Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

মহাত্মা গান্ধী, বালগঙ্গাধর তিলকের বিরুদ্ধে ব্রিটিশরা রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা ব্যবহার করেছিল: সুপ্রিম কোর্ট

'মহাত্মা গান্ধী, বালগঙ্গাধর তিলকের বিরুদ্ধে ব্রিটিশরা রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা ব্যবহার করেছিল,' আইনের অপব্যবহার নিয়ে 'সুপ্রিম' বার্তা

ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২৪ এর এ ধারা মূলত সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা সম্পর্কিত। এই আইনের সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে একটি মামলা এদিন দায়ের হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। তার শুনানি চলাকালীন এদিন একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন চিফ জাস্টিস অনভি রামানা। এদিন তিনি বালগঙ্গাধন তিলক থেকে শুরু করে এই প্রসঙ্গে মহাত্মা গান্ধীর প্রসঙ্গও তুলে ধরেন রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা নিয়ে বক্তব্য রাখার সময়।

 ব্রিটিশরাজের সময় ও রাষ্ট্রদ্রোহিতা

ব্রিটিশরাজের সময় ও রাষ্ট্রদ্রোহিতা

সময়টা তখন অগ্নিগর্ভ। গোটা দেশ স্বাধীনতার দাবিতে সরব। সেই সময় ১৯২২ সালে মহাত্মা গান্ধী ও শঙ্করলাল ঘেলভাই ব্যাঙ্কারের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা দায়ের করে ব্রিটিশ সরকারয। 'ইয়ং ইন্ডিয়া' সম্পর্কিত এই মামলার পর্ব চলে তৎকালীন বম্বে হাইকোর্টে। এদিন সুপ্রিম কোর্ট সেই প্রসঙ্গ তুলে কার্যত এই আইনের অপব্যবহারের প্রসঙ্গটি সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

বালগঙ্গাধর তিলকের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা

বালগঙ্গাধর তিলকের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা

ইতিহাসে বিখ্যাত পর্বগুলির মধ্যে অন্যতম ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে একাধিক স্বাধীনতা সংগ্রামীর বিরুদ্ধে আনা রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা। যে মামলাগুলিকে কার্যত হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করে ভারতীয়দের ওপর নিষ্পেষণ চালাত ব্রিটিশ সরকার। ১৯০৮ সালের ২২ জুলাই এম্পেরর বনাম বাল গঙ্গাধর তিলকের মামলাটিও সেরকমই। সেখানেও লাগু হয় ১২৪ এর এ ধারা। যে আইনের প্রয়োজনীয়তা স্বাধীনতার ৭৫ বছর পার হওয়ার পর কী রয়েছে, তার প্রশ্ন তোলে দেশের শীর্ষ আদালত।

আইনের অপব্যাবহার নিয়ে আদালতের উদ্বেগ

আইনের অপব্যাবহার নিয়ে আদালতের উদ্বেগ

'যদি , এই ধারায় মামলা নিয়ে ইতিহাস ঘাঁটা যায়, তাহলে দেখা যাবে দোষী সাব্যস্তের সংখ্যা খুবই কম। তবে বড় সংখ্যায় মানুষ এই আইনকে অপব্যবহার করেছেন বলে দেখা যাবে।' ঠিক এই ভাষাতেই এদিন চিফ জাস্টিস এনভি রামানা নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন। আর শীর্ষ আদালত যে আইনটির অপব্যবহারকে নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

 প্রসঙ্গ ওঠে ইতিহাসের পাতার

প্রসঙ্গ ওঠে ইতিহাসের পাতার

'রাষ্ট্রদ্রোহ একটি ঔপনিবেশিক আইন আর এটি ব্রিটিশরা ব্যবহার করত। এতে স্বাধীনতা খর্ব করা হত। এটি মহাত্মা গান্ধী, বাল গঙ্গাধর তিলকের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হয়েছিল। ' সুপ্রিম কোর্টের চিফ জাস্টিস এন ভি রামানা এদিন এই বক্তব্য রাখেন আদালতের মামলা চলাকালীন। এই আইনকে শীর্ষ আদালত ঔপনিবেশিক আইন বলে আখ্যা দেয়।

ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২৪ এ ধারা

ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২৪ এ ধারা

প্রসঙ্গত, ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২৪ এ ধারা একটি গুরুতর অপরাধ। এই ধারায় রাষ্ট্রের বিরুদ্ধাচারণের অভিযোগ থাকে। এই আইন সম্পর্কে বক্তব্য রাখতে গিয়ে চিফ জাস্টিস বলেন, ' রাষ্ট্রদ্রোহ আইন এমন একটি করাত যা কাঠের মিস্ত্রির হাতে তুলে দেওয়া হয় কাঠ কাটার জন্য। কিন্তু সে গোটা জঙ্গলই কেটে ফেলে।' এমন বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, গ্রামের কোনও সাধারণ মানুষকে যদি কোনও পুলিশ কর্তা ফাঁসাতে চান ,তাহলে তিনি এই আইনের আশ্রয় নিতে পারেন। এরফলে মানুষ সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে।

 কোন ইস্যুতে এমন মামলা

কোন ইস্যুতে এমন মামলা

এক প্রাক্তন সেনা অফিসারের দায়ের করা মামলায় বলা হয়েছে, এই আইন নিয়ে অকারণ আতঙ্ক তৈরির অভিযোগ ওঠে। আর সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই মামলার শুনানি চলেছে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+