Electoral Bonds: নির্বাচনী বন্ড আসলে কী? মোদী সরকারের এই প্রকল্প নিয়ে কেন এত বিতর্ক
Electoral Bonds: দেশের রাজনৈতিক দলগুলিকে অনুদান দেওয়ার ক্ষেত্রে নির্বাচনী বন্ডের ঘোষণা করে মোদী সরকার। আর সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করেই মামলা হয় সুপ্রিম কোর্টে। নির্বাচনী বন্ডে স্বচ্ছতা রয়েছে কি না, সে বিষয়েই আজ বৃহস্পতিবার গুরুত্বপূর্ণ রায় শোনাতে পারে সুপ্রিম কোর্ট।
গত বছরের অক্টোবর মাস থেকে কার্যত প্রত্যেকদিনই প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির বিশেষ বেঞ্চে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি (Electoral Bonds) হয়। দীর্ঘ শুনানি শেষে শীর্ষ আদালত রায় ঘোষণা স্তগিত রাখে।

অবশেষে আজ বৃহস্পতিবার এই বিষয়ে (Electoral Bonds) রায় ঘোষণা করবে প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন বিশেষ বেঞ্চ। কিন্তু কি এই নির্বাচনী বন্ড। যা নিয়ে এত বিতর্ক?
Electoral Bonds: নির্বাচনী বন্ড আসলে কী?
নির্বাচনী বন্ড কিংবা ইলেকট্ররাল বন্ডের (Electoral Bonds) মাধ্যমে যে কোনও ব্যক্তি, সংস্থা কিংবা কোম্পানি দেশের যে কোনও রাজনৈতিক দলকে টাকা ডোনেট অর্থাৎ চাঁদা হিসাবে দিতে পারবে। বিভিন্ন দামে এই নির্বাচনী বন্ড বাজারে রয়েছে। স্টেট ব্যাঙ্কের নির্দিষ্ট শাখা থেকে তা কেনার সুযোগ রয়েছে।
নুন্যতম এক হাজার টাকা, ১০ হাজার টাকা, এক লাখ টাকা, ১০ লাখ টাকা এবং ১ কোটি টাকার নির্বাচনী বন্ড কেনার সুযোগ রয়েছে। এই বন্ড কে বা কারা কিনছেন তাঁর পরিচয় সম্পূর্ণ ভাবে গোপন রাখার কথা বলা হয়েছে। গত ২০১৭ সালে এই বন্ড নিয়ে আসা হয় তবে ব্যবহার ২০১৮ সাল থেকে করা হচ্ছে। কোনও দল যদি এই ইলেকট্ররান বন্ড পায় তা ১৫ দিনের মধ্যেই ভাঙাতে পারবে।
তবে এই বন্ড কবে কেনা যাবে তা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। যেমন জানুয়ারি, এপ্রিল, জুলাই এবং অক্টোবরের ১ তারিখ থেকে ১০ তারিখের মধ্যে এই বন্ড কেনার সুযোগ রয়েছে। শুধু তাই নয়, যে বছর লোকসভা নির্বাচন রয়েছে সেই বছর সরকার এই বন্ড কেনার জন্য অতিরিক্ত আরও ৩০ দিন সময় দেয়। তবে ইলেকট্রল বন্ডের মাধ্যমে শুধুমাত্র রেজিস্টার্ড রাজনৈতিক দলকেই চাঁদা দেওয়া যাবে। রিপ্রেজেনটেশন অফ দ্য পিপল অ্যাক্ট, ১৯৫১ সেকশন ২৯ অনুযায়ী রেজিস্টার্ড পার্টি ইলেকট্রিল বন্ডের সুবিধা পাবেন।
Electoral Bonds: কেন বিবাদ?
নির্বাচনী বন্ড কিংবা ইলেকট্ররাল বন্ড (Electoral Bonds) নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। এই পদক্ষেপ স্বচ্ছ নয় বলে দাবি। বিশেষ করে পরিচয় যেহেতু গোপন রাখা হচ্ছে এক্ষেত্রে টাকার উতসের বিষয়েও কোনও তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না বলেও দাবি করা হয়েছে। কালো টাকা রাজনৈতিক দলগুলিকে নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে দেওয়া হচ্ছে কিনা তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
শুধু তাই নয়, কোন কর্পোরেট সংস্থা কাকে ভোটে সাহায্য করছে, তার বিনিময়ে ক্ষমতাসীন দলের থেকে কী সুবিধে আদায় করছে, তা জানার কোনও উপায় নেই বলেও দাবি বিরোধীদের। আর এই বিষয়ে চ্যালেঞ্জ করেই মামলা হয়। বিশেষ বেঞ্চে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়।












Click it and Unblock the Notifications