Supreme Court: আজ নোট বাতিল নিয়ে করা মামলার রায় ঘোষণা সুপ্রিম কোর্টে
Supreme Court: আজ নোট বাতিল নিয়ে করা মামলার রায় ঘোষণা সুপ্রিম কোর্টে
সুপ্রিম কোর্টে আজ নোটবাতিল মামলার রায়দান হবে। ২০১৬ সালে মোদী সরকার ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট বাতিল করেন। তার প্রতিবাদে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। সেই মামলার দীর্ঘ শুনানিনর পর অবশেষে আজ রায়দান করা হবে। শীতকালীন ছুটির জন্য মামলার রায়দান স্থগিত রাখা হয়েছিল। আজ থেকে ফের শুরু হয়ে যাচ্ছে আদালতের কাজকর্ম। সেকারণে আদালত খোলার প্রথম দিনেই এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

নোট বাতিল মামলার রায়দান
সুপ্রিম কোর্টে আজ নোটবাতিল মামলার রায়দান। ৫ বিচারপতির বেঞ্চে শুনানি হওয়ার কথা। সেই বেঞ্চে রয়েছেন বিচারপতি এসএ নাজির, ৪ জানুয়ারি অবসর নেওয়ার কথা তাঁর। এই মামলায় আরও দুটি রায়দান আজই হওয়ার কথা। বিচারপতি বিআর গোভাই এবং বিচারপতি বি ভি নাগারাথনা এই রায় দেবেন। দুটি পৃথক রায়দান করার কথা রয়েছে আজ। যে পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চে আজ রায়দান করার কথা রয়েছে সেই তালিকায় রয়েছেন বিচারপতি এএস বোপান্না এবং ভি রামসুব্রহ্মণিয়ম।

নোট বািতল
২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর মোদী সরকার নোট বাতিল করেছিল। রাতারাতি বদলে গিয়েছিল গোটা দেশের চেহারা। ৫০০ টাকা এবং ১০০০ টাকার নোট বাতিল করা হয়েছিল। সেই বছর ৮ নভেম্বর ঠিক রাত ৮টার সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ঘোষণা বদলে দিয়েছিল গোটা দেশের পরিস্থিতি। অসংখ্য মানুষ এটিএমের লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন। সবচেয়ে বেশি সংকটের মুখে পড়েছিলেন গরিব মানুষ। তাঁদের চরম সংকটে পড়তে হয়েছিল। তার সঙ্গে প্রবীণরাও চরম সংকটে পড়েছিলেন। এই নিয়ে প্রবল পাজনৈতিক টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল গোটা দেশে।

৭ ডিসেম্বরের শুনানিতে কী হয়েছিল
গত ৭ ডিসেম্বরের শুনানিতে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কাছ থেকে হলফনামা তলব করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। তাতে নোট বাতিল নিয়ে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের অবস্থান জানতে চেয়েছিল শীর্ষ আদালত। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক হলফনামা দিয়ে নোট বাতিলের কারণ ব্যাখ্যাও করেছিল। তবে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের হলফনামা জমা দেওয়ার পরেও মোদী সরকারের এই সিদ্ধান্তের প্রবল বিরোধিতা করেছিলেন আইনজীবীর ভূমিকায় মামলা লড়া পি চিদাম্বরম। মামলা কারীর হয়ে এই মামলায় লড়ছেন তিনি।

চিদাম্বরমের তীব্র বিরোধিতা
আদালতে পি চিদাম্বরম মোদী সরকারের এই সিদ্ধান্তের প্রবল বিরোধিতা করেছেন। তিনি বলেছিলেন মোদী সরকার এই সিদ্ধান্ত ঘোষণার আগে পর্যন্ত একবারের জন্যও বিরোধীদের সঙ্গে কোনও রকম আলোচনা করেননি। এমনকী সংসদেও এই নিয়ে কোনও প্রস্তাব পেশ করেনি। সংসদে এই নিয়ে প্রস্তাব পেশ করা উচিত ছিল মোদী সরকারের। কারণ গোটা দেশের মানুষের উপর তাঁর সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়েছিল। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলেন সাধারণ মানুষ।












Click it and Unblock the Notifications