দিল্লি সীমান্তে বিক্ষোভরত কৃষকদের হঠাতে আদালতে আবেদন, বুধবার বড় শুনানি সু্প্রিম কোর্টে
দিল্লি সীমান্তে বিক্ষোভরত কৃষকদের হঠাতে আদালতে আবেদন, বুধবার বড় শুনানি সু্প্রিম কোর্টে
অনেকটা শাহিনবাগের মতো পরিস্থিতি হয়েছে দিল্লি সীমানায়। হাজার হাজার কৃষক রাস্তায় বসে পড়ে অবস্থান বিক্ষোভ করছে। চরম যানজট আর সমস্যার মধ্য পড়তে হচ্ছে বাসিন্দাদের। রাজধানীর সীমানা থেকে বিক্ষোভ রত কৃষকদের হঠাতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন এক আইনজীবী ছাত্রষ আগামিকাল বুধবার সেই মামলার শুনানি হওয়ার কথা সুপ্রিম কোর্টে। ২০ দিন ধরে দিল্লি সীমানায় রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন হাজার হাজার কৃষক।

কৃষকদের হঠাতে আদালতে আবেদন
কৃষি আইনের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ শুরু করেছেন পাঞ্জাব, হরিয়ানার কৃষকরা। দিল্লি ও নয়ডার সীমানায় হাজার হাজার কৃষক রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। ২০ দিন ধরে রাস্তা আটকে চলছে বিক্ষোভ। এতে বিপুল সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। প্রবল যানজট তৈরি হচ্ছে নিত্যদিন। এই নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন এক আইনজীবী। অবিলম্বে দিল্লি সীমানা থেকে বিক্ষোভরত কৃষকদের হঠানোর দাবি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানিয়েছেন তিনি।

সুপ্রিম কোর্টে শুনানি
আইনের ছাত্রের আবেদন শুনবে সুপ্রিম কোর্টের বিশেষ বেঞ্চ। প্রধান বিচারপতি এসএস ববদে, বিচারপতি এএস বোপান্না ও বিচারপতি ভি রামাসুব্রমণিয়নের বেঞ্চে আবেদনের শুনানি রয়েছে। আবেদন কারী দাবি করেছেন যেন বিক্ষোভকারী কৃষকদের অন্য জায়গা বিক্ষোভ দেখানোর জন্য ঠিক করে দেওয়া হয়। এবং বিক্ষোভের সুনির্দিষ্ট গাইড লাইন তৈরি করে দেওয়া হয়।

কৃষকদের ভুল বোঝাচ্ছে বিরোধীরা
কৃষকদের ভুল বোঝাচ্ছে বিরোধীরা। এমনই অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি অভিযোগ করেছেন যাঁরা কৃষকদের ভুল বোঝাচ্ছেন তাঁরা ক্ষমতায় থাকাকালীন কৃষিআইনের সমর্থন করেছেন। ক্ষমতা চলে যাওয়ার পরেই কৃষিআইনের বিরোধিতায় সরব হয়েছে। এবং কৃষকদের ভুল বুঝিেয় তাঁদের বিপথে চালনা করছেন বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

আন্দোলনে অনড় কৃষকরা
কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে অনড় কৃষকরা। কোনও ভাবে কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবি থেকে সরতে নারাজ তাঁরা। মোদী সরকার যতদিন ক্ষমতায় থাকবে ততদিন তাঁরা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন। ইতিমধ্যেই সরকারের সঙ্গে ৯ দফার বৈঠক ভেস্তে গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications