বিল নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে ৩ মাসের মধ্যেই, রাষ্ট্রপতিকে সময়সীমা বেঁধে দিল সুপ্রিম কোর্ট
এবার থেকে রাষ্ট্রপতিকে যেকোনও বিল নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে ৩ মাসের মধ্যে, এমনটাই জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। অর্থাৎ কোনও বিল দীর্ঘদিন ধরে ফেলে রাখা চলবে না। আর যদি ফেলে রাখেন, তবে তার বৈধ কারণও জানাতে হবে। তামিলনাড়ুর রাজ্যপালের বিচারাধীন বিলের অনুমোদন আটকে রাখার সিদ্ধান্ত আদালত বাতিল করার পর এই যুগান্তকারী রায়। শুক্রবার এই আদেশ জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়েছে।
তামিলনাড়ুর আইনসভায় পাশ হওয়ার পর ১০ টি বিল রাজ্যপাল আরএন রবি আটকে রেখেছেন বলে অভিযোগ। গত ২ বছর আগে অর্থাৎ ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে ওই বিলগুলি রাজ্যপাল পাঠিয়ে দিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্তের জন্য। এই সংক্রান্ত মামলায় রাজ্যপালের আচরণকে বেআইনি বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা এবং বিচারপতি আর মহাদেবনের বেঞ্চ।

তামিলনাড়ু মামলার রায় প্রদানের সময় বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা এবং আর মহাদেবনের ওই বেঞ্চ বলেছে, ২০১ অনুচ্ছেদের অধীনে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন বিচারসংক্রান্ত পর্যালোচনার জন্য উপযুক্ত। আদালতের বক্তব্য, "২০১ অনুচ্ছেদ অনুসারে, যখন একজন রাজ্যপাল কোনও বিল সংরক্ষণ করেন, তখন রাষ্ট্রপতি তা অনুমোদন বা প্রত্যাখ্যান করতে পারেন। তবে সংবিধান এই সিদ্ধান্তের জন্য কোনও সময়সীমা নির্দিষ্ট করে না।"
সুপ্রিম কোর্ট জোর দিয়ে একথাও বলেছে যে, রাষ্ট্রপতির "পকেট ভেটো" নেই এবং তাকে যেকোনও বিল সংক্রান্ত বিষয়ে হয় সম্মতি দিতে হবে, আর না হয় স্থগিত রাখতে হবে। যদি রাষ্ট্রপতি কোনও বিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে ৩ মাসের বেশি সময় নেন, তাহলে তাদের বিলম্বের বৈধ কারণগুলি প্রদান করতে হবে এবং রাজ্যকে তা জানাতে হবে।
সুপ্রিম কোর্ট আরও জানায়, রাজ্যপাল যদি রাষ্ট্রপতির কাছে কোনও বিল পাঠান এবং রাষ্ট্রপতি যদি তা অনির্দিষ্ট কালের জন্য আটকে রাখেন, রাজ্য সরকার চাইলে তার বিরুদ্ধে আদালতে যেতে পারবে। রাষ্ট্রপতির ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেছেন, রাষ্ট্রপতি যদি কোনও যথার্থ কারণ ছাড়াই বিলগুলি আটকে রাখেন, তাহলে তা সংবিধানের ২০১ নম্বর ধারার আওতায় সংবিধানের মৌলিক নীতির বিরোধিতা করা বলে ধরা হবে। যেখানে সংবিধান ক্ষমতার অপব্যবহার ও স্বেচ্ছাচারিতার বিপক্ষে কথা বলেছে।
প্রসঙ্গত, বিধানসভায় দ্বিতীয়বার পাশ হওয়া ১০টি বিল তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল আরএন রবির কাছে পাঠায় রাজ্য সরকার। রাজ্যপাল ২ বার পাশ হওয়া বিলগুলি আটকে রেখেছিলেন। যার বিরোধীতা করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিন। এই মামলায় গত ৮ই এপ্রিল বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা এবং বিচারপতি আর মহাদেবনের বেঞ্চ স্পষ্ট জানায়, বিল আটকে রাখার কোনও অধিকার রাজ্যপালের নেই।
-
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
কালিয়াচক কাণ্ডের পর ফের অশান্তি! অমিত শাহ-র রোড শো ঘিরে ভবানীপুরে ধুন্ধুমার, হাতাহাতি তৃণমূল-বিজেপির -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
ভবানীপুরে আজ শক্তি প্রদর্শনে বিজেপি, শুভেন্দুর মনোনয়নে সঙ্গী অমিত শাহ -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
'খুব দ্রুত যুদ্ধ শেষ করব'! ইরান ইস্যুতে কড়া বার্তা মার্কিন প্রেসিডেন্টের, কী বললেন? -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
কালিয়াচক কাণ্ডে উত্তেজনা চরমে! বিচারকদের ঘেরাও-ভাঙচুরে তৃণমূলকে নিশানা সুকান্তর, কী বললেন দিলীপ? -
মালদহের অশান্তি নিয়ে বিজেপিকে কাঠগড়ায় তুলল মমতা, সুতির সভা থেকে শান্তির বার্তা -
বসন্তের শেষে বাড়ছে পারদ! গরমে কী নাজেহাল হবে শহরবাসী? কী জানাচ্ছে হাওয়া অফিস? জানুন -
৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, ৪ মহাকাশচারী নিয়ে নাসার 'আর্টেমিস ২'-এ ইতিহাসের নতুন অধ্যায়












Click it and Unblock the Notifications