাংলাদেশের এক সেনা অফিসার। ছদ্মনামে যিতি ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। নিজেকে রাজু চৌধুরী বলে দাবি করলেও, পুলিশ জানিয়েছে তার আসল নাম আজম খান। বাংলাদেশ সেনার কমান্ডার সে।
ত্রিপুরায় গ্রেফতার বাংলাদেশের এক সেনা অফিসার। ছদ্মনামে যিতি ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। নিজেকে রাজু চৌধুরী বলে দাবি করলেও, পুলিশ জানিয়েছে তার আসল নাম আজম খান। বাংলাদেশ সেনার কমান্ডার সে। পশ্চিম ত্রিপুরার অ্যাডিশনার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সর্বজিৎ চৌধুরীর এজলাসে হাজির করানো হলে, তার জামিন মঞ্জুর করা হয়।

একটি সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী সদর মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সুমন মজুমদার জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট সূত্রে খবর পাওয়ার পর আখাউরা রোড থেকে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের দাবি, জেরায় ধৃত জানিয়েছে, বাংলাদেশ সেনায় সে কাজ করত। কিন্তু ট্রেনিং চলাকালীন সে তা ছেড়ে দেয়।
এসডিপিও জানিয়েছেন, নিজেকে বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে স্বীকার করে নিয়েছে রাজু চৌধুরী ওরফে আজম খান। একসময়ে বাংলাদেস সেনাতেও কাজ করেছে সে। সেনাবাহিনীর ট্রেনিং চলাকালীন সে তা ছেড়ে দেয় এবং আন্তর্জাতিক সীমানা পেরিয়ে ত্রিপুরায় প্রবেশ করে।
অন্যদিকে, রাজ্য পুলিশের অপর এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ধৃত একজন সরকারি ঠিকেদার। এবছরের শুরুতে মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে তার অধীনে বেশ কিছু কাজও হয়েছে।
এডিপিও জানিয়েছেন, ধৃত ব্যক্তি এক ভারতীয় মহিলাকে বিয়ে করেছেন। তাদের একটি সন্তানও রয়েছে। রাজভবন, গোবিন্দ বল্লভ পন্থ হাসপাতাল-সহ একাধিক জায়গায় সে ঠিকাদারির কাজও করেছে। গুপ্তচর বৃত্তিতে সে জড়িয়ে আছে কিনা তা খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন এসডিপিও।
যদিও, ধৃতের আইনজীবী মৃণালকান্তি বিশ্বাসের দাবি, তাঁর মক্কেল বাংলাদেশি নাগরিক নন। দীর্ঘদিন আগে, ১৯৫৭ সালে তাঁর বাবা ভারতে এসেছেন, সেই প্রমাণপত্র রয়েছে। স্ত্রী নাসিমা খাতুনের অভিযোগের ভিত্তিতে তার মক্কেল ত্রিপুরা হাইকোর্টে বিচারের সম্মুখীনও হয়েছে।
ধৃতের আইনজীবীর আরও দাবি, হাইকোর্টের বিচারপতি অরিন্দম লোধ বিচার চলাকালীন বলেছেন, রাজু চৌধুরী ওরফে আজম খানের কাছে আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, প্যান কার্ড এবং পার্মানেন্ট রেসিডেন্স সার্টিফিকেটও রয়েছে। যার সবকটিই আসল।












Click it and Unblock the Notifications