সুপ্রিম কোর্টে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বৈধতা যাচাই, শুনানি শুরু ৫ মে
নরেন্দ্র মোদী সরকারের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) ২০১৯ এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা একাধিক আবেদনের শুনানি শীঘ্রই শুরু হতে যাচ্ছে। সুপ্রিম কোর্ট সম্মত হয়েছে এই মামলাগুলি শীর্ষ আদালতে দ্রুত বিচারাধীন করার বিষয়ে। জানিয়েছে, মামলাগুলি প্রাথমিকভাবে বিচারাধীন হওয়ার পরে শুনানি এগোবে। সূত্র পিটিআই জানিয়েছে, ৫ মে থেকে এই শুনানি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে।
২০১৯ সালের ডিসেম্বরে সংসদে সিএএ বিল পাশ হওয়ার পর দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছিল। সেই বছরের ১৮ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্টে আইনটি বাতিলের জন্য প্রথম শুনানি হয়েছিল। এরপর ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি, রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের মাধ্যমে এই বিল আইন হিসেবে প্রণীত হয়।

সিএএ-র বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মামলা করেছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন
ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লীগ (আইইউএমএল),কংগ্রেস নেতা ও সাংসদ জয়রাম রমেশ, তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ মহুয়া মৈত্র,
এআইএমআইএম নেতা ও হায়দরাবাদের সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়েইসি, কংগ্রেস নেতা দেবব্রত শইকিয়া, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা রিহাই মঞ্চ,
অসম অ্যাডভোকেটস অ্যাসোসিয়েশন।
এর আগে, রাজ্য সরকারের মধ্যে কেরল প্রথম এই আইনের বিরুদ্ধে মামলা করেছিল।
সিএএ-তে বলা হয়েছে, আফগানিস্তান, বাংলাদেশ ও পাকিস্তান থেকে হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পার্শি ও খ্রিস্টান শরণার্থীরা ভারতের নাগরিকত্ব পেতে পারবেন, তবে তাদের ভারতে আগমন হতে হবে ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর বা তার আগে।
কিন্তু আইনটিতে মুসলিম শরণার্থীদের ক্ষেত্রে বৈষম্য স্পষ্ট। পাকিস্তান ও বাংলাদেশের আহমদিয়া মুসলিম বা মায়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গা মুসলিমদের নাগরিকত্বের কোনো উল্লেখ নেই। এমনকি শ্রীলঙ্কার নির্যাতিত হিন্দু ও খ্রিস্টান তামিলদের বিষয়েও নাগরিকত্ব প্রদানের কোনো প্রাধান্য নেই।
মামলাকারীদের অভিযোগ, আইনটি ধর্ম, জাতি বা জন্মস্থানের ভিত্তিতে বৈষম্য করছে এবং নাগরিকদের মৌলিক অধিকার, যেমন জীবনযাপন, স্বাধীনতা ও সমতা, ক্ষুণ্ণ করছে। ফলে, তাদের বক্তব্যে, এই আইন সাংবিধানিক অধিকার হরণের প্রবণতা তৈরি করেছে।
আগেও সুপ্রিম কোর্ট সিএএ বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে নোটিস জারি করেছিল। ২০২০ সালের মার্চে কেন্দ্রীয় সরকার হলফনামা দিয়ে জানিয়েছিল, সিএএ কোনো নাগরিকের মৌলিক অধিকার হরণ করছে না এবং সাংবিধানিক নৈতিকতা লঙ্ঘন হয়নি। ২০২২ সালে বিরোধীদের স্থগিতাদেশের আবেদন প্রধান বিচারপতি ইউইউ ললিতের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ খারিজ করেছিল।
এবারের শুনানি নিয়ে দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে তীব্র মনোযোগ রয়েছে, কারণ সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে নাগরিকত্ব সংক্রান্ত নীতি ও দেশের সংবিধান প্রয়োগে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।
-
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে অনির্দিষ্টকালের জন্য থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত -
দাগি নেতাদের নিরাপত্তা কাটছাঁট কতটা মানল পুলিশ? স্টেটাস রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন -
পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ভোটের আগে তৃণমূলের দুই হেভিওয়েট নেতাকে ইডির তলব -
ভোটের আগেই কমিশনের কড়া নির্দেশ! অনুমতি ছাড়া জমায়েত নয়, নিয়ম ভাঙলেই গ্রেফতার, রাজ্যজুড়ে জারি কঠোর নির্দেশ -
এপ্রিলে শক্তিশালী ত্রিগ্রহী যোগ, শনি-সূর্য-মঙ্গলের বিরল মিলনে কাদের থাকতে হবে সতর্ক? -
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ! MRI Scan-এর খরচ আকাশছোঁয়া হতে পারে, বিপাকে পড়তে পারেন রোগীরা -
অমিত শাহের রাজ্যে থাকার ঘোষণায় তীব্র কটাক্ষ মমতার, বললেন, যত বেশি থাকবে, তত ভোট কমবে -
যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝেই বড় রদবদল! মার্কিন সেনা প্রধানকে সরাল ট্রাম্প প্রশাসন, কারণ কী, জল্পনা তুঙ্গে -
এপ্রিলেই বাড়ছে গরমের দাপট! আগামী সপ্তাহেই ৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়ার আশঙ্কা, কী জানাচ্ছে হাওয়া অফিস












Click it and Unblock the Notifications