Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

সুপ্রিম কোর্টে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনকে চ্যালেঞ্জ করে দুই শতাধিক আবেদনের শুনানি সোমবার

সোমবার সুপ্রিম কোর্টে সিএএ কে চ্যালেঞ্জ করে দুই শতাধিক আবেদনের শুনানি

সোমবার সুপ্রিম কোর্টে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন ২০১৯-এর ২০০টির বেশি আবেদনের শুনানি হবে। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ইউইউ ললিত ও এস রবীন্দ্রভাটের একটি বেঞ্চ সিএএ-কে চ্যালেঞ্জ করে অন্তত ২২০টি পিটিশনের শুনানি করবে বলে জানা গিয়েছে। সিএএ-এর বিরুদ্ধে আবেদনগুলো প্রথম ২০১৯ সালের ৮ ডিসেম্বর শুনানির জন্য এসেছিল। ২০২১ সালের ১৫ জুন সুপ্রিম কোর্টে শেষবারের জন্য শুনানি হয়।

সুপ্রিম কোর্টে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনকে চ্যালেঞ্জ করে দুই শতাধিক আবেদনের শুনানি সোমবার

২০১৯ সালের ১১ ডিসেম্বর সংসদে সিএএ আইন হিসাবে পাশ হয়। সিএএ পাস হওয়ার পরেই সারা দেশ জুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়। কেরল ভিত্তিক রাজনৈতিক দল ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগ (আইইউএমএল), তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ মহুয়া মৈত্র, কংগ্রেস নেতা এবং প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জয়রাম রমেশ, অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমীন (এআইএমআইএম) নেতা আসাদউদ্দিন ওয়াইসি, কংগ্রেস নেতা দেবব্রত সাইকিয়া সিএএ আইনের বিরোধিতা করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। পাশাপাশা অসমের রিহাই মঞ্চ এবং সিটিজেনস অ্যাগেইনস্ট হেট, সম অ্যাডভোকেটস অ্যাসোসিয়েশন এবং আইনের ছাত্ররা সিএএকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। রাজ্য হিসেবে কেরল প্রথম সিএএ-এর বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল ২০২০ সালে।

সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্রের স্বপক্ষে যুক্তি না শুনে আইনটি স্থগিত করতে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিতে অস্বীকার করেছিল। এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্রকে একটি নোটিশ পাঠিয়েছিল। ২০২০ সালের মার্চে নোটিশের উত্তরে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছিল, সিএএ কখনই ভারতের গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ আইনকে প্রভাবিত করে না। এই আইনের জেরে কোনও নাগরিকের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হবে না। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছিল, এই আইনের সাহায্যে হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, পার্সিদের নাগরিকত্ব দ্রুত দিতে সাহায্য করবে। মূলত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, বাংলাদেশ থেকে ধর্মীয় নির্যাতনের জেরে ২০১৪ সালের ৩১ ডিসম্বেরর আগে যাঁরা ভারতে এসেছিলেন, তাঁদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।

কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ তাঁর আবেদনে সুপ্রিম কোর্টে বলেছিলেন, সংবিধানে নাগরিরকদের মৌলিক অধিকারের ওপর পরিকল্পিতভাবে এই আইনের সাহায্যে আক্রমণ করা হচ্ছে। সিএএ ২০১৯ আইনটি ১৯৫৫ সালের আইনকে সংশোধনী রূপ। যার সাহায্যে ভারতে অবৈধ শরণার্থীদের বৈধ নাগরিক করে তোলে। নাগরিকত্ব আইন ২০১৯ শুধুমাত্র শরণার্থীদের জন্য প্রযোজ্য, যাঁরা ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর বা তার আগে প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে ধর্মীয় নিপীড়নের কারণে ভারতে এসেছিলেন। তবে সিএএ থেকে উত্তর-পূর্ব ভারতের বেশ কিছু অংশকে ছাড় দেওয়া হয়েছে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+